ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মদিনার ঐতিহাসিক ‘মসজিদে বনু আনিফ’: পাথরে গাঁথা প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন দৌলতদিয়ায় বাসডুবি গঠনায় নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ পঞ্চগড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত অন্তত ২০ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গীতা পাঠে ‘নিষেধ’: রাজশাহী-১ আসনের এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ গাইবান্ধায় থানায় ঢুকে ওসির ওপর হামলার অভিযোগ,যুব জামায়াত নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা কৃষিতে নতুন দিগন্ত: উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রণোদনা ও প্রযুক্তিতে জোর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ এপ্রিল: যে ভাবে নিবে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি ফেসবুকে রিলস ও পোস্ট শেয়ার করে মাসে ৩ হাজার ডলার আয়ের সুযোগ গরমে ত্বকের যত্নে ৮ সহজ অভ্যাস, না মানলে হতে পারে ত্বকের নানা সমস্যা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মদিনার ঐতিহাসিক ‘মসজিদে বনু আনিফ’: পাথরে গাঁথা প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / 3

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনা-র কুবা এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘মসজিদে বনু আনিফ’ আজও বহন করছে ইসলামের প্রাচীন ইতিহাসের নিদর্শন; কুবা মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং ঐতিহাসিক হিজরত সড়কের পাশে অবস্থিত এই মসজিদটি দীর্ঘদিন অবহেলায় থাকলেও বর্তমানে নতুন রূপে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে।

এই মসজিদের নামকরণ করা হয়েছে তৎকালীন ‘বনু আনিফ’ গোত্রের নাম অনুসারে; এই গোত্রটি আরবের বিখ্যাত ‘বালি’ গোত্রের একটি উপশাখা ছিল এবং ইসলামের প্রারম্ভিক সময়ে তারা কুবা এলাকায় বসবাস করত; মসজিদটি ছিল তাদের ইবাদতের প্রধান কেন্দ্র।

মসজিদটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর নির্মাণশৈলী; এটি সম্পূর্ণভাবে মদিনার স্থানীয় কালো ব্যাসাল্ট পাথর দিয়ে নির্মিত; আধুনিক স্থাপত্যের ভিড়ে এই পাথুরে দেয়ালগুলো আজও দর্শনার্থীদের নিয়ে যায় প্রায় চৌদ্দশ বছর আগের সরল জীবনের স্মৃতিতে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন দিগন্ত, প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর হবে ঐতিহাসিক: প্রেসসচিব

ঐতিহাসিক বর্ণনায় জানা যায়; মুহাম্মদ (সা.) কুবা এলাকায় অবস্থানকালে এই স্থানে নামাজ আদায় করেছিলেন; হিজরতের সময় বনু আনিফ গোত্রের মানুষ তাঁকে সম্মানের সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছিল; সেই স্মৃতি আজও মুসলিম উম্মাহর কাছে গভীর আবেগ ও শ্রদ্ধার প্রতীক।

এক সময় অযত্নে পড়ে থাকলেও সৌদি সরকারের ‘ঐতিহাসিক মসজিদ পুনর্নির্মাণ প্রকল্প’-এর আওতায় মসজিদটিকে পুনর্গঠন করা হয়েছে; মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে চারপাশে আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজে এখানে আসতে পারেন।

বিশেষ করে রাতে কৃত্রিম আলোর ছোঁয়ায় কালো পাথরের দেয়ালে তৈরি হয় অনন্য সৌন্দর্য; শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে এই মসজিদে এক ধরনের আধ্যাত্মিক প্রশান্তি অনুভব করা যায়; হজ বা ওমরাহ পালনে আগত মুসল্লিদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জিয়ারতের স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মদিনার ঐতিহাসিক ‘মসজিদে বনু আনিফ’: পাথরে গাঁথা প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন

আপডেট সময় ০৭:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনা-র কুবা এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘মসজিদে বনু আনিফ’ আজও বহন করছে ইসলামের প্রাচীন ইতিহাসের নিদর্শন; কুবা মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং ঐতিহাসিক হিজরত সড়কের পাশে অবস্থিত এই মসজিদটি দীর্ঘদিন অবহেলায় থাকলেও বর্তমানে নতুন রূপে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে।

এই মসজিদের নামকরণ করা হয়েছে তৎকালীন ‘বনু আনিফ’ গোত্রের নাম অনুসারে; এই গোত্রটি আরবের বিখ্যাত ‘বালি’ গোত্রের একটি উপশাখা ছিল এবং ইসলামের প্রারম্ভিক সময়ে তারা কুবা এলাকায় বসবাস করত; মসজিদটি ছিল তাদের ইবাদতের প্রধান কেন্দ্র।

মসজিদটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর নির্মাণশৈলী; এটি সম্পূর্ণভাবে মদিনার স্থানীয় কালো ব্যাসাল্ট পাথর দিয়ে নির্মিত; আধুনিক স্থাপত্যের ভিড়ে এই পাথুরে দেয়ালগুলো আজও দর্শনার্থীদের নিয়ে যায় প্রায় চৌদ্দশ বছর আগের সরল জীবনের স্মৃতিতে।

আরও পড়ুন  মাদরাসা আমাদের ঐতিহ্যের ধারক, এটিকে টিকিয়ে রাখতে হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

ঐতিহাসিক বর্ণনায় জানা যায়; মুহাম্মদ (সা.) কুবা এলাকায় অবস্থানকালে এই স্থানে নামাজ আদায় করেছিলেন; হিজরতের সময় বনু আনিফ গোত্রের মানুষ তাঁকে সম্মানের সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছিল; সেই স্মৃতি আজও মুসলিম উম্মাহর কাছে গভীর আবেগ ও শ্রদ্ধার প্রতীক।

এক সময় অযত্নে পড়ে থাকলেও সৌদি সরকারের ‘ঐতিহাসিক মসজিদ পুনর্নির্মাণ প্রকল্প’-এর আওতায় মসজিদটিকে পুনর্গঠন করা হয়েছে; মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে চারপাশে আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজে এখানে আসতে পারেন।

বিশেষ করে রাতে কৃত্রিম আলোর ছোঁয়ায় কালো পাথরের দেয়ালে তৈরি হয় অনন্য সৌন্দর্য; শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে এই মসজিদে এক ধরনের আধ্যাত্মিক প্রশান্তি অনুভব করা যায়; হজ বা ওমরাহ পালনে আগত মুসল্লিদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জিয়ারতের স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।