ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

কাতারে সাবেক অর্থমন্ত্রীর ২০ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ১৬.৭ বিলিয়ন ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 437

ছবি সংগৃহীত

 

কাতারের একটি ফৌজদারি আদালত দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী আলি শেরিফ আল ইমাদিকে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, তিনি ৫.৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থপাচারে জড়িত ছিলেন।

আদালতের রায় অনুসারে, ইমাদিকে ৬১ বিলিয়নেরও বেশি কাতারি রিয়াল (যা প্রায় ১৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান) জরিমানা গুনতে হবে। এই অর্থের মধ্যে ৪০.৯ বিলিয়ন রিয়াল অর্থপাচারের পরিমাণের দ্বিগুণ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও ২১ বিলিয়ন রিয়াল অতিরিক্ত জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  কুষ্টিয়ায় ব্যালট পেপার নিয়ে পালানোর সময় যুবক আটক, তিন বছরের কারাদণ্ড

এ মামলায় ইমাদি ছাড়াও আরও ১৪ জন অভিযুক্ত ছিলেন এবং তাদের সবাইকে একসঙ্গে বিচার করা হয়। কাতার সরকার জানিয়েছে, ইমাদি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন। তবে আদালতে তিনি কী ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

রায় অনুযায়ী, ইমাদি ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থের অপচয় এবং অর্থপাচারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হন। তবে দুর্নীতির প্রকৃত ঘটনা বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু আদালতের নথিতে প্রকাশ করা হয়নি।

২০২১ সালের মে মাসে ইমাদি গ্রেপ্তার হন এবং এরপরপরই তাকে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি এবং তার আইনজীবীরাও গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেননি।

এ বিষয়ে কাতারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি জানিয়েছেন, ইমাদির বিরুদ্ধে তদন্ত শুধুমাত্র তার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালের কর্মকাণ্ড ঘিরে সীমাবদ্ধ ছিল। তার ব্যবসায়িক অন্যান্য পদগুলোর সঙ্গে এই তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: খালিজ টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

কাতারে সাবেক অর্থমন্ত্রীর ২০ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ১৬.৭ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় ০১:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

কাতারের একটি ফৌজদারি আদালত দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী আলি শেরিফ আল ইমাদিকে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, তিনি ৫.৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থপাচারে জড়িত ছিলেন।

আদালতের রায় অনুসারে, ইমাদিকে ৬১ বিলিয়নেরও বেশি কাতারি রিয়াল (যা প্রায় ১৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান) জরিমানা গুনতে হবে। এই অর্থের মধ্যে ৪০.৯ বিলিয়ন রিয়াল অর্থপাচারের পরিমাণের দ্বিগুণ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও ২১ বিলিয়ন রিয়াল অতিরিক্ত জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্ট, ৬ দালালকে কারাদণ্ড

এ মামলায় ইমাদি ছাড়াও আরও ১৪ জন অভিযুক্ত ছিলেন এবং তাদের সবাইকে একসঙ্গে বিচার করা হয়। কাতার সরকার জানিয়েছে, ইমাদি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন। তবে আদালতে তিনি কী ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

রায় অনুযায়ী, ইমাদি ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থের অপচয় এবং অর্থপাচারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হন। তবে দুর্নীতির প্রকৃত ঘটনা বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু আদালতের নথিতে প্রকাশ করা হয়নি।

২০২১ সালের মে মাসে ইমাদি গ্রেপ্তার হন এবং এরপরপরই তাকে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি এবং তার আইনজীবীরাও গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেননি।

এ বিষয়ে কাতারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি জানিয়েছেন, ইমাদির বিরুদ্ধে তদন্ত শুধুমাত্র তার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালের কর্মকাণ্ড ঘিরে সীমাবদ্ধ ছিল। তার ব্যবসায়িক অন্যান্য পদগুলোর সঙ্গে এই তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: খালিজ টাইমস