ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

কুমিল্লার গোমতী চরের মিষ্টিকুমড়ার বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 395

ছবি সংগৃহীত

 

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার গোমতী নদীর ভান্তির চরে এ বছর মিষ্টিকুমড়ার বাম্পার ফলনে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ। সবুজের মাঝে মিষ্টিকুমড়া বিকশিত হচ্ছে, যা পুরো চরের কৃষিজমি জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ফলন কৃষকদের মনে নতুন আশা এনে দিয়েছে।

মিষ্টিকুমড়া চাষে সফলতার পেছনে রয়েছে গত বছর আগস্টে হওয়া ভয়াবহ বন্যার পরের পরিস্থিতি। বন্যার স্রোতে গোমতী নদীর চরের কৃষিজমিতে প্রচুর পলি জমেছিল, যা এ বছর মিষ্টিকুমড়ার ভালো ফলন নিশ্চিত করেছে। নভেম্বরের শুরুতে জমিতে আলু ও মিষ্টিকুমড়ার চারা রোপণ করা হয়েছিল। বর্তমানে জমিগুলোতে শুধুমাত্র মিষ্টিকুমড়া রয়েছে এবং কৃষকরা এখন এসব তুলে বাজারে পাঠাচ্ছেন।

আরও পড়ুন  নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

এ বছর গোমতীর চরে শুধু মিষ্টিকুমড়া নয়, আলুরও ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকরা গোমতীর বেড়িবাঁধ সড়কে মিষ্টিকুমড়া বিক্রি করছেন। প্রতিটি খেত থেকে ৪০-৬০ টাকায় মিষ্টিকুমড়া বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা চরে এসে এসব মিষ্টিকুমড়া সংগ্রহ করে বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যাচ্ছেন।

ভান্তির গ্রামের কৃষক মো. মানিক জানান, গত বছর বন্যার পর জমির পলি ও দূষণের কারণে এ বছর ফসলের ফলন ভালো হয়েছে। তিনি ২৬ শতাংশ জমিতে আলু ও মিষ্টিকুমড়া চাষ করেছেন এবং ইতিমধ্যে আলু বিক্রি করে ৩০-৩৫ হাজার টাকা আয় করেছেন। এখন মিষ্টিকুমড়া বিক্রি করে ৪০-৫০ হাজার টাকার আশা করছেন।

মিষ্টিকুমড়ার চাষে সফলতা পেয়েছে বেশ কিছু হাইব্রিড জাত, যেমন মোহনা, পিরিতি সুপার, অনিক-১ ও ওয়ান্ডার বল। কৃষকদের মতে, মাটি ও আবহাওয়া এই ফলনের জন্য সহায়ক হয়েছে। বালীখাড়ার কৃষক মামুন মিয়া বলেন, ‘এই বছর মিষ্টিকুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে, আশা করছি দাম আরও বাড়বে।’

কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আইউব মাহমুদ বলেন, ‘বন্যার পর জমির পলি জমার কারণে মিষ্টিকুমড়ার ফলন ভালো হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়নি।’

এ বছর গোমতী চরের কৃষকরা মিষ্টিকুমড়ার ভালো ফলনে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করার সুযোগ পেয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুমিল্লার গোমতী চরের মিষ্টিকুমড়ার বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় ০৩:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার গোমতী নদীর ভান্তির চরে এ বছর মিষ্টিকুমড়ার বাম্পার ফলনে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ। সবুজের মাঝে মিষ্টিকুমড়া বিকশিত হচ্ছে, যা পুরো চরের কৃষিজমি জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ফলন কৃষকদের মনে নতুন আশা এনে দিয়েছে।

মিষ্টিকুমড়া চাষে সফলতার পেছনে রয়েছে গত বছর আগস্টে হওয়া ভয়াবহ বন্যার পরের পরিস্থিতি। বন্যার স্রোতে গোমতী নদীর চরের কৃষিজমিতে প্রচুর পলি জমেছিল, যা এ বছর মিষ্টিকুমড়ার ভালো ফলন নিশ্চিত করেছে। নভেম্বরের শুরুতে জমিতে আলু ও মিষ্টিকুমড়ার চারা রোপণ করা হয়েছিল। বর্তমানে জমিগুলোতে শুধুমাত্র মিষ্টিকুমড়া রয়েছে এবং কৃষকরা এখন এসব তুলে বাজারে পাঠাচ্ছেন।

আরও পড়ুন  কুমিল্লা সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় চিংড়ির রেনু ও ট্রাক জব্দ

এ বছর গোমতীর চরে শুধু মিষ্টিকুমড়া নয়, আলুরও ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকরা গোমতীর বেড়িবাঁধ সড়কে মিষ্টিকুমড়া বিক্রি করছেন। প্রতিটি খেত থেকে ৪০-৬০ টাকায় মিষ্টিকুমড়া বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা চরে এসে এসব মিষ্টিকুমড়া সংগ্রহ করে বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যাচ্ছেন।

ভান্তির গ্রামের কৃষক মো. মানিক জানান, গত বছর বন্যার পর জমির পলি ও দূষণের কারণে এ বছর ফসলের ফলন ভালো হয়েছে। তিনি ২৬ শতাংশ জমিতে আলু ও মিষ্টিকুমড়া চাষ করেছেন এবং ইতিমধ্যে আলু বিক্রি করে ৩০-৩৫ হাজার টাকা আয় করেছেন। এখন মিষ্টিকুমড়া বিক্রি করে ৪০-৫০ হাজার টাকার আশা করছেন।

মিষ্টিকুমড়ার চাষে সফলতা পেয়েছে বেশ কিছু হাইব্রিড জাত, যেমন মোহনা, পিরিতি সুপার, অনিক-১ ও ওয়ান্ডার বল। কৃষকদের মতে, মাটি ও আবহাওয়া এই ফলনের জন্য সহায়ক হয়েছে। বালীখাড়ার কৃষক মামুন মিয়া বলেন, ‘এই বছর মিষ্টিকুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে, আশা করছি দাম আরও বাড়বে।’

কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আইউব মাহমুদ বলেন, ‘বন্যার পর জমির পলি জমার কারণে মিষ্টিকুমড়ার ফলন ভালো হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়নি।’

এ বছর গোমতী চরের কৃষকরা মিষ্টিকুমড়ার ভালো ফলনে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করার সুযোগ পেয়েছেন।