ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

দুমকিতে ধর্ষন মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বাদী নিজেই ফেসে গেলেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / 497

ছবি সংগৃহীত

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাসাতে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ব্যবহার করে ধর্ষনের নাটক সাজিয়ে দায়েরকৃত মামলার বাদী মোসাঃ কহিনুর বেগম(৪৬)কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মামলার তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে গণছাঁটাই: আদালতের নির্দেশে পুনর্বহাল হচ্ছেন হাজারো কর্মী

রোববার ২২ জুন দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার ইয়াসমিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কোহিনুর বেগম দুমকী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়েকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ফরিদ হাওলাদার এর পুত্র রাসেল হাওলাদার(৩৭) এর সহযোগিতায় মোক্তার হোসেন মৃধা(৪১) জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো প্রকার আলামত না পাওয়ায় আদালত দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এ ঘটনার পর গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগ এনে রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে কোহিনুর বেগমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদীপক্ষের অন্য আসামিরা হলেন কোহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, তাঁদের দুই মেয়ে জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম এবং স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ইউপি নির্বাচনে পক্ষে কাজ না করার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ মিথ্যা মামলা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তো রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুমকিতে ধর্ষন মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বাদী নিজেই ফেসে গেলেন

আপডেট সময় ০৩:২৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাসাতে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ব্যবহার করে ধর্ষনের নাটক সাজিয়ে দায়েরকৃত মামলার বাদী মোসাঃ কহিনুর বেগম(৪৬)কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মামলার তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী বরগুনা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার

রোববার ২২ জুন দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার ইয়াসমিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কোহিনুর বেগম দুমকী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়েকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ফরিদ হাওলাদার এর পুত্র রাসেল হাওলাদার(৩৭) এর সহযোগিতায় মোক্তার হোসেন মৃধা(৪১) জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো প্রকার আলামত না পাওয়ায় আদালত দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এ ঘটনার পর গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগ এনে রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে কোহিনুর বেগমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদীপক্ষের অন্য আসামিরা হলেন কোহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, তাঁদের দুই মেয়ে জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম এবং স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ইউপি নির্বাচনে পক্ষে কাজ না করার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ মিথ্যা মামলা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তো রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।