ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 1291

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে টানা দুই দিনের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার ভোরে হাটহাজারী উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের জোবরা গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। হাটহাজারী মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন  ফেসবুক পোস্ট ঘিরে হাতিয়ায় বিএনপি-এনসিপির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৯

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মো. ইমরান হোসেন প্রকাশ (৩৫), হাসান ওরফে হাসাঈন (২২), রাসেল ওরফে কালো রাসেল (৩০), মো. আলমগীর (৩৫), মো. নজরুল ইসলাম (৩০), মো. জাহেদ (৩০), মো. আরমান (২৪) এবং মো. দিদারুল আলম (৪৬)।

এর আগে মঙ্গলবার হাটহাজারী মডেল থানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলায় ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও প্রায় এক হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। থানার ওসি আবু কাওসার মাহমুদ হোসেন জানান, মামলা হওয়ার পরপরই অভিযান শুরু হয় এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৮

আপডেট সময় ১২:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে টানা দুই দিনের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার ভোরে হাটহাজারী উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের জোবরা গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। হাটহাজারী মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন  বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৫ জনের ৪ জনই একই পরিবারের

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মো. ইমরান হোসেন প্রকাশ (৩৫), হাসান ওরফে হাসাঈন (২২), রাসেল ওরফে কালো রাসেল (৩০), মো. আলমগীর (৩৫), মো. নজরুল ইসলাম (৩০), মো. জাহেদ (৩০), মো. আরমান (২৪) এবং মো. দিদারুল আলম (৪৬)।

এর আগে মঙ্গলবার হাটহাজারী মডেল থানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলায় ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও প্রায় এক হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। থানার ওসি আবু কাওসার মাহমুদ হোসেন জানান, মামলা হওয়ার পরপরই অভিযান শুরু হয় এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।