১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ফিজি: প্রশান্ত মহাসাগরের হারানো রত্ন ‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত

নথি ফাঁস: ২০১৯ সালে মার্কিন বাহিনী উত্তর কোরিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 132

ছবি: সংগৃহীত

 

২০১৯ সালে মার্কিন নেভি সিল একটি গোপন অভিযানে অংশ নেয়, যার উদ্দেশ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার ভেতরে একটি লিসেনিং ডিভাইস স্থাপন করা।

সেই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহাসিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ অভিযানের অনুমোদনও ট্রাম্প দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

তবে অভিযান ব্যর্থ হয় যখন নেভি সিল সদস্যরা রাতের বেলা মাছ ধরা বা ঝিনুক সংগ্রহে ব্যস্ত কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকের মুখোমুখি হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা গুলি চালায় এবং একটি মাছ ধরার নৌকায় থাকা সকলের মৃত্যু ঘটে।

পরে পেন্টাগনের একটি গোপন পর্যালোচনায় জানানো হয় যে এই হত্যাকাণ্ড প্রচলিত যুদ্ধনীতির আওতায় “যৌক্তিক” ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

নথি ফাঁস: ২০১৯ সালে মার্কিন বাহিনী উত্তর কোরিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে

আপডেট সময় ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

২০১৯ সালে মার্কিন নেভি সিল একটি গোপন অভিযানে অংশ নেয়, যার উদ্দেশ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার ভেতরে একটি লিসেনিং ডিভাইস স্থাপন করা।

সেই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহাসিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ অভিযানের অনুমোদনও ট্রাম্প দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

তবে অভিযান ব্যর্থ হয় যখন নেভি সিল সদস্যরা রাতের বেলা মাছ ধরা বা ঝিনুক সংগ্রহে ব্যস্ত কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকের মুখোমুখি হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা গুলি চালায় এবং একটি মাছ ধরার নৌকায় থাকা সকলের মৃত্যু ঘটে।

পরে পেন্টাগনের একটি গোপন পর্যালোচনায় জানানো হয় যে এই হত্যাকাণ্ড প্রচলিত যুদ্ধনীতির আওতায় “যৌক্তিক” ছিল।