ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

দুমকিতে ধর্ষন মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বাদী নিজেই ফেসে গেলেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / 360

ছবি সংগৃহীত

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাসাতে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ব্যবহার করে ধর্ষনের নাটক সাজিয়ে দায়েরকৃত মামলার বাদী মোসাঃ কহিনুর বেগম(৪৬)কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মামলার তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ঈদের ছুটির পর আজ খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক ও শেয়ারবাজার

রোববার ২২ জুন দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার ইয়াসমিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কোহিনুর বেগম দুমকী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়েকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ফরিদ হাওলাদার এর পুত্র রাসেল হাওলাদার(৩৭) এর সহযোগিতায় মোক্তার হোসেন মৃধা(৪১) জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো প্রকার আলামত না পাওয়ায় আদালত দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এ ঘটনার পর গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগ এনে রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে কোহিনুর বেগমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদীপক্ষের অন্য আসামিরা হলেন কোহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, তাঁদের দুই মেয়ে জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম এবং স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ইউপি নির্বাচনে পক্ষে কাজ না করার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ মিথ্যা মামলা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তো রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুমকিতে ধর্ষন মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বাদী নিজেই ফেসে গেলেন

আপডেট সময় ০৩:২৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাসাতে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ব্যবহার করে ধর্ষনের নাটক সাজিয়ে দায়েরকৃত মামলার বাদী মোসাঃ কহিনুর বেগম(৪৬)কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মামলার তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  হত্যা মামলাসহ একাধিক অভিযোগে মানিকগঞ্জ আদালতে মমতাজ

রোববার ২২ জুন দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার ইয়াসমিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কোহিনুর বেগম দুমকী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়েকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ফরিদ হাওলাদার এর পুত্র রাসেল হাওলাদার(৩৭) এর সহযোগিতায় মোক্তার হোসেন মৃধা(৪১) জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো প্রকার আলামত না পাওয়ায় আদালত দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এ ঘটনার পর গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগ এনে রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে কোহিনুর বেগমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদীপক্ষের অন্য আসামিরা হলেন কোহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, তাঁদের দুই মেয়ে জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম এবং স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ইউপি নির্বাচনে পক্ষে কাজ না করার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ মিথ্যা মামলা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তো রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।