ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের হার এশিয়ায় সর্বোচ্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নতুন প্রতিবেদন উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
  • / 422

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে করা মেয়ের সংখ্যা ৫১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি। একই সঙ্গে, বিশ্বের তালিকায় বাংলাদেশ ৮ম অবস্থানে রয়েছে, যা দেশের মেয়েদের জন্য একটি বড় সংকেত। শনিবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ইউনিসেফ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল এবং ইউএন উইমেনের যৌথ প্রতিবেদন এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০-২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫১.৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই, আর ২৪ শতাংশ নারী সন্তান জন্ম দিয়েছেন বিয়ের আগে। কিশোরী মেয়েদের প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য রোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাব এখন স্পষ্ট।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ভিসা সহজীকরণে আগ্রহী সংযুক্ত আরব আমিরাত

এছাড়া, ১৫-১৯ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গত ১২ মাসে শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। তাদের অধিকাংশই এখনও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন নয়, ফলে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তারা সচেতনভাবে সক্ষম নয়। মাত্র ৪৭ শতাংশ কিশোরী জানেন তাদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মেয়েদের ডিজিটাল দক্ষতার হার দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও, বাংলাদেশসহ সাতটি দেশে এটি ২ শতাংশ বা তারও কম, যা ডিজিটাল জগতের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণ হতে পারে।

এই প্রতিবেদনটির মূল বার্তা হলো, কিশোরী মেয়েদের ক্ষমতায়নে যথেষ্ট বিনিয়োগ ও নীতি পরিবর্তন না হলে, তারা আরও দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকতে পারে। বিশেষ করে, শিক্ষার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। নারীশিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রসারের পাশাপাশি, বাল্যবিয়ের প্রবণতা কমানোর জন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

যত দ্রুত এসব সমস্যার সমাধান করা হবে, তত দ্রুত বাংলাদেশে নারীর অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং দেশের উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের হার এশিয়ায় সর্বোচ্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নতুন প্রতিবেদন উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ

আপডেট সময় ০১:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

 

বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে করা মেয়ের সংখ্যা ৫১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি। একই সঙ্গে, বিশ্বের তালিকায় বাংলাদেশ ৮ম অবস্থানে রয়েছে, যা দেশের মেয়েদের জন্য একটি বড় সংকেত। শনিবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ইউনিসেফ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল এবং ইউএন উইমেনের যৌথ প্রতিবেদন এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০-২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫১.৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই, আর ২৪ শতাংশ নারী সন্তান জন্ম দিয়েছেন বিয়ের আগে। কিশোরী মেয়েদের প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য রোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাব এখন স্পষ্ট।

আরও পড়ুন  উর্ধ্বমুখী কিশোর অপরাধ! মাত্র ২ বছরে গ্যাং সংখ্যা বাড়ল ৩৭% 

এছাড়া, ১৫-১৯ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গত ১২ মাসে শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। তাদের অধিকাংশই এখনও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন নয়, ফলে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তারা সচেতনভাবে সক্ষম নয়। মাত্র ৪৭ শতাংশ কিশোরী জানেন তাদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মেয়েদের ডিজিটাল দক্ষতার হার দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও, বাংলাদেশসহ সাতটি দেশে এটি ২ শতাংশ বা তারও কম, যা ডিজিটাল জগতের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণ হতে পারে।

এই প্রতিবেদনটির মূল বার্তা হলো, কিশোরী মেয়েদের ক্ষমতায়নে যথেষ্ট বিনিয়োগ ও নীতি পরিবর্তন না হলে, তারা আরও দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকতে পারে। বিশেষ করে, শিক্ষার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। নারীশিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রসারের পাশাপাশি, বাল্যবিয়ের প্রবণতা কমানোর জন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

যত দ্রুত এসব সমস্যার সমাধান করা হবে, তত দ্রুত বাংলাদেশে নারীর অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং দেশের উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।