ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

কুয়েটে আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা, ক্যাম্পাস ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 179

ছবি সংগৃহীত

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সিন্ডিকেট সভায় সব আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করায় শিক্ষার্থীরা উদ্বেগের মধ্যে হল ছেড়ে যাচ্ছেন। আজ বুধবার সকাল থেকে শুরু হয় ছাত্রদের হল ত্যাগের প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯৯তম জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নির্দেশের পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন, যেখানে তাঁরা প্রশাসনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, হল ছাড়ার নির্দেশের পর তাঁরা আর নিরাপদ বোধ করছেন না, এবং তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। তবে, সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত কিছু শিক্ষার্থী আবাসিক হলে অবস্থান করছিলেন।

আরও পড়ুন  কুয়েটে দুই বৈঠকের অপেক্ষায় ক্লাস শুরু অনিশ্চিত, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত সপ্তাহে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিতে কুয়েট ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের পর এই সিদ্ধান্তটি আসে। এর আগে, ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

গতকাল দুপুরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা তাঁর বাসভবনে তালা দিতে যান, তবে পরে শিক্ষক-শিক্ষিকার সঙ্গে আলোচনার পর তাঁরা সেখান থেকে ফিরে যান। ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে সংঘর্ষে শতাধিক ছাত্র আহত হন। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর তাঁরা আরও অসুবিধায় পড়েছেন। এর মধ্যে, তাঁরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ নানা দাবি নিয়ে প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কুয়েটে আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা, ক্যাম্পাস ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ০১:২১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সিন্ডিকেট সভায় সব আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করায় শিক্ষার্থীরা উদ্বেগের মধ্যে হল ছেড়ে যাচ্ছেন। আজ বুধবার সকাল থেকে শুরু হয় ছাত্রদের হল ত্যাগের প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯৯তম জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নির্দেশের পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন, যেখানে তাঁরা প্রশাসনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, হল ছাড়ার নির্দেশের পর তাঁরা আর নিরাপদ বোধ করছেন না, এবং তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। তবে, সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত কিছু শিক্ষার্থী আবাসিক হলে অবস্থান করছিলেন।

আরও পড়ুন  এক দিনের জন্য পাকিস্তানের সব বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত সপ্তাহে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিতে কুয়েট ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের পর এই সিদ্ধান্তটি আসে। এর আগে, ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

গতকাল দুপুরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা তাঁর বাসভবনে তালা দিতে যান, তবে পরে শিক্ষক-শিক্ষিকার সঙ্গে আলোচনার পর তাঁরা সেখান থেকে ফিরে যান। ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে সংঘর্ষে শতাধিক ছাত্র আহত হন। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর তাঁরা আরও অসুবিধায় পড়েছেন। এর মধ্যে, তাঁরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ নানা দাবি নিয়ে প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন।