ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

নির্বাচনই সবচেয়ে বড় সংস্কার, পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়: আন্দালিব পার্থ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 562

ছবি সংগৃহীত

 

 

জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, “পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়। রাজনীতিতে দুই আর দুইয়ে ২২ হয়, আর অর্থনীতিতে দুই আর দুইয়ে ৪ হয়।”

আরও পড়ুন  ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ব্যালট বিতরণ শুরু

গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণ অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে আন্দালিব বলেন, “অনেকে বলেন আমরা ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই। কিন্তু আমরা কখনো ডিসেম্বরের কথা বলিনি, আপনি ইউনূস সাহেব বলেছেন ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। আমরা বলেছি, আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি আপনি রক্ষা করুন। ডিসেম্বর আমাদের মুখ থেকে আসেনি।”

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আজ সংসদ নেই। তাই আপনার ক্ষমতার উৎস শুধুমাত্র আইনি নয় এটি রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও ব্যবসায়ী মহল থেকেই আসে। আপনি সংস্কারের কথা বলছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের সংস্কার কোথায়? আজ দুই লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরা এনবিআরের চাপে দিশেহারা এই সংকটগুলোর কোনো সমাধানের প্রস্তাব কোথাও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আজ যারা সংস্কারের কথা বলেন, তারা কি ব্যবসায়ীদের কষ্টের কথা শুনেছেন? দেশের উদ্যোক্তারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথা যেন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছায় না।”

নির্বাচনকে সবচেয়ে বড় সংস্কার আখ্যা দিয়ে আন্দালিব বলেন, “নির্বাচন দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না, সব কিছু শেষও হবে না। কিন্তু নির্বাচনই জনগণকে ক্ষমতায়িত করার একমাত্র উপায়। এটিই সবচেয়ে বড় সংস্কার, আর বাকি সব সংস্কার সময়ের সঙ্গে করা সম্ভব।”

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ সত্যিকারের ভোট দিতে পারেনি। আপনি যদি জনগণের হাতে তাদের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেন, মানুষ আপনাকে চিরদিন স্মরণ রাখবে। আমরাও আপনাকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করব।”

আলোচনাসভায় তিনি বারবার জোর দেন জনগণের অধিকার, বাস্তব সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনই সবচেয়ে বড় সংস্কার, পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়: আন্দালিব পার্থ

আপডেট সময় ১২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, “পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়। রাজনীতিতে দুই আর দুইয়ে ২২ হয়, আর অর্থনীতিতে দুই আর দুইয়ে ৪ হয়।”

আরও পড়ুন  তারেক রহমানকে প্রকাশ্য আলোচনায় বসার আহ্বান জামায়াত আমিরের

গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণ অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে আন্দালিব বলেন, “অনেকে বলেন আমরা ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই। কিন্তু আমরা কখনো ডিসেম্বরের কথা বলিনি, আপনি ইউনূস সাহেব বলেছেন ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। আমরা বলেছি, আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি আপনি রক্ষা করুন। ডিসেম্বর আমাদের মুখ থেকে আসেনি।”

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আজ সংসদ নেই। তাই আপনার ক্ষমতার উৎস শুধুমাত্র আইনি নয় এটি রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও ব্যবসায়ী মহল থেকেই আসে। আপনি সংস্কারের কথা বলছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের সংস্কার কোথায়? আজ দুই লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরা এনবিআরের চাপে দিশেহারা এই সংকটগুলোর কোনো সমাধানের প্রস্তাব কোথাও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আজ যারা সংস্কারের কথা বলেন, তারা কি ব্যবসায়ীদের কষ্টের কথা শুনেছেন? দেশের উদ্যোক্তারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথা যেন রাষ্ট্রের কানে পৌঁছায় না।”

নির্বাচনকে সবচেয়ে বড় সংস্কার আখ্যা দিয়ে আন্দালিব বলেন, “নির্বাচন দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না, সব কিছু শেষও হবে না। কিন্তু নির্বাচনই জনগণকে ক্ষমতায়িত করার একমাত্র উপায়। এটিই সবচেয়ে বড় সংস্কার, আর বাকি সব সংস্কার সময়ের সঙ্গে করা সম্ভব।”

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ সত্যিকারের ভোট দিতে পারেনি। আপনি যদি জনগণের হাতে তাদের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেন, মানুষ আপনাকে চিরদিন স্মরণ রাখবে। আমরাও আপনাকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করব।”

আলোচনাসভায় তিনি বারবার জোর দেন জনগণের অধিকার, বাস্তব সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর।