পুলিশে আসছে নতুন সাইবার ইউনিট
- আপডেট সময় ০২:২৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 27
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশে নতুন সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে ইউনিটটি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ ইউনিটের শাখা মেট্রোপলিটন, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী থানা ও জেলা পর্যায়েও আধুনিক সরঞ্জাম রাখা হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নতুন সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত আইজিপির একটি পদ সৃষ্টি করার প্রয়োজন হলে তা করা হবে। মেট্রোপলিটন, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ইউনিটটির শাখা থাকবে।
তিনি বলেন, থানা ও জেলা পর্যায়ে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে। বড় পরিসরের ফরেনসিক ল্যাব এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সহায়তা পুলিশ সদর দপ্তর ও বিভাগীয় পর্যায়ে রাখা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্প প্রণয়নের জন্য কয়েক সপ্তাহ আগে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব সাইবার অপরাধ বা ঘটনা জটিল, সেগুলো কেন্দ্রীয় পর্যায়ে পাঠানো হবে। আর যেসব ঘটনার বিশ্লেষণ থানা, জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ে করা সম্ভব, সেগুলো সেখানেই সম্পন্ন করা হবে।
পুলিশে নিয়োগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে ব্যাপক পরিসরে বিভিন্ন পদে কর্মকর্তা ও জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ পুলিশকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। প্রযুক্তি যতই আধুনিক হোক, পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি মানুষের আস্থা। জনগণের আস্থা ছাড়া কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাহিনীর দক্ষ ও নিষ্ঠাবান সদস্যরা পুলিশকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলবেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন ও কল্যাণের বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। পুলিশের প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি, সরঞ্জাম এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।






















