ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন সি আর আবরার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 382

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও মানবাধিকারকর্মী চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) আজ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গভবনে, বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তিনি শপথ করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শেখ আবদুর রশীদ শপথ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এবার সি আর আবরার শিক্ষা উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। বর্তমানে শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। সি আর আবরার দায়িত্ব গ্রহণের পর, ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ শুধুমাত্র পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন  শপথ নিতে জাতীয় সংসদে নবনির্বাচিত এমপিরা

এই পরিবর্তন সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গতকাল এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, তারা আশা করছেন সি আর আবরার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দীর্ঘদিন ধরে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একসাথে রাখার বিষয়টি চাচ্ছিলেন না। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত বড় একটি মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজও বড়, যা একসাথে পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই সি আর আবরারের আগমন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মুখে, ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বর্তমানে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সক্রিয় রয়েছে।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, যখন সরকারের নতুন উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ এবং সমন্বিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন সি আর আবরার

আপডেট সময় ০২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও মানবাধিকারকর্মী চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) আজ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গভবনে, বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তিনি শপথ করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শেখ আবদুর রশীদ শপথ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এবার সি আর আবরার শিক্ষা উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। বর্তমানে শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। সি আর আবরার দায়িত্ব গ্রহণের পর, ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ শুধুমাত্র পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন  বিশ্বব্যাংক ও অন্তর্বর্তী সরকার: এক সমর্থনের প্রতিশ্রুতি অর্থনিতীতে

এই পরিবর্তন সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গতকাল এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, তারা আশা করছেন সি আর আবরার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দীর্ঘদিন ধরে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একসাথে রাখার বিষয়টি চাচ্ছিলেন না। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত বড় একটি মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজও বড়, যা একসাথে পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই সি আর আবরারের আগমন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মুখে, ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বর্তমানে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সক্রিয় রয়েছে।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, যখন সরকারের নতুন উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ এবং সমন্বিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।