ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

পঞ্চগড়ে বিএসএফের পুশইন, নারী-পুরুষ-শিশুসহ আটক ১৫ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 685

ছবি সংগৃহীত

 

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার চাকলাহাট ও অমরখানা সীমান্ত দিয়ে ১৫ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শুক্রবার (৪ জুলাই) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। বিজিবির টহল দল তাদের আটক করে স্থানীয় ক্যাম্পে হেফাজতে নেয়।

জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ৫ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। পরে শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে তাদের পঞ্চগড় সদর থানায় জিডিমূলে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ ও বিজিবি।

আরও পড়ুন  মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে ৪৪ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করলো বিএসএফ

বিজিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতের আঁধারে বিএসএফের ৯৩ ব্যাটালিয়নের কৈলাশ ক্যাম্পের সদস্যরা পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের খুনিয়া পাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৬৪ এর ১৯ নম্বর সাব পিলার দিয়ে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করে। এরপর বিজিবির শিংরোড বিওপি সদস্যরা খুনিয়া পাড়া সীমান্তের ১৫০ গজ ভেতর থেকে তাদের আটক করে।

একই রাতে বিএসএফের ৪৬ ব্যাটালিয়নের বালাচান ক্যাম্পের সদস্যরা অমরখানা সীমান্তের মেইন পিলার ৭৪৩ এর ৩ নম্বর সাব পিলার দিয়ে আরও দুই নারী, এক পুরুষ ও দুই শিশুকে পুশইন করে। পরে বিজিবির অমরখানা বিওপি টহল দল আড়াই কিলোমিটার ভেতরে বোর্ড বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা বাংলাদেশের খুলনা, বাগেরহাট, নড়াইল এবং যশোর জেলার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে রয়েছেন খুলনার দেগলিয়া গ্রামের ইব্রাহিম শেখ (৬০), তার ছেলে রাজু ইব্রাহিম শেখ (২৭), বারসাত গ্রামের আখি এনদাদুল শেখ (৪০) ও তার ছেলে হামজা শেখ (৯), নড়াইলের রুনু শেখ (৪০), তার ছেলে ইয়াছিন মোল্লা (২০) ও আমিন মোল্লা (১১), আয়শা রফিকুল শেখ (১৮), সাহেরা রফিকুল শেখ (৯), ফিরোজ মোল্লা (৪৫), যশোরের আসাদুজ্জামান (৩৭), তার স্ত্রী কুলসুম (২৯), ছেলে আদনান (১২), মেয়ে আয়শা (১০) এবং বাগেরহাটের নিপু আক্তার (৩০)।

নীলফামারি ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াদ মুর্শেদ গণমাধ্যমকে জানান, আটককৃতদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পঞ্চগড় সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহিল জামান বলেন, ‘বিজিবির মাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের থানায় আনা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

পঞ্চগড়ে বিএসএফের পুশইন, নারী-পুরুষ-শিশুসহ আটক ১৫ জন

আপডেট সময় ০৪:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার চাকলাহাট ও অমরখানা সীমান্ত দিয়ে ১৫ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শুক্রবার (৪ জুলাই) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। বিজিবির টহল দল তাদের আটক করে স্থানীয় ক্যাম্পে হেফাজতে নেয়।

জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ৫ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। পরে শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে তাদের পঞ্চগড় সদর থানায় জিডিমূলে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ ও বিজিবি।

আরও পড়ুন  পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, মরদেহ ফেরতের দাবি

বিজিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতের আঁধারে বিএসএফের ৯৩ ব্যাটালিয়নের কৈলাশ ক্যাম্পের সদস্যরা পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের খুনিয়া পাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৬৪ এর ১৯ নম্বর সাব পিলার দিয়ে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করে। এরপর বিজিবির শিংরোড বিওপি সদস্যরা খুনিয়া পাড়া সীমান্তের ১৫০ গজ ভেতর থেকে তাদের আটক করে।

একই রাতে বিএসএফের ৪৬ ব্যাটালিয়নের বালাচান ক্যাম্পের সদস্যরা অমরখানা সীমান্তের মেইন পিলার ৭৪৩ এর ৩ নম্বর সাব পিলার দিয়ে আরও দুই নারী, এক পুরুষ ও দুই শিশুকে পুশইন করে। পরে বিজিবির অমরখানা বিওপি টহল দল আড়াই কিলোমিটার ভেতরে বোর্ড বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা বাংলাদেশের খুলনা, বাগেরহাট, নড়াইল এবং যশোর জেলার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে রয়েছেন খুলনার দেগলিয়া গ্রামের ইব্রাহিম শেখ (৬০), তার ছেলে রাজু ইব্রাহিম শেখ (২৭), বারসাত গ্রামের আখি এনদাদুল শেখ (৪০) ও তার ছেলে হামজা শেখ (৯), নড়াইলের রুনু শেখ (৪০), তার ছেলে ইয়াছিন মোল্লা (২০) ও আমিন মোল্লা (১১), আয়শা রফিকুল শেখ (১৮), সাহেরা রফিকুল শেখ (৯), ফিরোজ মোল্লা (৪৫), যশোরের আসাদুজ্জামান (৩৭), তার স্ত্রী কুলসুম (২৯), ছেলে আদনান (১২), মেয়ে আয়শা (১০) এবং বাগেরহাটের নিপু আক্তার (৩০)।

নীলফামারি ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াদ মুর্শেদ গণমাধ্যমকে জানান, আটককৃতদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পঞ্চগড় সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহিল জামান বলেন, ‘বিজিবির মাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের থানায় আনা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’