০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির উপর শুল্ক কমালো কানাডা খালে পড়ে ট্রাক, পাকিস্তানে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু সিলেটে তিন বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০

পানামা থেকে ৬৫০ জাহাজের নিবন্ধন বাতিল, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 79

ছবি সংগৃহীত

 

পানামা মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬৫০টির বেশি জাহাজের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পতাকা বহনে আরোপ করা হয়েছে কঠোর নীতি। সোমবার (২ জুন) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুধু গত বছরেই নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রমে সহায়তার লক্ষ্যে পানামা তাদের নিবন্ধন তালিকা থেকে ২১৪টি জাহাজ প্রত্যাহার করেছে। বর্তমানে পানামার পতাকাবাহী জাহাজের সংখ্যা ৮ হাজার ৫০০’র বেশি।

বিজ্ঞাপন

নিবন্ধন বাতিল হওয়া জাহাজগুলো আর পানামার পতাকা ব্যবহার করে চলাচল করতে পারবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইন-পরামর্শদাতা সংস্থা ‘ইউনাইটেড অ্যাগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরান (UANI)’ পানামার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে, দেশটি নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সংস্থাটি দাবি করে, পানামার পতাকাবাহী অন্তত পাঁচটি জাহাজের মধ্যে একটি ইরানি তেল পরিবহনে জড়িত।

UANI আরও অভিযোগ করে, এটি শুধুমাত্র পানামার নিবন্ধন ত্রুটি নয় বরং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি। তারা পানামার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন দ্রুত ইরানের অবৈধ তেলবাহী ট্যাংকারগুলো থেকে পতাকা সরিয়ে ফেলা হয় এবং এই বাণিজ্যে সহায়তা বন্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পানামা, লাইবেরিয়া ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি করে। এই চুক্তির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনকারী জাহাজগুলোর তথ্য আদান-প্রদান এবং ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ হয়।

পানামা মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ‘ডার্ক ফ্লিট’ নামে পরিচিত কিছু ট্যাংকার ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে ট্র্যাকিং এড়ানোর চেষ্টা করে। এসব জাহাজকে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসন বৃহৎ জাহাজ নিবন্ধনকারী দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে যাতে তারা নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে। এমনকি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ডার্ক ফ্লিট’ ট্যাংকার ব্যবহারের সমালোচনা করে পানামা খালের ওপর নিয়ন্ত্রণের হুমকি দিয়েছিলেন।

পানামা জানিয়েছে, পরিবেশগত বিধিনিষেধ উপেক্ষা কিংবা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত এসব ট্যাংকারের কার্যক্রম আরও কঠোরভাবে মনিটর করা হবে।

খবরঃ রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

পানামা থেকে ৬৫০ জাহাজের নিবন্ধন বাতিল, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান

আপডেট সময় ০১:৩০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

পানামা মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬৫০টির বেশি জাহাজের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পতাকা বহনে আরোপ করা হয়েছে কঠোর নীতি। সোমবার (২ জুন) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুধু গত বছরেই নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রমে সহায়তার লক্ষ্যে পানামা তাদের নিবন্ধন তালিকা থেকে ২১৪টি জাহাজ প্রত্যাহার করেছে। বর্তমানে পানামার পতাকাবাহী জাহাজের সংখ্যা ৮ হাজার ৫০০’র বেশি।

বিজ্ঞাপন

নিবন্ধন বাতিল হওয়া জাহাজগুলো আর পানামার পতাকা ব্যবহার করে চলাচল করতে পারবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইন-পরামর্শদাতা সংস্থা ‘ইউনাইটেড অ্যাগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরান (UANI)’ পানামার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে, দেশটি নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সংস্থাটি দাবি করে, পানামার পতাকাবাহী অন্তত পাঁচটি জাহাজের মধ্যে একটি ইরানি তেল পরিবহনে জড়িত।

UANI আরও অভিযোগ করে, এটি শুধুমাত্র পানামার নিবন্ধন ত্রুটি নয় বরং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি। তারা পানামার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন দ্রুত ইরানের অবৈধ তেলবাহী ট্যাংকারগুলো থেকে পতাকা সরিয়ে ফেলা হয় এবং এই বাণিজ্যে সহায়তা বন্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পানামা, লাইবেরিয়া ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি করে। এই চুক্তির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনকারী জাহাজগুলোর তথ্য আদান-প্রদান এবং ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ হয়।

পানামা মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ‘ডার্ক ফ্লিট’ নামে পরিচিত কিছু ট্যাংকার ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে ট্র্যাকিং এড়ানোর চেষ্টা করে। এসব জাহাজকে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসন বৃহৎ জাহাজ নিবন্ধনকারী দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে যাতে তারা নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে। এমনকি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ডার্ক ফ্লিট’ ট্যাংকার ব্যবহারের সমালোচনা করে পানামা খালের ওপর নিয়ন্ত্রণের হুমকি দিয়েছিলেন।

পানামা জানিয়েছে, পরিবেশগত বিধিনিষেধ উপেক্ষা কিংবা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত এসব ট্যাংকারের কার্যক্রম আরও কঠোরভাবে মনিটর করা হবে।

খবরঃ রয়টার্স