০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির উপর শুল্ক কমালো কানাডা খালে পড়ে ট্রাক, পাকিস্তানে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু

নির্বাচনই সবচেয়ে বড় সংস্কার, পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়: আন্দালিব পার্থ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 174

ছবি সংগৃহীত

 

 

জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, “পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়। রাজনীতিতে দুই আর দুইয়ে ২২ হয়, আর অর্থনীতিতে দুই আর দুইয়ে ৪ হয়।”

বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণ অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে আন্দালিব বলেন, “অনেকে বলেন আমরা ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই। কিন্তু আমরা কখনো ডিসেম্বরের কথা বলিনি, আপনি ইউনূস সাহেব বলেছেন ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। আমরা বলেছি, আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি আপনি রক্ষা করুন। ডিসেম্বর আমাদের মুখ থেকে আসেনি।”

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আজ সংসদ নেই। তাই আপনার ক্ষমতার উৎস শুধুমাত্র আইনি নয় এটি রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও ব্যবসায়ী মহল থেকেই আসে। আপনি সংস্কারের কথা বলছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের সংস্কার কোথায়? আজ দুই লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরা এনবিআরের চাপে দিশেহারা এই সংকটগুলোর কোনো সমাধানের প্রস্তাব কোথাও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আজ যারা সংস্কারের কথা বলেন, তারা কি ব্যবসায়ীদের কষ্টের কথা শুনেছেন? দেশের উদ্যোক্তারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথা যেন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছায় না।”

নির্বাচনকে সবচেয়ে বড় সংস্কার আখ্যা দিয়ে আন্দালিব বলেন, “নির্বাচন দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না, সব কিছু শেষও হবে না। কিন্তু নির্বাচনই জনগণকে ক্ষমতায়িত করার একমাত্র উপায়। এটিই সবচেয়ে বড় সংস্কার, আর বাকি সব সংস্কার সময়ের সঙ্গে করা সম্ভব।”

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ সত্যিকারের ভোট দিতে পারেনি। আপনি যদি জনগণের হাতে তাদের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেন, মানুষ আপনাকে চিরদিন স্মরণ রাখবে। আমরাও আপনাকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করব।”

আলোচনাসভায় তিনি বারবার জোর দেন জনগণের অধিকার, বাস্তব সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনই সবচেয়ে বড় সংস্কার, পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়: আন্দালিব পার্থ

আপডেট সময় ১২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, “পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়। রাজনীতিতে দুই আর দুইয়ে ২২ হয়, আর অর্থনীতিতে দুই আর দুইয়ে ৪ হয়।”

বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণ অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে আন্দালিব বলেন, “অনেকে বলেন আমরা ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই। কিন্তু আমরা কখনো ডিসেম্বরের কথা বলিনি, আপনি ইউনূস সাহেব বলেছেন ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। আমরা বলেছি, আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি আপনি রক্ষা করুন। ডিসেম্বর আমাদের মুখ থেকে আসেনি।”

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আজ সংসদ নেই। তাই আপনার ক্ষমতার উৎস শুধুমাত্র আইনি নয় এটি রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও ব্যবসায়ী মহল থেকেই আসে। আপনি সংস্কারের কথা বলছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের সংস্কার কোথায়? আজ দুই লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরা এনবিআরের চাপে দিশেহারা এই সংকটগুলোর কোনো সমাধানের প্রস্তাব কোথাও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আজ যারা সংস্কারের কথা বলেন, তারা কি ব্যবসায়ীদের কষ্টের কথা শুনেছেন? দেশের উদ্যোক্তারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথা যেন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছায় না।”

নির্বাচনকে সবচেয়ে বড় সংস্কার আখ্যা দিয়ে আন্দালিব বলেন, “নির্বাচন দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না, সব কিছু শেষও হবে না। কিন্তু নির্বাচনই জনগণকে ক্ষমতায়িত করার একমাত্র উপায়। এটিই সবচেয়ে বড় সংস্কার, আর বাকি সব সংস্কার সময়ের সঙ্গে করা সম্ভব।”

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ সত্যিকারের ভোট দিতে পারেনি। আপনি যদি জনগণের হাতে তাদের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেন, মানুষ আপনাকে চিরদিন স্মরণ রাখবে। আমরাও আপনাকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করব।”

আলোচনাসভায় তিনি বারবার জোর দেন জনগণের অধিকার, বাস্তব সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর।