ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

কাতারে সাবেক অর্থমন্ত্রীর ২০ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ১৬.৭ বিলিয়ন ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 321

ছবি সংগৃহীত

 

কাতারের একটি ফৌজদারি আদালত দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী আলি শেরিফ আল ইমাদিকে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, তিনি ৫.৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থপাচারে জড়িত ছিলেন।

আদালতের রায় অনুসারে, ইমাদিকে ৬১ বিলিয়নেরও বেশি কাতারি রিয়াল (যা প্রায় ১৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান) জরিমানা গুনতে হবে। এই অর্থের মধ্যে ৪০.৯ বিলিয়ন রিয়াল অর্থপাচারের পরিমাণের দ্বিগুণ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও ২১ বিলিয়ন রিয়াল অতিরিক্ত জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার এক বছরের কারাদণ্ড

এ মামলায় ইমাদি ছাড়াও আরও ১৪ জন অভিযুক্ত ছিলেন এবং তাদের সবাইকে একসঙ্গে বিচার করা হয়। কাতার সরকার জানিয়েছে, ইমাদি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন। তবে আদালতে তিনি কী ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

রায় অনুযায়ী, ইমাদি ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থের অপচয় এবং অর্থপাচারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হন। তবে দুর্নীতির প্রকৃত ঘটনা বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু আদালতের নথিতে প্রকাশ করা হয়নি।

২০২১ সালের মে মাসে ইমাদি গ্রেপ্তার হন এবং এরপরপরই তাকে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি এবং তার আইনজীবীরাও গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেননি।

এ বিষয়ে কাতারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি জানিয়েছেন, ইমাদির বিরুদ্ধে তদন্ত শুধুমাত্র তার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালের কর্মকাণ্ড ঘিরে সীমাবদ্ধ ছিল। তার ব্যবসায়িক অন্যান্য পদগুলোর সঙ্গে এই তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: খালিজ টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

কাতারে সাবেক অর্থমন্ত্রীর ২০ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ১৬.৭ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় ০১:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

কাতারের একটি ফৌজদারি আদালত দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী আলি শেরিফ আল ইমাদিকে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, তিনি ৫.৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থপাচারে জড়িত ছিলেন।

আদালতের রায় অনুসারে, ইমাদিকে ৬১ বিলিয়নেরও বেশি কাতারি রিয়াল (যা প্রায় ১৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান) জরিমানা গুনতে হবে। এই অর্থের মধ্যে ৪০.৯ বিলিয়ন রিয়াল অর্থপাচারের পরিমাণের দ্বিগুণ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও ২১ বিলিয়ন রিয়াল অতিরিক্ত জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নেইমারের স্বাক্ষরিত বল চুরির ঘটনায় ব্রাজিলে এক ব্যক্তির ১৭ বছরের কারাদণ্ড

এ মামলায় ইমাদি ছাড়াও আরও ১৪ জন অভিযুক্ত ছিলেন এবং তাদের সবাইকে একসঙ্গে বিচার করা হয়। কাতার সরকার জানিয়েছে, ইমাদি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন। তবে আদালতে তিনি কী ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

রায় অনুযায়ী, ইমাদি ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থের অপচয় এবং অর্থপাচারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হন। তবে দুর্নীতির প্রকৃত ঘটনা বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু আদালতের নথিতে প্রকাশ করা হয়নি।

২০২১ সালের মে মাসে ইমাদি গ্রেপ্তার হন এবং এরপরপরই তাকে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি এবং তার আইনজীবীরাও গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেননি।

এ বিষয়ে কাতারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি জানিয়েছেন, ইমাদির বিরুদ্ধে তদন্ত শুধুমাত্র তার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালের কর্মকাণ্ড ঘিরে সীমাবদ্ধ ছিল। তার ব্যবসায়িক অন্যান্য পদগুলোর সঙ্গে এই তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: খালিজ টাইমস