ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইতিবাচক সাড়া হামাসের, চায় স্থায়ী সমাধানে গ্যারান্টি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 640

ছবি সংগৃহীত

 

 

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মিত্র ইসলামিক জিহাদ জানিয়েছে, গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবকে তারা সমর্থন করছে, তবে এই প্রক্রিয়া স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রূপ নেবে—এমন নিশ্চয়তা তাদের প্রয়োজন। আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  গাজায় রক্তপাত চলছেই, তবু নেতানিয়াহুকে চাপ দেন না ট্রাম্প—কেন?”

শনিবার ইসলামিক জিহাদ এক বিবৃতিতে জানায়, তারা হামাসকে মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য কিছু বিস্তারিত পদ্ধতি উপস্থাপন করেছে। সেইসঙ্গে অতিরিক্ত নিশ্চয়তা চেয়েছে, যাতে ইসরায়েল বন্দিদের মুক্তির পর নতুন করে হামলা শুরু না করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা একটি স্থায়ী ও বাস্তবসম্মত সমাধান চাই, যেখানে বন্দিদের মুক্তির পর ইসরায়েল আরেকটি হামলার ছক না কষে।”

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দেওয়া প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে হামাস। শুক্রবার (৪ জুলাই) হামাস জানিয়েছে, তারা এই প্রস্তাবে ‘ইতিবাচক জবাব’ দিয়েছে এবং আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে। চূড়ান্ত আলোচনায় বন্দিমুক্তি ও সংঘাতের স্থায়ী সমাধান বিষয়েও আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, কাতার ও মিশরের কাছে তারা ইতিমধ্যেই তাদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, এটি চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গাজা উপত্যকার মানবিক বিপর্যয় কিছুটা লাঘব হতে পারে। তবে এ ধরনের চুক্তির বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা অনেকাংশেই নির্ভর করবে উভয় পক্ষের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর। ইসলামিক জিহাদ ও হামাসের পক্ষ থেকে বন্দিমুক্তি প্রক্রিয়া এবং যুদ্ধবিরতি শর্ত বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি চাওয়ার বিষয়টিও তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে চূড়ান্ত সমাধান কতটা টেকসই হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ অতীতে বহুবার যুদ্ধবিরতি হলেও পরে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে এবার মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা এবং উভয় পক্ষের বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণই গাজায় শান্তি স্থাপনের প্রধান চাবিকাঠি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইতিবাচক সাড়া হামাসের, চায় স্থায়ী সমাধানে গ্যারান্টি

আপডেট সময় ১০:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

 

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মিত্র ইসলামিক জিহাদ জানিয়েছে, গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবকে তারা সমর্থন করছে, তবে এই প্রক্রিয়া স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রূপ নেবে—এমন নিশ্চয়তা তাদের প্রয়োজন। আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতি নিয়ে পুতিনের দোদুল্যমান সিদ্ধান্ত: রাজি হলেও থাকছে একের পর এক শর্ত

শনিবার ইসলামিক জিহাদ এক বিবৃতিতে জানায়, তারা হামাসকে মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য কিছু বিস্তারিত পদ্ধতি উপস্থাপন করেছে। সেইসঙ্গে অতিরিক্ত নিশ্চয়তা চেয়েছে, যাতে ইসরায়েল বন্দিদের মুক্তির পর নতুন করে হামলা শুরু না করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা একটি স্থায়ী ও বাস্তবসম্মত সমাধান চাই, যেখানে বন্দিদের মুক্তির পর ইসরায়েল আরেকটি হামলার ছক না কষে।”

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দেওয়া প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে হামাস। শুক্রবার (৪ জুলাই) হামাস জানিয়েছে, তারা এই প্রস্তাবে ‘ইতিবাচক জবাব’ দিয়েছে এবং আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে। চূড়ান্ত আলোচনায় বন্দিমুক্তি ও সংঘাতের স্থায়ী সমাধান বিষয়েও আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, কাতার ও মিশরের কাছে তারা ইতিমধ্যেই তাদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, এটি চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গাজা উপত্যকার মানবিক বিপর্যয় কিছুটা লাঘব হতে পারে। তবে এ ধরনের চুক্তির বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা অনেকাংশেই নির্ভর করবে উভয় পক্ষের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর। ইসলামিক জিহাদ ও হামাসের পক্ষ থেকে বন্দিমুক্তি প্রক্রিয়া এবং যুদ্ধবিরতি শর্ত বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি চাওয়ার বিষয়টিও তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে চূড়ান্ত সমাধান কতটা টেকসই হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ অতীতে বহুবার যুদ্ধবিরতি হলেও পরে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে এবার মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা এবং উভয় পক্ষের বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণই গাজায় শান্তি স্থাপনের প্রধান চাবিকাঠি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।