ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন সি আর আবরার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 215

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও মানবাধিকারকর্মী চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) আজ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গভবনে, বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তিনি শপথ করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শেখ আবদুর রশীদ শপথ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এবার সি আর আবরার শিক্ষা উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। বর্তমানে শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। সি আর আবরার দায়িত্ব গ্রহণের পর, ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ শুধুমাত্র পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন  শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি

এই পরিবর্তন সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গতকাল এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, তারা আশা করছেন সি আর আবরার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দীর্ঘদিন ধরে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একসাথে রাখার বিষয়টি চাচ্ছিলেন না। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত বড় একটি মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজও বড়, যা একসাথে পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই সি আর আবরারের আগমন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মুখে, ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বর্তমানে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সক্রিয় রয়েছে।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, যখন সরকারের নতুন উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ এবং সমন্বিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন সি আর আবরার

আপডেট সময় ০২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও মানবাধিকারকর্মী চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) আজ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গভবনে, বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তিনি শপথ করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শেখ আবদুর রশীদ শপথ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এবার সি আর আবরার শিক্ষা উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। বর্তমানে শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। সি আর আবরার দায়িত্ব গ্রহণের পর, ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ শুধুমাত্র পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন  ভেঙে দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকার

এই পরিবর্তন সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গতকাল এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, তারা আশা করছেন সি আর আবরার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দীর্ঘদিন ধরে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একসাথে রাখার বিষয়টি চাচ্ছিলেন না। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত বড় একটি মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজও বড়, যা একসাথে পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই সি আর আবরারের আগমন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মুখে, ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বর্তমানে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সক্রিয় রয়েছে।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, যখন সরকারের নতুন উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ এবং সমন্বিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।