০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির উপর শুল্ক কমালো কানাডা খালে পড়ে ট্রাক, পাকিস্তানে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু সিলেটে তিন বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 35

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব যৌথভাবে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস থেকে অধিকাংশ অপ্রয়োজনীয় সামরিক বিমান সরিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে সেখানে মূলত ট্যাংকার বিমান রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে কাতারের আল-উদেইদ এয়ারবেসেও বিমান উপস্থিতিতে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা গেছে। সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সেখানে ট্যাংকার বিমানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে—আগে যেখানে প্রায় ১৩টি ছিল, এখন তা কমে প্রায় ৫টিতে নেমে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

তবে C-17 পরিবহন বিমানের সংখ্যা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘাঁটিটিতে বর্তমানে কোনো বোমারু বিমান বা RC-135 গোয়েন্দা বিমান দেখা যায়নি।

এই পরিবর্তনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি পুনর্বিন্যাস বা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

আপডেট সময় ১২:১৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব যৌথভাবে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস থেকে অধিকাংশ অপ্রয়োজনীয় সামরিক বিমান সরিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে সেখানে মূলত ট্যাংকার বিমান রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে কাতারের আল-উদেইদ এয়ারবেসেও বিমান উপস্থিতিতে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা গেছে। সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সেখানে ট্যাংকার বিমানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে—আগে যেখানে প্রায় ১৩টি ছিল, এখন তা কমে প্রায় ৫টিতে নেমে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

তবে C-17 পরিবহন বিমানের সংখ্যা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘাঁটিটিতে বর্তমানে কোনো বোমারু বিমান বা RC-135 গোয়েন্দা বিমান দেখা যায়নি।

এই পরিবর্তনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি পুনর্বিন্যাস বা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।