ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯, মোট প্রাণহানি ছাড়ালো ৫৩ হাজার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 413

ছবি সংগৃহীত

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় একদিনেই আরও ৭৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১১ জন। শনিবার (২৪ মে) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু ও আল জাজিরা।

আরও পড়ুন  খিলক্ষেতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১ জন নিহত, আহত ১০

গত ২৪ ঘণ্টার এই হামলার পর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৯০১ জনে। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৫৯৩ জন মানুষ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি হামলায় বিপুলসংখ্যক নারী, শিশু ও বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে গাজার সরকারি জনসংযোগ দপ্তরের হিসাবে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ও এখনও উদ্ধার না হওয়া হতাহতদের হিসাব যুক্ত করলে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়ায় ৬১ হাজার ৭০০ জনে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর কিছুদিন হামলা বন্ধ থাকলেও ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল ফের সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৩ হাজার ৭৪৭ জন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৬০০ জন।

গাজায় প্রতিনিয়ত চলা বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বোমাবর্ষণের ফলে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতিতে।

জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো একাধিকবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গাজার মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে দিন দিন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি এই সংঘাতে গাজা এখন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তারা

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯, মোট প্রাণহানি ছাড়ালো ৫৩ হাজার

আপডেট সময় ০২:১১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় একদিনেই আরও ৭৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১১ জন। শনিবার (২৪ মে) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু ও আল জাজিরা।

আরও পড়ুন  ভুরুঙ্গামারীতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় অটোচালকসহ নিহত ২, আহত ৩

গত ২৪ ঘণ্টার এই হামলার পর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৯০১ জনে। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৫৯৩ জন মানুষ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি হামলায় বিপুলসংখ্যক নারী, শিশু ও বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে গাজার সরকারি জনসংযোগ দপ্তরের হিসাবে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ও এখনও উদ্ধার না হওয়া হতাহতদের হিসাব যুক্ত করলে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়ায় ৬১ হাজার ৭০০ জনে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর কিছুদিন হামলা বন্ধ থাকলেও ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল ফের সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৩ হাজার ৭৪৭ জন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৬০০ জন।

গাজায় প্রতিনিয়ত চলা বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বোমাবর্ষণের ফলে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতিতে।

জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো একাধিকবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গাজার মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে দিন দিন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি এই সংঘাতে গাজা এখন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তারা