ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বিএএসএ’র তীব্র প্রতিক্রিয়া: জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 292

ছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ) জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মন্তব্য করেছে।

এ প্রসঙ্গে, বিএএসএ’র সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ও মহাসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, “সরকারের উদ্যোগে গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসন ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, জনমুখী এবং জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। তবে কিছু পক্ষের স্বার্থে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”

আরও পড়ুন  সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বিএএসএ সরকার পরিচালিত সকল সংস্কার কর্মসূচির সাথে একাত্ম এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে কমিশনের সুপারিশে কিছু বিষয় নিয়ে পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। বিশেষত, উপসচিব পদে পদোন্নতি সম্পর্কে প্রস্তাবিত ৫০% কোটা সংস্কারের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের পরিপন্থী। ২০১৬ সালের রায়ে প্রশাসন ক্যাডারের ৭৫% পদোন্নতির অধিকারকে বৈধ ঘোষণা করা হয়, যা কমিশনের প্রস্তাবের সাথে সাংঘর্ষিক।”

এছাড়াও, বিএএসএ উল্লেখ করেছে যে, কমিশনের প্রস্তাবিত কোটা পরিবর্তন, যেখানে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য কোটা ৫০% করা হয়েছে, তা মেধাভিত্তিক পদোন্নতির মূলনীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এটি শাসন ব্যবস্থার ভারসাম্যকে বিপর্যস্ত করতে পারে।

বিএএসএ সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে, “জন্মসিদ্ধ অধিকার ও প্রশাসন ক্যাডারের ঐতিহাসিক ভূমিকা বিবেচনায় এই প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা হোক, যাতে দেশের শাসনব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।” এ ধরনের প্রতিক্রিয়া এবং সরকারী পদক্ষেপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে প্রয়োজন যথাযথ সমঝোতা ও সতর্ক পদক্ষেপ, যা দেশের শাসন ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএএসএ’র তীব্র প্রতিক্রিয়া: জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী

আপডেট সময় ০৫:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ) জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মন্তব্য করেছে।

এ প্রসঙ্গে, বিএএসএ’র সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ও মহাসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, “সরকারের উদ্যোগে গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসন ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, জনমুখী এবং জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। তবে কিছু পক্ষের স্বার্থে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”

আরও পড়ুন  সপ্তাহে ২ দিন হোম অফিসের খবরটি ‘ভুয়া’ বলছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বিএএসএ সরকার পরিচালিত সকল সংস্কার কর্মসূচির সাথে একাত্ম এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে কমিশনের সুপারিশে কিছু বিষয় নিয়ে পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। বিশেষত, উপসচিব পদে পদোন্নতি সম্পর্কে প্রস্তাবিত ৫০% কোটা সংস্কারের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের পরিপন্থী। ২০১৬ সালের রায়ে প্রশাসন ক্যাডারের ৭৫% পদোন্নতির অধিকারকে বৈধ ঘোষণা করা হয়, যা কমিশনের প্রস্তাবের সাথে সাংঘর্ষিক।”

এছাড়াও, বিএএসএ উল্লেখ করেছে যে, কমিশনের প্রস্তাবিত কোটা পরিবর্তন, যেখানে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য কোটা ৫০% করা হয়েছে, তা মেধাভিত্তিক পদোন্নতির মূলনীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এটি শাসন ব্যবস্থার ভারসাম্যকে বিপর্যস্ত করতে পারে।

বিএএসএ সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে, “জন্মসিদ্ধ অধিকার ও প্রশাসন ক্যাডারের ঐতিহাসিক ভূমিকা বিবেচনায় এই প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা হোক, যাতে দেশের শাসনব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।” এ ধরনের প্রতিক্রিয়া এবং সরকারী পদক্ষেপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে প্রয়োজন যথাযথ সমঝোতা ও সতর্ক পদক্ষেপ, যা দেশের শাসন ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।