ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

জুনে সড়কে ঝরলো ৬৯৬ প্রাণ, প্রতিদিন গড়ে মৃত্যু ২৩ জনের: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 336

ছবি সংগৃহীত

 

গত জুন মাসে দেশের সড়কপথে ৬৮৯টি দুর্ঘটনায় ৬৯৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮৬৭ জন। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২৩ জনের জীবন শেষ হয়েছে সড়কে।

বুধবার (২ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম ও নিজস্ব তথ্যভাণ্ডারের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন  ফরিদপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ: ২ জন নিহত, আহত ২০ 

প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসের তুলনায় জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ২২ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ে দুর্ঘটনাজনিত আর্থিক ক্ষতি হয়েছে আনুমানিক ২ হাজার ৪৬৩ কোটি ২০ লাখ টাকা।

নিহতদের মধ্যে ১০৪ জন নারী এবং ১০৯ জন শিশু। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়, নিহত ২২৮ জন যা মোট মৃত্যুর ৩২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এছাড়া ১২০ জন পথচারী ও ১০৬ জন চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪৪ দশমিক ৪১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে, ২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ ছিল মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং ১৮ শতাংশ ঘটেছে পথচারীকে চাপা দেওয়ার ঘটনায়।

সময়ভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, সকালবেলায় (২৬ দশমিক ২৬ শতাংশ) এবং বিকেলের দিকে (২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ) দুর্ঘটনার হার বেশি।

সড়ক অনুযায়ী দুর্ঘটনার ৪২ দশমিক ৯৬ শতাংশ ঘটেছে জাতীয় মহাসড়কে এবং ৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে। বিভাগের হিসেবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে ২০২টি দুর্ঘটনায় ১৮৭ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বেপরোয়া গতির পাশাপাশি চালকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও মানসিক স্থিতিশীলতার ঘাটতি এবং পথচারীদের অসচেতনতা এই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার মূল কারণ।

সংগঠনটি মনে করে, কেবল আইন প্রয়োগে সমাধান আসবে না, প্রয়োজন ট্রাফিক ব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার। সেইসঙ্গে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুনে সড়কে ঝরলো ৬৯৬ প্রাণ, প্রতিদিন গড়ে মৃত্যু ২৩ জনের: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

আপডেট সময় ০৩:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

গত জুন মাসে দেশের সড়কপথে ৬৮৯টি দুর্ঘটনায় ৬৯৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮৬৭ জন। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২৩ জনের জীবন শেষ হয়েছে সড়কে।

বুধবার (২ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম ও নিজস্ব তথ্যভাণ্ডারের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ ২ নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসের তুলনায় জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ২২ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ে দুর্ঘটনাজনিত আর্থিক ক্ষতি হয়েছে আনুমানিক ২ হাজার ৪৬৩ কোটি ২০ লাখ টাকা।

নিহতদের মধ্যে ১০৪ জন নারী এবং ১০৯ জন শিশু। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়, নিহত ২২৮ জন যা মোট মৃত্যুর ৩২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এছাড়া ১২০ জন পথচারী ও ১০৬ জন চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪৪ দশমিক ৪১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে, ২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ ছিল মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং ১৮ শতাংশ ঘটেছে পথচারীকে চাপা দেওয়ার ঘটনায়।

সময়ভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, সকালবেলায় (২৬ দশমিক ২৬ শতাংশ) এবং বিকেলের দিকে (২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ) দুর্ঘটনার হার বেশি।

সড়ক অনুযায়ী দুর্ঘটনার ৪২ দশমিক ৯৬ শতাংশ ঘটেছে জাতীয় মহাসড়কে এবং ৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে। বিভাগের হিসেবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে ২০২টি দুর্ঘটনায় ১৮৭ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বেপরোয়া গতির পাশাপাশি চালকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও মানসিক স্থিতিশীলতার ঘাটতি এবং পথচারীদের অসচেতনতা এই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার মূল কারণ।

সংগঠনটি মনে করে, কেবল আইন প্রয়োগে সমাধান আসবে না, প্রয়োজন ট্রাফিক ব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার। সেইসঙ্গে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।