ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

গাজায় মধ্যরাতের ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ১৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 512

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডবে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবের মধ্যেই এই প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

চিকিৎসা সূত্রের বরাতে ফিলিস্তিনি ইনফরমেশন সেন্টার এবং কুদস নিউজ নেটওয়ার্ক জানায়, মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় চালানো ইসরায়েলি হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সাতজন আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য স্থাপিত একটি ত্রাণ শিবিরে হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন  গাজায় আরও এক ফুটবলারের মৃত্যু, ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ গেল মুহান্নাদের

এদিকে গাজায় ত্রাণের জন্য অপেক্ষমাণ ক্ষুধার্ত মানুষদের উপরও নির্বিচারে গুলি চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৭ মে থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৬১৩ জন ত্রাণপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন। শুধু শুক্রবার সকাল থেকে নতুন হামলায় নিহত হয়েছে আরও ৪১ জন ফিলিস্তিনি।

নিহতদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণের আশায় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এই হামলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) কার্যক্রম ঘিরে। সংস্থার সাবেক এক নিরাপত্তা ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন, তিনি নিজ চোখে দেখেছেন কিভাবে মেশিনগানসহ বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে তার সহকর্মীরা ক্ষুধার্ত ও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে, যারা কোনো ধরনের হুমকি তৈরি করেনি।

ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতিকে উপেক্ষা করে যেভাবে বারবার বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা যুদ্ধাপরাধের শামিল। এ নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল থেকেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

গাজার পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। চারপাশে ধ্বংসস্তূপ আর কান্নার শব্দ। খাদ্য, পানি, ওষুধের সংকটে বিপর্যস্ত মানুষরা বারবার আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চললেও মাটিতে তার কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় মধ্যরাতের ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ১৮

আপডেট সময় ১০:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

গাজায় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডবে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবের মধ্যেই এই প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

চিকিৎসা সূত্রের বরাতে ফিলিস্তিনি ইনফরমেশন সেন্টার এবং কুদস নিউজ নেটওয়ার্ক জানায়, মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় চালানো ইসরায়েলি হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সাতজন আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য স্থাপিত একটি ত্রাণ শিবিরে হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন  গাজার ইসরায়েলি হামলায় ৫ শিশুসহ নিহত ৪৯, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৪৬ হাজার

এদিকে গাজায় ত্রাণের জন্য অপেক্ষমাণ ক্ষুধার্ত মানুষদের উপরও নির্বিচারে গুলি চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৭ মে থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৬১৩ জন ত্রাণপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন। শুধু শুক্রবার সকাল থেকে নতুন হামলায় নিহত হয়েছে আরও ৪১ জন ফিলিস্তিনি।

নিহতদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণের আশায় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এই হামলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) কার্যক্রম ঘিরে। সংস্থার সাবেক এক নিরাপত্তা ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন, তিনি নিজ চোখে দেখেছেন কিভাবে মেশিনগানসহ বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে তার সহকর্মীরা ক্ষুধার্ত ও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে, যারা কোনো ধরনের হুমকি তৈরি করেনি।

ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতিকে উপেক্ষা করে যেভাবে বারবার বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা যুদ্ধাপরাধের শামিল। এ নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল থেকেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

গাজার পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। চারপাশে ধ্বংসস্তূপ আর কান্নার শব্দ। খাদ্য, পানি, ওষুধের সংকটে বিপর্যস্ত মানুষরা বারবার আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চললেও মাটিতে তার কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।