ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

নির্বাচনের আগে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে: উপ-প্রেস সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • / 592

ছবি: সংগৃহীত

 

নির্বাচনের আগে দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। তিনি বলেন, “পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে। নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ছাড় দেয়া হবে না।”

শনিবার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং-এর আয়োজনে সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  সারা দেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪৫৪ জন গ্রেপ্তার

তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে সরকার পরিবর্তিত পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। যেসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে, সেগুলোতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ঢাকায় সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।”

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন—কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকরা আগের মতো সমস্যায় পড়বেন না। সরকার এ বিষয়ে সচেতন।”

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে উপ-প্রেস সচিব জানান, “বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় দায়ের হওয়া সব মামলা বাতিল করা হয়েছে। নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে হ্যাকিং ছাড়া বাকি সব ধারাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে।”

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা, এবং রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আক্তার।

সরকারের অবস্থান তুলে ধরে উপদেষ্টার প্রেস উইং কর্মকর্তারা জানান, “সরকারের কোনো নিজস্ব দল নেই। কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি রাগ বা ক্ষোভ নেই। অনিয়ম ঘটলে তা প্রশাসনকে জানাতে হবে। এবার প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।”

এই মতবিনিময় সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা নানা দিক তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনের আগে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে: উপ-প্রেস সচিব

আপডেট সময় ০১:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

 

নির্বাচনের আগে দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। তিনি বলেন, “পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে। নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ছাড় দেয়া হবে না।”

শনিবার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং-এর আয়োজনে সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  প্রেস সচিব: আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, ক্ষমা ও বিচার ছাড়া অনুমতি নয় 

তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে সরকার পরিবর্তিত পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। যেসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে, সেগুলোতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ঢাকায় সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।”

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন—কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকরা আগের মতো সমস্যায় পড়বেন না। সরকার এ বিষয়ে সচেতন।”

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে উপ-প্রেস সচিব জানান, “বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় দায়ের হওয়া সব মামলা বাতিল করা হয়েছে। নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে হ্যাকিং ছাড়া বাকি সব ধারাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে।”

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা, এবং রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আক্তার।

সরকারের অবস্থান তুলে ধরে উপদেষ্টার প্রেস উইং কর্মকর্তারা জানান, “সরকারের কোনো নিজস্ব দল নেই। কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি রাগ বা ক্ষোভ নেই। অনিয়ম ঘটলে তা প্রশাসনকে জানাতে হবে। এবার প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।”

এই মতবিনিময় সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা নানা দিক তুলে ধরেন।