ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইতিবাচক সাড়া হামাসের, চায় স্থায়ী সমাধানে গ্যারান্টি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 512

ছবি সংগৃহীত

 

 

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মিত্র ইসলামিক জিহাদ জানিয়েছে, গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবকে তারা সমর্থন করছে, তবে এই প্রক্রিয়া স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রূপ নেবে—এমন নিশ্চয়তা তাদের প্রয়োজন। আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলি তাণ্ডবে প্রাণ গেল ৩২ জনের, লেবাননে পাল্টা হামলায় নিহত ৭

শনিবার ইসলামিক জিহাদ এক বিবৃতিতে জানায়, তারা হামাসকে মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য কিছু বিস্তারিত পদ্ধতি উপস্থাপন করেছে। সেইসঙ্গে অতিরিক্ত নিশ্চয়তা চেয়েছে, যাতে ইসরায়েল বন্দিদের মুক্তির পর নতুন করে হামলা শুরু না করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা একটি স্থায়ী ও বাস্তবসম্মত সমাধান চাই, যেখানে বন্দিদের মুক্তির পর ইসরায়েল আরেকটি হামলার ছক না কষে।”

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দেওয়া প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে হামাস। শুক্রবার (৪ জুলাই) হামাস জানিয়েছে, তারা এই প্রস্তাবে ‘ইতিবাচক জবাব’ দিয়েছে এবং আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে। চূড়ান্ত আলোচনায় বন্দিমুক্তি ও সংঘাতের স্থায়ী সমাধান বিষয়েও আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, কাতার ও মিশরের কাছে তারা ইতিমধ্যেই তাদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, এটি চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গাজা উপত্যকার মানবিক বিপর্যয় কিছুটা লাঘব হতে পারে। তবে এ ধরনের চুক্তির বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা অনেকাংশেই নির্ভর করবে উভয় পক্ষের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর। ইসলামিক জিহাদ ও হামাসের পক্ষ থেকে বন্দিমুক্তি প্রক্রিয়া এবং যুদ্ধবিরতি শর্ত বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি চাওয়ার বিষয়টিও তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে চূড়ান্ত সমাধান কতটা টেকসই হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ অতীতে বহুবার যুদ্ধবিরতি হলেও পরে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে এবার মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা এবং উভয় পক্ষের বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণই গাজায় শান্তি স্থাপনের প্রধান চাবিকাঠি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইতিবাচক সাড়া হামাসের, চায় স্থায়ী সমাধানে গ্যারান্টি

আপডেট সময় ১০:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

 

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মিত্র ইসলামিক জিহাদ জানিয়েছে, গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবকে তারা সমর্থন করছে, তবে এই প্রক্রিয়া স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রূপ নেবে—এমন নিশ্চয়তা তাদের প্রয়োজন। আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন-ইসরাইলি জিম্মি মুক্ত, তবুও যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয় ইসরাইল

শনিবার ইসলামিক জিহাদ এক বিবৃতিতে জানায়, তারা হামাসকে মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য কিছু বিস্তারিত পদ্ধতি উপস্থাপন করেছে। সেইসঙ্গে অতিরিক্ত নিশ্চয়তা চেয়েছে, যাতে ইসরায়েল বন্দিদের মুক্তির পর নতুন করে হামলা শুরু না করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা একটি স্থায়ী ও বাস্তবসম্মত সমাধান চাই, যেখানে বন্দিদের মুক্তির পর ইসরায়েল আরেকটি হামলার ছক না কষে।”

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দেওয়া প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে হামাস। শুক্রবার (৪ জুলাই) হামাস জানিয়েছে, তারা এই প্রস্তাবে ‘ইতিবাচক জবাব’ দিয়েছে এবং আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে। চূড়ান্ত আলোচনায় বন্দিমুক্তি ও সংঘাতের স্থায়ী সমাধান বিষয়েও আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, কাতার ও মিশরের কাছে তারা ইতিমধ্যেই তাদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, এটি চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গাজা উপত্যকার মানবিক বিপর্যয় কিছুটা লাঘব হতে পারে। তবে এ ধরনের চুক্তির বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা অনেকাংশেই নির্ভর করবে উভয় পক্ষের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর। ইসলামিক জিহাদ ও হামাসের পক্ষ থেকে বন্দিমুক্তি প্রক্রিয়া এবং যুদ্ধবিরতি শর্ত বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি চাওয়ার বিষয়টিও তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে চূড়ান্ত সমাধান কতটা টেকসই হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ অতীতে বহুবার যুদ্ধবিরতি হলেও পরে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে এবার মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা এবং উভয় পক্ষের বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণই গাজায় শান্তি স্থাপনের প্রধান চাবিকাঠি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।