১২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর

ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে সার্জিও গোরকে মনোনীত করলেন ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 90

ছবি: সংগৃহীত

 

হোয়াইট হাউসের প্রেসিডেন্সিয়াল পারসোনেল অফিসের পরিচালক সার্জিও গোরকে ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত পদে মনোনয়ন দিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৩৮ বছর বয়সী গোর একইসাথে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূতের দায়িত্বও পালন করবেন। শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।

ট্রাম্প লিখেছেন, “সার্জিও বহু বছর ধরে আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তিনি আমার ঐতিহাসিক নির্বাচনী প্রচারাভিযানে কাজ করেছেন, আমার বই প্রকাশ করেছেন এবং আমাদের আন্দোলনকে সমর্থনকারী অন্যতম বড় রাজনৈতিক তহবিলও পরিচালনা করেছেন। বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল অঞ্চলে আমার একজন বিশ্বস্ত দূত প্রয়োজন ছিল, এবং সার্জিও হলেন সেই মানুষ।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, “সার্জিও একজন চমৎকার বন্ধু, যিনি বহু বছর ধরে আমার পাশে আছেন।”
গোরের মনোনয়ন সিনেটের অনুমোদন পাওয়া পর্যন্ত তিনি হোয়াইট হাউজের দায়িত্বে থাকবেন। গোরের এই মনোনয়ন ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কার্যকর রয়েছে, এবং ২৮ আগস্ট থেকে রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক বসতে চলেছে। এই টানাপোড়েনে নয়াদিল্লিতে গোরের অভিষেককে অনেকেই ট্রাম্পের কূটনৈতিক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

ওয়াশিংটনের একটি শীর্ষ সূত্র জানায়, “সার্জিয়োর নিয়োগ মানে নয়াদিল্লি এখন সরাসরি প্রেসিডেন্টের বার্তা শুনবে।”
মনোনয়ন পাওয়ার পর গোর এক্স-এ লেখেন, “প্রেসিডেন্টের আস্থা ও বিশ্বাস আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান। ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গৌরব।”
গোর এরিক গারসেট্টির স্থলাভিষিক্ত হবেন, যিনি ২০২৩ সালের মে থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে ছিলেন। গোরের অভিষেকের মাধ্যমে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত বার্তা আরও স্পষ্ট হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে সার্জিও গোরকে মনোনীত করলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৬:৪১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

 

হোয়াইট হাউসের প্রেসিডেন্সিয়াল পারসোনেল অফিসের পরিচালক সার্জিও গোরকে ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত পদে মনোনয়ন দিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৩৮ বছর বয়সী গোর একইসাথে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূতের দায়িত্বও পালন করবেন। শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।

ট্রাম্প লিখেছেন, “সার্জিও বহু বছর ধরে আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তিনি আমার ঐতিহাসিক নির্বাচনী প্রচারাভিযানে কাজ করেছেন, আমার বই প্রকাশ করেছেন এবং আমাদের আন্দোলনকে সমর্থনকারী অন্যতম বড় রাজনৈতিক তহবিলও পরিচালনা করেছেন। বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল অঞ্চলে আমার একজন বিশ্বস্ত দূত প্রয়োজন ছিল, এবং সার্জিও হলেন সেই মানুষ।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, “সার্জিও একজন চমৎকার বন্ধু, যিনি বহু বছর ধরে আমার পাশে আছেন।”
গোরের মনোনয়ন সিনেটের অনুমোদন পাওয়া পর্যন্ত তিনি হোয়াইট হাউজের দায়িত্বে থাকবেন। গোরের এই মনোনয়ন ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কার্যকর রয়েছে, এবং ২৮ আগস্ট থেকে রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক বসতে চলেছে। এই টানাপোড়েনে নয়াদিল্লিতে গোরের অভিষেককে অনেকেই ট্রাম্পের কূটনৈতিক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

ওয়াশিংটনের একটি শীর্ষ সূত্র জানায়, “সার্জিয়োর নিয়োগ মানে নয়াদিল্লি এখন সরাসরি প্রেসিডেন্টের বার্তা শুনবে।”
মনোনয়ন পাওয়ার পর গোর এক্স-এ লেখেন, “প্রেসিডেন্টের আস্থা ও বিশ্বাস আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান। ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গৌরব।”
গোর এরিক গারসেট্টির স্থলাভিষিক্ত হবেন, যিনি ২০২৩ সালের মে থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে ছিলেন। গোরের অভিষেকের মাধ্যমে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত বার্তা আরও স্পষ্ট হলো।