ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে শত বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতিকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার কিংবদন্তি গাজী মাজহারুলের প্রয়াণ দিবস আজ নেপালে বন্যার ৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে জীবিত উদ্ধার ২ নাইজেরিয়ায় তেল চুরির ভয়াবহ পরিণতি, নিহত ৪৩ বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা, জানাল আবহাওয়া অফিস

শর্তসাপেক্ষে সাবেক আইজিপি মামুনের ক্ষমা বিবেচনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • / 661

ছবি সংগৃহীত

 

 

জুলাই-আগস্টের হত্যাযজ্ঞে নিজের এবং অপরাধে জড়িত প্রধান ও সহযোগী অভিযুক্তদের ভূমিকা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশের শর্তে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

আরও পড়ুন  খেলাধুলার আনন্দে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপন

শনিবার (১২ জুলাই) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ একটি দুই পৃষ্ঠার লিখিত আদেশ প্রকাশ করে। আদেশে উল্লেখ করা হয়, মামুনের আইনজীবী তার পক্ষে রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন করেছেন এবং সেই প্রেক্ষিতে তাকে ক্ষমার অনুরোধ জানান। তবে ট্রাইব্যুনাল মনে করে, কেবলমাত্র তখনই মামুনের ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, যদি তিনি নিজের অপরাধ এবং অপর অভিযুক্তদের ভূমিকা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আলোচিত হত্যাযজ্ঞে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে ট্রাইব্যুনালে রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি মামুন। আদালতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি জানান, তিনি ওই সময়ের সকল ঘটনা প্রকাশ করতে আগ্রহী এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ খুলে দিতে চান।

এই জবানবন্দির পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দেয়।

সাবেক আইজিপি মামুন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং রাজসাক্ষী হওয়ার কারণে তাকে একটি আলাদা সেলে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আদালতের লিখিত আদেশে আরও বলা হয়, মামুন যদি সত্যতা ও পূর্ণতা বজায় রেখে তদন্তে সহায়তা করেন এবং অপরাধে সংশ্লিষ্ট প্রধান ও সহযোগী ব্যক্তিদের নাম, কর্মকাণ্ড ও পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন, তাহলে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় তার প্রতি নমনীয়তা দেখানো হতে পারে।

এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অনেকেই এই ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় রাজনৈতিক বিচারের সূচনা বলে মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

শর্তসাপেক্ষে সাবেক আইজিপি মামুনের ক্ষমা বিবেচনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

আপডেট সময় ০২:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

 

 

জুলাই-আগস্টের হত্যাযজ্ঞে নিজের এবং অপরাধে জড়িত প্রধান ও সহযোগী অভিযুক্তদের ভূমিকা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশের শর্তে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

আরও পড়ুন  উড়োজাহাজের কার্গো টয়লেট থেকে ৩৮ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার

শনিবার (১২ জুলাই) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ একটি দুই পৃষ্ঠার লিখিত আদেশ প্রকাশ করে। আদেশে উল্লেখ করা হয়, মামুনের আইনজীবী তার পক্ষে রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন করেছেন এবং সেই প্রেক্ষিতে তাকে ক্ষমার অনুরোধ জানান। তবে ট্রাইব্যুনাল মনে করে, কেবলমাত্র তখনই মামুনের ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, যদি তিনি নিজের অপরাধ এবং অপর অভিযুক্তদের ভূমিকা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আলোচিত হত্যাযজ্ঞে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে ট্রাইব্যুনালে রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি মামুন। আদালতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি জানান, তিনি ওই সময়ের সকল ঘটনা প্রকাশ করতে আগ্রহী এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ খুলে দিতে চান।

এই জবানবন্দির পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দেয়।

সাবেক আইজিপি মামুন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং রাজসাক্ষী হওয়ার কারণে তাকে একটি আলাদা সেলে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আদালতের লিখিত আদেশে আরও বলা হয়, মামুন যদি সত্যতা ও পূর্ণতা বজায় রেখে তদন্তে সহায়তা করেন এবং অপরাধে সংশ্লিষ্ট প্রধান ও সহযোগী ব্যক্তিদের নাম, কর্মকাণ্ড ও পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন, তাহলে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় তার প্রতি নমনীয়তা দেখানো হতে পারে।

এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অনেকেই এই ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় রাজনৈতিক বিচারের সূচনা বলে মনে করছেন।