ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আগামী নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1333

ছবি সংগৃহীত

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  সরকারি কর্মকর্তাদের ৫ বছরের বেশি চাকরি করা উচিত না : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তরুণরা রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হচ্ছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাদের অনেকেই আগামী নির্বাচনে জয়ী হবে। তিনি বলেন, জুলাই চার্টার ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে এবং আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের দিকনির্দেশনা দেবে।

চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি করা নয়। বরং সৃজনশীল, স্বাধীন চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ গড়ে তোলাই শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, শিক্ষা যদি শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তার প্রকৃত লক্ষ্য ব্যাহত হয়। শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস শিক্ষার মাধ্যমে বিকশিত হওয়া জরুরি।

দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, এই অঞ্চল অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে অনেক সুযোগ কাজে লাগানো যায় না। শিক্ষা হতে পারে সেই শক্তি, যা এ অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে তুলবে।

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিসহ মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আগামী নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তরুণরা রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হচ্ছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাদের অনেকেই আগামী নির্বাচনে জয়ী হবে। তিনি বলেন, জুলাই চার্টার ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে এবং আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের দিকনির্দেশনা দেবে।

চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি করা নয়। বরং সৃজনশীল, স্বাধীন চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ গড়ে তোলাই শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, শিক্ষা যদি শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তার প্রকৃত লক্ষ্য ব্যাহত হয়। শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস শিক্ষার মাধ্যমে বিকশিত হওয়া জরুরি।

দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, এই অঞ্চল অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে অনেক সুযোগ কাজে লাগানো যায় না। শিক্ষা হতে পারে সেই শক্তি, যা এ অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে তুলবে।

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিসহ মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।