ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

৪ বছরের কারাদণ্ড পাপিয়ার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 593

ছবি সংগৃহীত

 

যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়াকে অর্থ পাচার মামলায় চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৫ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। তবে এ মামলার অন্য চার আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  কাতারে সাবেক অর্থমন্ত্রীর ২০ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ১৬.৭ বিলিয়ন ডলার

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক হন শামিমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান।

মামলার তদন্তে উঠে আসে, রাজনীতি ও প্রভাব খাটিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল একটি অপরাধ চক্র। ঢাকার একাধিক হোটেলে চলত অবৈধ কর্মকাণ্ড যেখানে ছিল অস্ত্র, মাদক, এবং বিপুল অর্থ লেনদেন। তা ছাড়া তার বিরুদ্বে রয়েছে নানা ধরনের আভিযোগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

৪ বছরের কারাদণ্ড পাপিয়ার

আপডেট সময় ০৩:০৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

 

যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়াকে অর্থ পাচার মামলায় চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৫ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। তবে এ মামলার অন্য চার আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্ট, ৬ দালালকে কারাদণ্ড

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক হন শামিমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান।

মামলার তদন্তে উঠে আসে, রাজনীতি ও প্রভাব খাটিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল একটি অপরাধ চক্র। ঢাকার একাধিক হোটেলে চলত অবৈধ কর্মকাণ্ড যেখানে ছিল অস্ত্র, মাদক, এবং বিপুল অর্থ লেনদেন। তা ছাড়া তার বিরুদ্বে রয়েছে নানা ধরনের আভিযোগ।