ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলেন আহমেদ আযম খান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ড. মোহাম্মদ ইউনূস বিএনপির স্থায়ী কমিটির পদ ছাড়লেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ যুদ্ধ ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে আরো শক্তিশালী করে ফেলবে— ইরানি গণতন্ত্রকামীদের মত যুদ্ধ বন্ধে ৩ শর্ত ইরানের; অন্যথায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বাণিজ্য তদন্ত: বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের শুল্ক অস্থিরতার শঙ্কা চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেন আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপতির অভিশংসনসহ তিন দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে এনসিপির অবস্থান কর্মসূচি চব্বিশের পর ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের যাত্রা শুরু ১৩ মার্চ থেকে ঈদ ফিরতি ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

যুদ্ধ বন্ধে ৩ শর্ত ইরানের; অন্যথায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলার হুঁশিয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / 21

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান বিধ্বংসী সংঘাত বন্ধে তিনটি কঠোর শর্ত ঘোষণা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কেবল এই শর্তগুলো পূরণ হলেই ইরান যুদ্ধ বিরতিতে সম্মত হবে; অন্যথায় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থ-স্থাপনার ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ইয়েনি শাফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া এই শর্তগুলো এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্টের দেওয়া শর্তগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো—তেহরানের ‘বৈধ অধিকারের’ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান। দ্বিতীয়ত, চলমান যুদ্ধে ইরানের যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে।
তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো—ভবিষ্যতে ইরান বা তার স্বার্থের ওপর আর কোনো আগ্রাসন চালানো হবে না, এই মর্মে একটি আন্তর্জাতিকভাবে বাধ্যতামূলক এবং শক্তিশালী গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জানান, রাশিয়া ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে টেলিফোন আলাপেও তিনি এই অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আরও পড়ুন  ইসলামবিরোধী কার্যকলাপে কঠোর অবস্থানের হুঁশিয়ারি খেলাফত আমিরের

বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার এই সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, এই ভয়াবহ যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছেন। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান ইসরায়েল ছাড়াও জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য এক অনিশ্চিত মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধ বন্ধে ৩ শর্ত ইরানের; অন্যথায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলার হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৩:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান বিধ্বংসী সংঘাত বন্ধে তিনটি কঠোর শর্ত ঘোষণা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কেবল এই শর্তগুলো পূরণ হলেই ইরান যুদ্ধ বিরতিতে সম্মত হবে; অন্যথায় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থ-স্থাপনার ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ইয়েনি শাফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া এই শর্তগুলো এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্টের দেওয়া শর্তগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো—তেহরানের ‘বৈধ অধিকারের’ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান। দ্বিতীয়ত, চলমান যুদ্ধে ইরানের যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে।
তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো—ভবিষ্যতে ইরান বা তার স্বার্থের ওপর আর কোনো আগ্রাসন চালানো হবে না, এই মর্মে একটি আন্তর্জাতিকভাবে বাধ্যতামূলক এবং শক্তিশালী গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জানান, রাশিয়া ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে টেলিফোন আলাপেও তিনি এই অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আরও পড়ুন  কাশ্মীর হামলার ‘কঠোর জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন নরেন্দ্র মোদি

বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার এই সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, এই ভয়াবহ যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছেন। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান ইসরায়েল ছাড়াও জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য এক অনিশ্চিত মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।