ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

দুই বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা; সুবিধা নিতে চায় জামায়াত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1087

ছবি সংগৃহীত

 

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটারদের বড় অংশ এখনো সিদ্ধান্তহীন। মাঠে একাধিক প্রার্থী থাকায় বিশেষ করে বিএনপির ভোট তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এই আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টিসহ মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যার দুজন বিএনপির বিদ্রোহী। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে দাঁড়ানোয় তাঁদের বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নির্বাচন ঘিরে বিএনপি নেতাদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির একাধিক প্রার্থী থাকায় দলটির ভোটব্যাংক ভাগ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতের প্রার্থী লাভবান হতে পারেন। যদিও সম্প্রতি জামায়াত হঠাৎ প্রার্থী পরিবর্তন করায় নতুন প্রার্থীকে নতুন করে মাঠে নামতে হচ্ছে।

জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমান বলেন, বিএনপির তিনজন প্রার্থী থাকায় ভোট ভাগ হবে এবং এতে তাঁদের সুবিধা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপির দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, দলের নেতা-কর্মী ও ভোটাররা তাঁর সঙ্গেই আছেন এবং বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলের ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারবেন না।

পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন। স্থানীয় ভোটাররা প্রকাশ্যে মত জানাতে অনাগ্রহী হলেও ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণে বিদ্রোহী প্রার্থীরা কিছু ভোট পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি। প্রবীণ ভোটারদের মতে, প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভোট বিভক্ত হলে জামায়াত এগিয়ে যেতে পারে—শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা নির্ধারণ হবে ভোটের দিনই।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দুই বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা; সুবিধা নিতে চায় জামায়াত

আপডেট সময় ১০:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটারদের বড় অংশ এখনো সিদ্ধান্তহীন। মাঠে একাধিক প্রার্থী থাকায় বিশেষ করে বিএনপির ভোট তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এই আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টিসহ মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যার দুজন বিএনপির বিদ্রোহী। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে দাঁড়ানোয় তাঁদের বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বেদনায় একেবারে নীল হয়ে গেছি : মির্জা ফখরুল

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির একাধিক প্রার্থী থাকায় দলটির ভোটব্যাংক ভাগ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতের প্রার্থী লাভবান হতে পারেন। যদিও সম্প্রতি জামায়াত হঠাৎ প্রার্থী পরিবর্তন করায় নতুন প্রার্থীকে নতুন করে মাঠে নামতে হচ্ছে।

জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমান বলেন, বিএনপির তিনজন প্রার্থী থাকায় ভোট ভাগ হবে এবং এতে তাঁদের সুবিধা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপির দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, দলের নেতা-কর্মী ও ভোটাররা তাঁর সঙ্গেই আছেন এবং বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলের ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারবেন না।

পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন। স্থানীয় ভোটাররা প্রকাশ্যে মত জানাতে অনাগ্রহী হলেও ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণে বিদ্রোহী প্রার্থীরা কিছু ভোট পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি। প্রবীণ ভোটারদের মতে, প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভোট বিভক্ত হলে জামায়াত এগিয়ে যেতে পারে—শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা নির্ধারণ হবে ভোটের দিনই।