ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

দুই বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা; সুবিধা নিতে চায় জামায়াত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1766

ছবি সংগৃহীত

 

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটারদের বড় অংশ এখনো সিদ্ধান্তহীন। মাঠে একাধিক প্রার্থী থাকায় বিশেষ করে বিএনপির ভোট তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এই আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টিসহ মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যার দুজন বিএনপির বিদ্রোহী। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে দাঁড়ানোয় তাঁদের বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  আজ উত্তরবঙ্গের কোন ৩ জেলায় যাচ্ছেন তারেক রহমান

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির একাধিক প্রার্থী থাকায় দলটির ভোটব্যাংক ভাগ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতের প্রার্থী লাভবান হতে পারেন। যদিও সম্প্রতি জামায়াত হঠাৎ প্রার্থী পরিবর্তন করায় নতুন প্রার্থীকে নতুন করে মাঠে নামতে হচ্ছে।

জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমান বলেন, বিএনপির তিনজন প্রার্থী থাকায় ভোট ভাগ হবে এবং এতে তাঁদের সুবিধা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপির দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, দলের নেতা-কর্মী ও ভোটাররা তাঁর সঙ্গেই আছেন এবং বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলের ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারবেন না।

পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন। স্থানীয় ভোটাররা প্রকাশ্যে মত জানাতে অনাগ্রহী হলেও ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণে বিদ্রোহী প্রার্থীরা কিছু ভোট পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি। প্রবীণ ভোটারদের মতে, প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভোট বিভক্ত হলে জামায়াত এগিয়ে যেতে পারে—শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা নির্ধারণ হবে ভোটের দিনই।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দুই বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা; সুবিধা নিতে চায় জামায়াত

আপডেট সময় ১০:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটারদের বড় অংশ এখনো সিদ্ধান্তহীন। মাঠে একাধিক প্রার্থী থাকায় বিশেষ করে বিএনপির ভোট তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এই আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টিসহ মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যার দুজন বিএনপির বিদ্রোহী। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে দাঁড়ানোয় তাঁদের বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নারী ক্ষমতায়নে বিএনপি বরাবরই সহায়ক: সালাহউদ্দিন আহমদ

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির একাধিক প্রার্থী থাকায় দলটির ভোটব্যাংক ভাগ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতের প্রার্থী লাভবান হতে পারেন। যদিও সম্প্রতি জামায়াত হঠাৎ প্রার্থী পরিবর্তন করায় নতুন প্রার্থীকে নতুন করে মাঠে নামতে হচ্ছে।

জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমান বলেন, বিএনপির তিনজন প্রার্থী থাকায় ভোট ভাগ হবে এবং এতে তাঁদের সুবিধা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপির দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, দলের নেতা-কর্মী ও ভোটাররা তাঁর সঙ্গেই আছেন এবং বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলের ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারবেন না।

পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন। স্থানীয় ভোটাররা প্রকাশ্যে মত জানাতে অনাগ্রহী হলেও ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণে বিদ্রোহী প্রার্থীরা কিছু ভোট পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি। প্রবীণ ভোটারদের মতে, প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভোট বিভক্ত হলে জামায়াত এগিয়ে যেতে পারে—শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা নির্ধারণ হবে ভোটের দিনই।