ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

কুয়েটে আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা, ক্যাম্পাস ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 420

ছবি সংগৃহীত

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সিন্ডিকেট সভায় সব আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করায় শিক্ষার্থীরা উদ্বেগের মধ্যে হল ছেড়ে যাচ্ছেন। আজ বুধবার সকাল থেকে শুরু হয় ছাত্রদের হল ত্যাগের প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯৯তম জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নির্দেশের পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন, যেখানে তাঁরা প্রশাসনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, হল ছাড়ার নির্দেশের পর তাঁরা আর নিরাপদ বোধ করছেন না, এবং তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। তবে, সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত কিছু শিক্ষার্থী আবাসিক হলে অবস্থান করছিলেন।

আরও পড়ুন  ৩৭ শিক্ষার্থীকে শোকজ নোটিশে উত্তাল কুয়েট, ক্লাসে ফেরেননি শিক্ষকরা

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত সপ্তাহে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিতে কুয়েট ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের পর এই সিদ্ধান্তটি আসে। এর আগে, ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

গতকাল দুপুরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা তাঁর বাসভবনে তালা দিতে যান, তবে পরে শিক্ষক-শিক্ষিকার সঙ্গে আলোচনার পর তাঁরা সেখান থেকে ফিরে যান। ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে সংঘর্ষে শতাধিক ছাত্র আহত হন। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর তাঁরা আরও অসুবিধায় পড়েছেন। এর মধ্যে, তাঁরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ নানা দাবি নিয়ে প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কুয়েটে আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা, ক্যাম্পাস ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ০১:২১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সিন্ডিকেট সভায় সব আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করায় শিক্ষার্থীরা উদ্বেগের মধ্যে হল ছেড়ে যাচ্ছেন। আজ বুধবার সকাল থেকে শুরু হয় ছাত্রদের হল ত্যাগের প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯৯তম জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নির্দেশের পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন, যেখানে তাঁরা প্রশাসনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, হল ছাড়ার নির্দেশের পর তাঁরা আর নিরাপদ বোধ করছেন না, এবং তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। তবে, সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত কিছু শিক্ষার্থী আবাসিক হলে অবস্থান করছিলেন।

আরও পড়ুন  শাহবাগ অবরোধে শিক্ষার্থীরা: কুয়েট ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ঢাকা

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত সপ্তাহে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিতে কুয়েট ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের পর এই সিদ্ধান্তটি আসে। এর আগে, ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

গতকাল দুপুরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা তাঁর বাসভবনে তালা দিতে যান, তবে পরে শিক্ষক-শিক্ষিকার সঙ্গে আলোচনার পর তাঁরা সেখান থেকে ফিরে যান। ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে সংঘর্ষে শতাধিক ছাত্র আহত হন। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর তাঁরা আরও অসুবিধায় পড়েছেন। এর মধ্যে, তাঁরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ নানা দাবি নিয়ে প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন।