ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 512

ছবি সংগৃহীত

 

 

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আশাব্যঞ্জকভাবে বেড়ে চলেছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাস জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ২৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।

আরও পড়ুন  কাশ্মীরে রক্তাক্ত হামলা: মোদিকে ট্রাম্পের ফোন, সন্ত্রাস দমনে ভারতের পাশে যুক্তরাষ্ট্র

এই তথ্য উঠে এসেছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অধীনস্থ অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মোট ২৬২১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

অটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাজারে চীনকে পেছনে ফেলে এখন শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ ভিয়েতনাম। দেশটি এ সময়ে ৫০৮ কোটি ৯১ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ০৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে চীন থেকে রপ্তানি মাত্র ০ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩৫ কোটি ৭৬ লাখ ডলারে।

যদিও রপ্তানির মোট পরিমাণে বাংলাদেশ এখনো ভিয়েতনাম ও চীনের পেছনে, তবে প্রবৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে সবার উপরে। প্রথম চার মাসে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ২৯৮ কোটি ৩১ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা প্রবৃদ্ধির দিক থেকে উল্লেখযোগ্য। এই প্রবৃদ্ধি ভিয়েতনামের দ্বিগুণেরও বেশি।

বাংলাদেশের পরে প্রবৃদ্ধিতে এগিয়ে রয়েছে ভারত, যাদের রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়া ১৫ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ১৬০ কোটি ১১ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ, মোট রপ্তানি ১২৩ কোটি ৯ লাখ ডলার। অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ, মোট আয় ৭৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, শ্রম-নির্ভর তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে উচ্চমানের পণ্য সরবরাহ করতে পারায় এই প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে। মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও মজবুত করার জন্য প্রযুক্তি উন্নয়ন, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি ও বাণিজ্য কূটনীতিকে আরও জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আশাব্যঞ্জকভাবে বেড়ে চলেছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাস জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ২৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।

আরও পড়ুন  ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি: জেডি ভ্যান্সের

এই তথ্য উঠে এসেছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অধীনস্থ অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মোট ২৬২১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

অটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাজারে চীনকে পেছনে ফেলে এখন শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ ভিয়েতনাম। দেশটি এ সময়ে ৫০৮ কোটি ৯১ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ০৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে চীন থেকে রপ্তানি মাত্র ০ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩৫ কোটি ৭৬ লাখ ডলারে।

যদিও রপ্তানির মোট পরিমাণে বাংলাদেশ এখনো ভিয়েতনাম ও চীনের পেছনে, তবে প্রবৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে সবার উপরে। প্রথম চার মাসে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ২৯৮ কোটি ৩১ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা প্রবৃদ্ধির দিক থেকে উল্লেখযোগ্য। এই প্রবৃদ্ধি ভিয়েতনামের দ্বিগুণেরও বেশি।

বাংলাদেশের পরে প্রবৃদ্ধিতে এগিয়ে রয়েছে ভারত, যাদের রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়া ১৫ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ১৬০ কোটি ১১ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ, মোট রপ্তানি ১২৩ কোটি ৯ লাখ ডলার। অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ, মোট আয় ৭৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, শ্রম-নির্ভর তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে উচ্চমানের পণ্য সরবরাহ করতে পারায় এই প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে। মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও মজবুত করার জন্য প্রযুক্তি উন্নয়ন, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি ও বাণিজ্য কূটনীতিকে আরও জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।