ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বিচারের তাড়াহুড়োতে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হতে পারে: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 285

ছবি: সংগৃহীত

 

“তাৎক্ষণিক বিচারের নামে অবিচার যেন না হয়,” এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “বিচারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুবিচার নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচারের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  বিশ্বজুড়ে পারস্পরিক আস্থা হুমকির মুখে: নিক্কেই ফোরামে প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “যারা ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এই বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এনে দিয়েছেন, তাদের অবদান কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তারা ইতিহাসের অংশ, জীবন্ত কিংবদন্তি। জাতি হিসেবে গর্ব করার মতো তাদের আত্মত্যাগের কথা আমরা কখনোই ভুলতে পারি না।”

তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দেশে যেন কোনো সহিংসতা বা হানাহানি না হয়, সেটি নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। যারা অপরাধী, তারা বিচারের আওতায় আসবে। কিন্তু যারা অপরাধী নয়, তাদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যদি সুবিচারের বদলে আমরা অবিচারের পথে হাঁটি, তাহলে আমাদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ বৃথা যাবে।”

শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আজ থেকে আপনারা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের অংশ হলেন। এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নয়, বরং আপনাদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতার প্রতিফলন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা একসঙ্গে একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়তে চাই। এ দেশ কারও একার নয়, সবার। যারা পথভ্রষ্ট, তাদের সৎপথে ফেরানোই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।”

অনুষ্ঠানে তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা জানি, আপনাদের স্বীকৃতির অপেক্ষা দীর্ঘ হয়েছে। তবে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে আপনাদের সম্মাননা নিশ্চিত করতে। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করছি, দেরির জন্য দুঃখিত।”

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচারের তাড়াহুড়োতে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হতে পারে: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৬:০৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

“তাৎক্ষণিক বিচারের নামে অবিচার যেন না হয়,” এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “বিচারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুবিচার নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচারের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  এসএমই খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিনের

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “যারা ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এই বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এনে দিয়েছেন, তাদের অবদান কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তারা ইতিহাসের অংশ, জীবন্ত কিংবদন্তি। জাতি হিসেবে গর্ব করার মতো তাদের আত্মত্যাগের কথা আমরা কখনোই ভুলতে পারি না।”

তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দেশে যেন কোনো সহিংসতা বা হানাহানি না হয়, সেটি নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। যারা অপরাধী, তারা বিচারের আওতায় আসবে। কিন্তু যারা অপরাধী নয়, তাদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যদি সুবিচারের বদলে আমরা অবিচারের পথে হাঁটি, তাহলে আমাদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ বৃথা যাবে।”

শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আজ থেকে আপনারা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের অংশ হলেন। এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নয়, বরং আপনাদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতার প্রতিফলন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা একসঙ্গে একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়তে চাই। এ দেশ কারও একার নয়, সবার। যারা পথভ্রষ্ট, তাদের সৎপথে ফেরানোই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।”

অনুষ্ঠানে তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা জানি, আপনাদের স্বীকৃতির অপেক্ষা দীর্ঘ হয়েছে। তবে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে আপনাদের সম্মাননা নিশ্চিত করতে। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করছি, দেরির জন্য দুঃখিত।”