ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

বিএএসএ’র তীব্র প্রতিক্রিয়া: জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 369

ছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ) জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মন্তব্য করেছে।

এ প্রসঙ্গে, বিএএসএ’র সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ও মহাসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, “সরকারের উদ্যোগে গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসন ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, জনমুখী এবং জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। তবে কিছু পক্ষের স্বার্থে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”

আরও পড়ুন  সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলম প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে নতুন দায়িত্ব

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বিএএসএ সরকার পরিচালিত সকল সংস্কার কর্মসূচির সাথে একাত্ম এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে কমিশনের সুপারিশে কিছু বিষয় নিয়ে পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। বিশেষত, উপসচিব পদে পদোন্নতি সম্পর্কে প্রস্তাবিত ৫০% কোটা সংস্কারের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের পরিপন্থী। ২০১৬ সালের রায়ে প্রশাসন ক্যাডারের ৭৫% পদোন্নতির অধিকারকে বৈধ ঘোষণা করা হয়, যা কমিশনের প্রস্তাবের সাথে সাংঘর্ষিক।”

এছাড়াও, বিএএসএ উল্লেখ করেছে যে, কমিশনের প্রস্তাবিত কোটা পরিবর্তন, যেখানে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য কোটা ৫০% করা হয়েছে, তা মেধাভিত্তিক পদোন্নতির মূলনীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এটি শাসন ব্যবস্থার ভারসাম্যকে বিপর্যস্ত করতে পারে।

বিএএসএ সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে, “জন্মসিদ্ধ অধিকার ও প্রশাসন ক্যাডারের ঐতিহাসিক ভূমিকা বিবেচনায় এই প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা হোক, যাতে দেশের শাসনব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।” এ ধরনের প্রতিক্রিয়া এবং সরকারী পদক্ষেপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে প্রয়োজন যথাযথ সমঝোতা ও সতর্ক পদক্ষেপ, যা দেশের শাসন ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএএসএ’র তীব্র প্রতিক্রিয়া: জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী

আপডেট সময় ০৫:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ) জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মন্তব্য করেছে।

এ প্রসঙ্গে, বিএএসএ’র সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ও মহাসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, “সরকারের উদ্যোগে গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসন ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, জনমুখী এবং জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। তবে কিছু পক্ষের স্বার্থে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”

আরও পড়ুন  নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এনসিপি প্রস্তাবিত প্রয়োজনীয় জনপ্রশাসন সংস্কার:

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বিএএসএ সরকার পরিচালিত সকল সংস্কার কর্মসূচির সাথে একাত্ম এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে কমিশনের সুপারিশে কিছু বিষয় নিয়ে পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। বিশেষত, উপসচিব পদে পদোন্নতি সম্পর্কে প্রস্তাবিত ৫০% কোটা সংস্কারের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের পরিপন্থী। ২০১৬ সালের রায়ে প্রশাসন ক্যাডারের ৭৫% পদোন্নতির অধিকারকে বৈধ ঘোষণা করা হয়, যা কমিশনের প্রস্তাবের সাথে সাংঘর্ষিক।”

এছাড়াও, বিএএসএ উল্লেখ করেছে যে, কমিশনের প্রস্তাবিত কোটা পরিবর্তন, যেখানে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য কোটা ৫০% করা হয়েছে, তা মেধাভিত্তিক পদোন্নতির মূলনীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এটি শাসন ব্যবস্থার ভারসাম্যকে বিপর্যস্ত করতে পারে।

বিএএসএ সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে, “জন্মসিদ্ধ অধিকার ও প্রশাসন ক্যাডারের ঐতিহাসিক ভূমিকা বিবেচনায় এই প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা হোক, যাতে দেশের শাসনব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।” এ ধরনের প্রতিক্রিয়া এবং সরকারী পদক্ষেপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে প্রয়োজন যথাযথ সমঝোতা ও সতর্ক পদক্ষেপ, যা দেশের শাসন ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।