০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. জাকির হোসেন বরখাস্ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 359

ছবি সংগৃহীত

 

 

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মো. জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন এই কর্মকর্তা ২১ জুন ও ২৮ জুন অফিসে উপস্থিত হননি। অথচ ১৮ জুন ২০২৫ তারিখে এনবিআরের এক নির্দেশনার মাধ্যমে ২৮ জুনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে সব কর্মকর্তাকে ওইদিন কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল।

কিন্তু মো. জাকির হোসেন সেই নির্দেশনা অমান্য করেছেন, যা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এ প্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা) বিধিমালা, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে এ ব্যাখ্যা জমা দিতে তাকে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. জাকির হোসেন বরখাস্ত

আপডেট সময় ১২:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

 

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মো. জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন এই কর্মকর্তা ২১ জুন ও ২৮ জুন অফিসে উপস্থিত হননি। অথচ ১৮ জুন ২০২৫ তারিখে এনবিআরের এক নির্দেশনার মাধ্যমে ২৮ জুনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে সব কর্মকর্তাকে ওইদিন কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল।

কিন্তু মো. জাকির হোসেন সেই নির্দেশনা অমান্য করেছেন, যা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এ প্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা) বিধিমালা, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে এ ব্যাখ্যা জমা দিতে তাকে বলা হয়েছে।