ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবার মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 659

ছবি সংগৃহীত

 

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবা মো. মোতাহারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) জানান, অর্থদণ্ডের এই টাকা আদায়ের জন্য আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ভিকটিমকে প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার আগে মোতাহারকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম তার মা ও সৎ বাবার সঙ্গে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একই ঘরে বসবাস করতো। পৃথক ঘরের ব্যবস্থা না থাকায় একত্রে বসবাস করতে হতো তাদের। এই অবস্থায় মোতাহার বিভিন্ন সময় মেয়েটিকে কুপ্রস্তাব দিতো।

২০২১ সালের ২০ জুন রাতে মোতাহার ভিকটিমকে প্রথমবার ধর্ষণ করে এবং কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর রাতে আবারও একই অপরাধ করে সে। ঘটনার পরদিন ভিকটিম তার মাকে বিষয়টি জানালে, মা ও সৎ বাবা তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। এরপর সে তার নিজের বাবার কাছে চলে যায়।

ভিকটিম ২৪ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার এসআই আবুল হাসান। ২০২২ সালের ২৭ মে মোতাহারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। এরপর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে।

মামলার শুনানিতে আদালত আটজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। সব দিক বিবেচনা করে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন, যা সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবা মো. মোতাহারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) জানান, অর্থদণ্ডের এই টাকা আদায়ের জন্য আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ভিকটিমকে প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার আগে মোতাহারকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  একই পরিবারের ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল চীন

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম তার মা ও সৎ বাবার সঙ্গে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একই ঘরে বসবাস করতো। পৃথক ঘরের ব্যবস্থা না থাকায় একত্রে বসবাস করতে হতো তাদের। এই অবস্থায় মোতাহার বিভিন্ন সময় মেয়েটিকে কুপ্রস্তাব দিতো।

২০২১ সালের ২০ জুন রাতে মোতাহার ভিকটিমকে প্রথমবার ধর্ষণ করে এবং কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর রাতে আবারও একই অপরাধ করে সে। ঘটনার পরদিন ভিকটিম তার মাকে বিষয়টি জানালে, মা ও সৎ বাবা তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। এরপর সে তার নিজের বাবার কাছে চলে যায়।

ভিকটিম ২৪ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার এসআই আবুল হাসান। ২০২২ সালের ২৭ মে মোতাহারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। এরপর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে।

মামলার শুনানিতে আদালত আটজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। সব দিক বিবেচনা করে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন, যা সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।