০১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড বহাল: হাইকোর্ট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • / 80

ছবি সংগৃহীত

 

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় হাইকোর্ট ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। একইসঙ্গে আরও ৬ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রাখা হয়েছে।

সোমবার (২ জুন) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম সরকার, অ্যাডভোকেট মো. আসাদ উদ্দিন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গিয়াসউদ্দিন গাজি, লাবনি আক্তার, তানভীর প্রধান, সুমাইয়া বিনতে আজিজ ও আসাদুল্লাহ আল গালিব।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনার পরপরই দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

এই ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলায় ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব ও রুবেল শর্মা, এবং মামলার সাক্ষী হিসেবে থাকা স্থানীয় তিনজন নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

এ মামলায় আরও সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়।

জেলকোড অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হাইকোর্টে আপিল ও জেল আপিল করেন।

হাইকোর্ট আজকের রায়ে নিম্ন আদালতের দেওয়া রায় বহাল রাখায় বিচারপ্রার্থীদের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। মামলাটি দেশের বিচার ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড বহাল: হাইকোর্ট

আপডেট সময় ১২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

 

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় হাইকোর্ট ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। একইসঙ্গে আরও ৬ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রাখা হয়েছে।

সোমবার (২ জুন) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম সরকার, অ্যাডভোকেট মো. আসাদ উদ্দিন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গিয়াসউদ্দিন গাজি, লাবনি আক্তার, তানভীর প্রধান, সুমাইয়া বিনতে আজিজ ও আসাদুল্লাহ আল গালিব।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনার পরপরই দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

এই ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলায় ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব ও রুবেল শর্মা, এবং মামলার সাক্ষী হিসেবে থাকা স্থানীয় তিনজন নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

এ মামলায় আরও সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়।

জেলকোড অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হাইকোর্টে আপিল ও জেল আপিল করেন।

হাইকোর্ট আজকের রায়ে নিম্ন আদালতের দেওয়া রায় বহাল রাখায় বিচারপ্রার্থীদের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। মামলাটি দেশের বিচার ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল।