ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড বহাল: হাইকোর্ট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • / 461

ছবি সংগৃহীত

 

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় হাইকোর্ট ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। একইসঙ্গে আরও ৬ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রাখা হয়েছে।

সোমবার (২ জুন) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন  ভোলাগঞ্জে সাদা পাথর লুট: দায়ীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট, শুনানি ১৭ আগস্ট

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম সরকার, অ্যাডভোকেট মো. আসাদ উদ্দিন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গিয়াসউদ্দিন গাজি, লাবনি আক্তার, তানভীর প্রধান, সুমাইয়া বিনতে আজিজ ও আসাদুল্লাহ আল গালিব।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনার পরপরই দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

এই ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলায় ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব ও রুবেল শর্মা, এবং মামলার সাক্ষী হিসেবে থাকা স্থানীয় তিনজন নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

এ মামলায় আরও সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়।

জেলকোড অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হাইকোর্টে আপিল ও জেল আপিল করেন।

হাইকোর্ট আজকের রায়ে নিম্ন আদালতের দেওয়া রায় বহাল রাখায় বিচারপ্রার্থীদের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। মামলাটি দেশের বিচার ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড বহাল: হাইকোর্ট

আপডেট সময় ১২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

 

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় হাইকোর্ট ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। একইসঙ্গে আরও ৬ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রাখা হয়েছে।

সোমবার (২ জুন) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন  ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জাতীয় সংস্কারক ঘোষণা কেন নয়, জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল জারি

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম সরকার, অ্যাডভোকেট মো. আসাদ উদ্দিন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গিয়াসউদ্দিন গাজি, লাবনি আক্তার, তানভীর প্রধান, সুমাইয়া বিনতে আজিজ ও আসাদুল্লাহ আল গালিব।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনার পরপরই দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

এই ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলায় ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব ও রুবেল শর্মা, এবং মামলার সাক্ষী হিসেবে থাকা স্থানীয় তিনজন নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

এ মামলায় আরও সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়।

জেলকোড অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হাইকোর্টে আপিল ও জেল আপিল করেন।

হাইকোর্ট আজকের রায়ে নিম্ন আদালতের দেওয়া রায় বহাল রাখায় বিচারপ্রার্থীদের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। মামলাটি দেশের বিচার ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল।