ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে চোকার’ তকমা ঘুচানোর দ্বারপ্রান্তে দক্ষিণ আফ্রিকা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 243

ছবি সংগৃহীত

 

 

দীর্ঘদিনের ‘চোকার’ তকমা মুছে ফেলতে আর মাত্র এক ধাপ দূরে দক্ষিণ আফ্রিকা। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের তৃতীয় দিন শেষে জয়ের পথে দারুণভাবে এগিয়ে তারা। লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৮২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলেছে ২১৩ রান। জয় পেতে প্রয়োজন আর মাত্র ৬৯ রান, হাতে রয়েছে ৮টি মূল্যবান উইকেট।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ বন্যা ও তুষারঝড়ে ৪৯ জনের প্রাণহানি

অবিচলিত এক সেঞ্চুরিতে দলের ভিত গড়েছেন এইডেন মার্করাম। ১০২ রানে অপরাজিত থেকে মাঠে আছেন তিনি। তার সঙ্গে ইনিংস গুছিয়ে নিচ্ছেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা, যিনি ৬৫ রানে অপরাজিত আছেন। যদিও ইনিংসের শুরুতে মাত্র ২ রানে স্টিভ স্মিথের হাতে জীবন পেয়েছিলেন বাভুমা, সেটাই যেন হয়ে উঠেছে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত।

এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় মাত্র ২০৭ রানে। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে ৭৪ রান এগিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যর্থতায় চাপে পড়ে যায় প্যাট কামিন্সের দল। শেষ উইকেটে মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড ৫৯ রানের মূল্যবান এক জুটি গড়েন, যেখানে স্টার্ক অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে। এই জুটি আইসিসি টুর্নামেন্ট ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দশম উইকেট জুটি এবং লর্ডসে অতিথি দলের পঞ্চম সর্বোচ্চ।

লক্ষ্য ২৮২ হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এটি অচেনা নয়। অতীতে পাঁচবার তারা ২৫০ রানের বেশি লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছে, যার মধ্যে তিনটিই এসেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পার্থ টেস্টে ৪১৪ রান তাড়া করে জয়ের স্মৃতি এখনো উজ্জ্বল।

ম্যাচের শুরুতে রায়ান রিকেলটন দ্রুত ফিরে গেলেও, মার্করাম প্রথমে ওয়েন মুল্ডারের সঙ্গে ৬১ রানের জুটি এবং পরে বাভুমার সঙ্গে গড়ে তোলেন জয়ের মঞ্চ। বাভুমা ইনজুরি নিয়ে খেললেও দেখিয়েছেন দারুণ সাহস, অন্যদিকে স্টিভ স্মিথের ক্যাচ মিস ও পরে চোটে মাঠ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লর্ডসের ঝকঝকে আবহে দক্ষিণ আফ্রিকা এখন ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে। বহুবার কাছাকাছি গিয়েও হতাশা বরণ করা দলটি কি পারবে এবার কাঙ্ক্ষিত ট্রফিটা ছুঁতে? উত্তরের জন্য অপেক্ষা আর মাত্র এক দিনের।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে চোকার’ তকমা ঘুচানোর দ্বারপ্রান্তে দক্ষিণ আফ্রিকা

আপডেট সময় ১২:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

 

 

দীর্ঘদিনের ‘চোকার’ তকমা মুছে ফেলতে আর মাত্র এক ধাপ দূরে দক্ষিণ আফ্রিকা। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের তৃতীয় দিন শেষে জয়ের পথে দারুণভাবে এগিয়ে তারা। লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৮২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলেছে ২১৩ রান। জয় পেতে প্রয়োজন আর মাত্র ৬৯ রান, হাতে রয়েছে ৮টি মূল্যবান উইকেট।

আরও পড়ুন  কামিন্সের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত দ.আফ্রিকা, অল্প রানেও লিড অজিদের

অবিচলিত এক সেঞ্চুরিতে দলের ভিত গড়েছেন এইডেন মার্করাম। ১০২ রানে অপরাজিত থেকে মাঠে আছেন তিনি। তার সঙ্গে ইনিংস গুছিয়ে নিচ্ছেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা, যিনি ৬৫ রানে অপরাজিত আছেন। যদিও ইনিংসের শুরুতে মাত্র ২ রানে স্টিভ স্মিথের হাতে জীবন পেয়েছিলেন বাভুমা, সেটাই যেন হয়ে উঠেছে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত।

এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় মাত্র ২০৭ রানে। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে ৭৪ রান এগিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যর্থতায় চাপে পড়ে যায় প্যাট কামিন্সের দল। শেষ উইকেটে মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড ৫৯ রানের মূল্যবান এক জুটি গড়েন, যেখানে স্টার্ক অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে। এই জুটি আইসিসি টুর্নামেন্ট ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দশম উইকেট জুটি এবং লর্ডসে অতিথি দলের পঞ্চম সর্বোচ্চ।

লক্ষ্য ২৮২ হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এটি অচেনা নয়। অতীতে পাঁচবার তারা ২৫০ রানের বেশি লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছে, যার মধ্যে তিনটিই এসেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। বিশেষ করে ২০০৮ সালের পার্থ টেস্টে ৪১৪ রান তাড়া করে জয়ের স্মৃতি এখনো উজ্জ্বল।

ম্যাচের শুরুতে রায়ান রিকেলটন দ্রুত ফিরে গেলেও, মার্করাম প্রথমে ওয়েন মুল্ডারের সঙ্গে ৬১ রানের জুটি এবং পরে বাভুমার সঙ্গে গড়ে তোলেন জয়ের মঞ্চ। বাভুমা ইনজুরি নিয়ে খেললেও দেখিয়েছেন দারুণ সাহস, অন্যদিকে স্টিভ স্মিথের ক্যাচ মিস ও পরে চোটে মাঠ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লর্ডসের ঝকঝকে আবহে দক্ষিণ আফ্রিকা এখন ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে। বহুবার কাছাকাছি গিয়েও হতাশা বরণ করা দলটি কি পারবে এবার কাঙ্ক্ষিত ট্রফিটা ছুঁতে? উত্তরের জন্য অপেক্ষা আর মাত্র এক দিনের।