ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

নির্বাচনই সবচেয়ে বড় সংস্কার, পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়: আন্দালিব পার্থ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 435

ছবি সংগৃহীত

 

 

জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, “পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়। রাজনীতিতে দুই আর দুইয়ে ২২ হয়, আর অর্থনীতিতে দুই আর দুইয়ে ৪ হয়।”

আরও পড়ুন  সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ইসিকে ৪৮ লাখ ডলার সহায়তা দেবে জাপান

গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণ অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে আন্দালিব বলেন, “অনেকে বলেন আমরা ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই। কিন্তু আমরা কখনো ডিসেম্বরের কথা বলিনি, আপনি ইউনূস সাহেব বলেছেন ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। আমরা বলেছি, আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি আপনি রক্ষা করুন। ডিসেম্বর আমাদের মুখ থেকে আসেনি।”

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আজ সংসদ নেই। তাই আপনার ক্ষমতার উৎস শুধুমাত্র আইনি নয় এটি রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও ব্যবসায়ী মহল থেকেই আসে। আপনি সংস্কারের কথা বলছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের সংস্কার কোথায়? আজ দুই লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরা এনবিআরের চাপে দিশেহারা এই সংকটগুলোর কোনো সমাধানের প্রস্তাব কোথাও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আজ যারা সংস্কারের কথা বলেন, তারা কি ব্যবসায়ীদের কষ্টের কথা শুনেছেন? দেশের উদ্যোক্তারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথা যেন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছায় না।”

নির্বাচনকে সবচেয়ে বড় সংস্কার আখ্যা দিয়ে আন্দালিব বলেন, “নির্বাচন দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না, সব কিছু শেষও হবে না। কিন্তু নির্বাচনই জনগণকে ক্ষমতায়িত করার একমাত্র উপায়। এটিই সবচেয়ে বড় সংস্কার, আর বাকি সব সংস্কার সময়ের সঙ্গে করা সম্ভব।”

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ সত্যিকারের ভোট দিতে পারেনি। আপনি যদি জনগণের হাতে তাদের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেন, মানুষ আপনাকে চিরদিন স্মরণ রাখবে। আমরাও আপনাকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করব।”

আলোচনাসভায় তিনি বারবার জোর দেন জনগণের অধিকার, বাস্তব সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনই সবচেয়ে বড় সংস্কার, পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়: আন্দালিব পার্থ

আপডেট সময় ১২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, “পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়। রাজনীতিতে দুই আর দুইয়ে ২২ হয়, আর অর্থনীতিতে দুই আর দুইয়ে ৪ হয়।”

আরও পড়ুন  সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ইসিকে ৪৮ লাখ ডলার সহায়তা দেবে জাপান

গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণ অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে আন্দালিব বলেন, “অনেকে বলেন আমরা ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই। কিন্তু আমরা কখনো ডিসেম্বরের কথা বলিনি, আপনি ইউনূস সাহেব বলেছেন ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। আমরা বলেছি, আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি আপনি রক্ষা করুন। ডিসেম্বর আমাদের মুখ থেকে আসেনি।”

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আজ সংসদ নেই। তাই আপনার ক্ষমতার উৎস শুধুমাত্র আইনি নয় এটি রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও ব্যবসায়ী মহল থেকেই আসে। আপনি সংস্কারের কথা বলছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের সংস্কার কোথায়? আজ দুই লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরা এনবিআরের চাপে দিশেহারা এই সংকটগুলোর কোনো সমাধানের প্রস্তাব কোথাও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আজ যারা সংস্কারের কথা বলেন, তারা কি ব্যবসায়ীদের কষ্টের কথা শুনেছেন? দেশের উদ্যোক্তারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথা যেন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছায় না।”

নির্বাচনকে সবচেয়ে বড় সংস্কার আখ্যা দিয়ে আন্দালিব বলেন, “নির্বাচন দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না, সব কিছু শেষও হবে না। কিন্তু নির্বাচনই জনগণকে ক্ষমতায়িত করার একমাত্র উপায়। এটিই সবচেয়ে বড় সংস্কার, আর বাকি সব সংস্কার সময়ের সঙ্গে করা সম্ভব।”

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ সত্যিকারের ভোট দিতে পারেনি। আপনি যদি জনগণের হাতে তাদের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেন, মানুষ আপনাকে চিরদিন স্মরণ রাখবে। আমরাও আপনাকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করব।”

আলোচনাসভায় তিনি বারবার জোর দেন জনগণের অধিকার, বাস্তব সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর।