ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রে খালাস মাহমুদুর রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 287

ছবি সংগৃহীত

 

দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছেন।

আজ (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ, মো. ইব্রাহিম মিয়া আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার জন্য ২৪ জানুয়ারি আদালত ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরের হাতে মা-বাবার মর্মান্তিক মৃত্যু

এ মামলায়, অভিযোগ উঠেছিল যে মাহমুদুর রহমান ও তার সহযোগীরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। তবে আদালত প্রমাণের অভাবে তাকে সকল অভিযোগ থেকে মুক্তি দেন।

মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী তানভীর আহমেদ আল আমিন রায় ঘোষণার পর জানান, “এ রায়ে আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট। এটি আইনগতভাবে ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা করেছে।”

এ ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হলেও, মাহমুদুর রহমানের সমর্থকরা এটিকে আইনের জয় হিসেবে দেখতে চান। একই সঙ্গে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পক্ষে কোনো দৃঢ় প্রমাণ না পাওয়ায় আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রে খালাস মাহমুদুর রহমান

আপডেট সময় ০১:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছেন।

আজ (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ, মো. ইব্রাহিম মিয়া আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার জন্য ২৪ জানুয়ারি আদালত ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

আরও পড়ুন  অপহরণের প্রকোপ: চার মাসে ৩০২ অপহরণ, উদ্বেগ-আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

এ মামলায়, অভিযোগ উঠেছিল যে মাহমুদুর রহমান ও তার সহযোগীরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। তবে আদালত প্রমাণের অভাবে তাকে সকল অভিযোগ থেকে মুক্তি দেন।

মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী তানভীর আহমেদ আল আমিন রায় ঘোষণার পর জানান, “এ রায়ে আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট। এটি আইনগতভাবে ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা করেছে।”

এ ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হলেও, মাহমুদুর রহমানের সমর্থকরা এটিকে আইনের জয় হিসেবে দেখতে চান। একই সঙ্গে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পক্ষে কোনো দৃঢ় প্রমাণ না পাওয়ায় আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।