ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

গুজব ও ভুয়া তথ্য মোকাবেলায় প্রয়োজন জাতিসংঘের কার্যকর কৌশল: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 507

ছবি সংগৃহীত

 

 

গুজব ও ভুয়া তথ্য রোধে কার্যকর কৌশল প্রণয়নের জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, অনেক সময় মূলধারার গণমাধ্যমও ভুয়া তথ্যের উৎস হয়ে দাঁড়ায়, যা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুন  চুরি যাওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা চান

বুধবার (২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও প্রধান সুসান ভাইজ এবং ইউনেসকোর ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন অ্যান্ড সেফটি অব জার্নালিস্টস বিভাগের সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মেহদি বেনচেলাহ সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

‘মুক্ত, স্বাধীন ও বহুমাত্রিক গণমাধ্যম ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়ন’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনের প্রকাশনা উপলক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনটি যৌথভাবে তৈরি করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং ইউনেসকো।

প্রতিবেদন প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “এই প্রতিবেদনের জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।” তিনি আরও বলেন, “গুজব ও ভুয়া তথ্য এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কিছু গুজব দেশের বাইরে থেকে আসে, আবার কিছু আমাদের সমাজেই ছড়ায়। এগুলো যেন নিয়মিত বোমাবর্ষণের মতো।”

তিনি মনে করেন, কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই নয়, অনেক সময় মূলধারার সংবাদমাধ্যমও ভুয়া তথ্যের বাহক হয়ে যায়। এ কারণে জাতিসংঘের উচিত সরকার ও গণমাধ্যমের সঙ্গে একযোগে কাজ করা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “গণমাধ্যমের জন্য স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। কোনো গণমাধ্যম যদি নিয়মিতভাবে গুজব ছড়ায়, তাহলে তাদের মনে করিয়ে দিতে হবে যে, তারা আর বিশ্বাসযোগ্য নয়। জাতিসংঘের বক্তব্য এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনাদের সহায়তা দরকার।”

উত্তরে ইউনেসকোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ জানান, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হতে যাওয়া প্রতিবেদনে আত্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মানের সুপারিশ আছে এবং বিচারক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”

ইউনেসকোর সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মেহদি বেনচেলাহ বলেন, সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ, বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিবেদনটিতে সুপারিশ থাকবে। তিনি যোগ করেন, “এ বিষয়গুলোতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।”

দুই কর্মকর্তা জানান, ইউএনডিপির ‘স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস, পলিসিস অ্যান্ড সার্ভিসেস (এসআইপিএস)’ প্রকল্পের আওতায় এবং ইউনেসকোর গণমাধ্যম উন্নয়ন ম্যান্ডেট অনুসারে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গুজব ও ভুয়া তথ্য মোকাবেলায় প্রয়োজন জাতিসংঘের কার্যকর কৌশল: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৬:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

 

গুজব ও ভুয়া তথ্য রোধে কার্যকর কৌশল প্রণয়নের জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, অনেক সময় মূলধারার গণমাধ্যমও ভুয়া তথ্যের উৎস হয়ে দাঁড়ায়, যা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুন  গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক সংস্কার: প্রধান উপদেষ্টার অঙ্গীকার

বুধবার (২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও প্রধান সুসান ভাইজ এবং ইউনেসকোর ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন অ্যান্ড সেফটি অব জার্নালিস্টস বিভাগের সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মেহদি বেনচেলাহ সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

‘মুক্ত, স্বাধীন ও বহুমাত্রিক গণমাধ্যম ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়ন’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনের প্রকাশনা উপলক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনটি যৌথভাবে তৈরি করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং ইউনেসকো।

প্রতিবেদন প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “এই প্রতিবেদনের জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।” তিনি আরও বলেন, “গুজব ও ভুয়া তথ্য এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কিছু গুজব দেশের বাইরে থেকে আসে, আবার কিছু আমাদের সমাজেই ছড়ায়। এগুলো যেন নিয়মিত বোমাবর্ষণের মতো।”

তিনি মনে করেন, কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই নয়, অনেক সময় মূলধারার সংবাদমাধ্যমও ভুয়া তথ্যের বাহক হয়ে যায়। এ কারণে জাতিসংঘের উচিত সরকার ও গণমাধ্যমের সঙ্গে একযোগে কাজ করা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “গণমাধ্যমের জন্য স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। কোনো গণমাধ্যম যদি নিয়মিতভাবে গুজব ছড়ায়, তাহলে তাদের মনে করিয়ে দিতে হবে যে, তারা আর বিশ্বাসযোগ্য নয়। জাতিসংঘের বক্তব্য এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনাদের সহায়তা দরকার।”

উত্তরে ইউনেসকোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ জানান, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হতে যাওয়া প্রতিবেদনে আত্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মানের সুপারিশ আছে এবং বিচারক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”

ইউনেসকোর সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মেহদি বেনচেলাহ বলেন, সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ, বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিবেদনটিতে সুপারিশ থাকবে। তিনি যোগ করেন, “এ বিষয়গুলোতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।”

দুই কর্মকর্তা জানান, ইউএনডিপির ‘স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস, পলিসিস অ্যান্ড সার্ভিসেস (এসআইপিএস)’ প্রকল্পের আওতায় এবং ইউনেসকোর গণমাধ্যম উন্নয়ন ম্যান্ডেট অনুসারে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।