ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের হার এশিয়ায় সর্বোচ্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নতুন প্রতিবেদন উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
  • / 503

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে করা মেয়ের সংখ্যা ৫১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি। একই সঙ্গে, বিশ্বের তালিকায় বাংলাদেশ ৮ম অবস্থানে রয়েছে, যা দেশের মেয়েদের জন্য একটি বড় সংকেত। শনিবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ইউনিসেফ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল এবং ইউএন উইমেনের যৌথ প্রতিবেদন এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০-২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫১.৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই, আর ২৪ শতাংশ নারী সন্তান জন্ম দিয়েছেন বিয়ের আগে। কিশোরী মেয়েদের প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য রোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাব এখন স্পষ্ট।

আরও পড়ুন  দেশে স্থিতিশীলতা আশায় আমরা দ্রুতই নির্বাচনমুখী হচ্ছি: প্রেস সচিব

এছাড়া, ১৫-১৯ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গত ১২ মাসে শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। তাদের অধিকাংশই এখনও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন নয়, ফলে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তারা সচেতনভাবে সক্ষম নয়। মাত্র ৪৭ শতাংশ কিশোরী জানেন তাদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মেয়েদের ডিজিটাল দক্ষতার হার দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও, বাংলাদেশসহ সাতটি দেশে এটি ২ শতাংশ বা তারও কম, যা ডিজিটাল জগতের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণ হতে পারে।

এই প্রতিবেদনটির মূল বার্তা হলো, কিশোরী মেয়েদের ক্ষমতায়নে যথেষ্ট বিনিয়োগ ও নীতি পরিবর্তন না হলে, তারা আরও দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকতে পারে। বিশেষ করে, শিক্ষার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। নারীশিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রসারের পাশাপাশি, বাল্যবিয়ের প্রবণতা কমানোর জন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

যত দ্রুত এসব সমস্যার সমাধান করা হবে, তত দ্রুত বাংলাদেশে নারীর অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং দেশের উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের হার এশিয়ায় সর্বোচ্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নতুন প্রতিবেদন উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ

আপডেট সময় ০১:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

 

বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে করা মেয়ের সংখ্যা ৫১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি। একই সঙ্গে, বিশ্বের তালিকায় বাংলাদেশ ৮ম অবস্থানে রয়েছে, যা দেশের মেয়েদের জন্য একটি বড় সংকেত। শনিবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ইউনিসেফ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল এবং ইউএন উইমেনের যৌথ প্রতিবেদন এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০-২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫১.৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই, আর ২৪ শতাংশ নারী সন্তান জন্ম দিয়েছেন বিয়ের আগে। কিশোরী মেয়েদের প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য রোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাব এখন স্পষ্ট।

আরও পড়ুন  সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপির ৩৭ আসনে শতাধিক নেত্রীর দৌড়ঝাঁপ

এছাড়া, ১৫-১৯ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গত ১২ মাসে শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। তাদের অধিকাংশই এখনও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন নয়, ফলে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তারা সচেতনভাবে সক্ষম নয়। মাত্র ৪৭ শতাংশ কিশোরী জানেন তাদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মেয়েদের ডিজিটাল দক্ষতার হার দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও, বাংলাদেশসহ সাতটি দেশে এটি ২ শতাংশ বা তারও কম, যা ডিজিটাল জগতের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণ হতে পারে।

এই প্রতিবেদনটির মূল বার্তা হলো, কিশোরী মেয়েদের ক্ষমতায়নে যথেষ্ট বিনিয়োগ ও নীতি পরিবর্তন না হলে, তারা আরও দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকতে পারে। বিশেষ করে, শিক্ষার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। নারীশিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রসারের পাশাপাশি, বাল্যবিয়ের প্রবণতা কমানোর জন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

যত দ্রুত এসব সমস্যার সমাধান করা হবে, তত দ্রুত বাংলাদেশে নারীর অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং দেশের উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।