ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ফেনীতে বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন, খুলেছে ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / 653

ছবি সংগৃহীত

 

টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে আসা ঢলের পানিতে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় মোট ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার সরবরাহে সাড়ে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  ফেনী সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ

জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, ফুলগাজী উপজেলায় ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এবং পরশুরাম উপজেলায় ৩২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সেই সঙ্গে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখায় একটি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য দুটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে—০১৮১৮-৪৪৪৫০০ এবং ০১৩৩৬-৫৮৬৬৯৩।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় ৪০০ করে মোট ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রান্না করা খাবার সরবরাহেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এদিকে টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহে মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ১০টি স্থানে ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। ফলে ফুলগাজী ও পরশুরামের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকের বসতঘর ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক দলসমূহ মাঠে কাজ করছে। সতর্কতার অংশ হিসেবে আশপাশের এলাকাগুলোর মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেনীতে বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন, খুলেছে ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র

আপডেট সময় ১০:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

 

টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে আসা ঢলের পানিতে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় মোট ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার সরবরাহে সাড়ে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  ফেনীর দাগনভূঞায় ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক 

জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, ফুলগাজী উপজেলায় ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এবং পরশুরাম উপজেলায় ৩২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সেই সঙ্গে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখায় একটি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য দুটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে—০১৮১৮-৪৪৪৫০০ এবং ০১৩৩৬-৫৮৬৬৯৩।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় ৪০০ করে মোট ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রান্না করা খাবার সরবরাহেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এদিকে টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহে মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ১০টি স্থানে ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। ফলে ফুলগাজী ও পরশুরামের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকের বসতঘর ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক দলসমূহ মাঠে কাজ করছে। সতর্কতার অংশ হিসেবে আশপাশের এলাকাগুলোর মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।