ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনেতাদের সংলাপে আহ্বান নতুন পোপ লিও চতুর্দশের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 255

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্বব্যাপী সহিংসতা বন্ধে শান্তি ও সংহতির বার্তা নিয়ে বিশ্বনেতাদের প্রতিসংলাপ ও একতার আহ্বান জানিয়েছেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। বুধবার (১৪ মে) ভ্যাটিকানে ইস্টার্ন ক্যাথলিক চার্চগুলোর সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “বিশ্বে শান্তি যেন স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তা নিশ্চিত করতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” নতুন পোপ আরও বলেন, “পবিত্র ভূমি, ইউক্রেন, লেবানন, সিরিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, টাইগ্রে কিংবা ককেশাস—সবখানেই সহিংসতা চলছেই। এই কঠিন সময়েও আপনাদের মধ্য থেকেই কেউ কেউ ঈশ্বরের কৃপায় শান্তির বীজ বপন করে যাচ্ছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

আরও পড়ুন  শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় ভারত-পাকিস্তান সরাসরি আলোচনায় বসছে আজ

বিশ্বের প্রায় ১৪০ কোটির বেশি ক্যাথলিক অনুসারীদের নতুন এই ধর্মগুরু মার্কিন নাগরিক লিও চতুর্দশ পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুর পর দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের মাথায় পূর্বনির্ধারিত এই সভায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্বের মানুষ আজ শান্তি চায়। তাই আমি বিশ্বনেতাদের হৃদয়ের গভীর থেকে অনুরোধ জানাই—আসুন, আমরা একত্র হই, কথা বলি, আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথ খুঁজি।”

ভ্যাটিকানে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সভাটি ২০২৫ সালের ‘জুবিলি হলি ইয়ার’ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়, যেখানে ইস্টার্ন ক্যাথলিক চার্চের ২৩টি শাখার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এসব চার্চ পূর্ব ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, ভারত ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে।

পোপ লিও মধ্যপ্রাচ্যের খ্রিস্টানদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তায় বলেন, “তাদের যেন নিজ ভূমি ছাড়তে না হয়, সেজন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। শুধু কথার মাধ্যমে নয়, বাস্তব অর্থে তাদের স্বদেশে নিরাপদে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

পোপের এই বক্তব্য শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বজুড়ে নতুন করে আশার আলো জাগিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশ্বে ধর্মীয় নেতৃত্ব থেকে এমন মানবিক ও সংহতির বার্তা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনেতাদের সংলাপে আহ্বান নতুন পোপ লিও চতুর্দশের

আপডেট সময় ০৭:৪৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

বিশ্বব্যাপী সহিংসতা বন্ধে শান্তি ও সংহতির বার্তা নিয়ে বিশ্বনেতাদের প্রতিসংলাপ ও একতার আহ্বান জানিয়েছেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। বুধবার (১৪ মে) ভ্যাটিকানে ইস্টার্ন ক্যাথলিক চার্চগুলোর সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “বিশ্বে শান্তি যেন স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তা নিশ্চিত করতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” নতুন পোপ আরও বলেন, “পবিত্র ভূমি, ইউক্রেন, লেবানন, সিরিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, টাইগ্রে কিংবা ককেশাস—সবখানেই সহিংসতা চলছেই। এই কঠিন সময়েও আপনাদের মধ্য থেকেই কেউ কেউ ঈশ্বরের কৃপায় শান্তির বীজ বপন করে যাচ্ছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

আরও পড়ুন  লন্ডনে ইউক্রেন সংকট নিরসনে ইউরোপীও নেতাদের সম্মেলন, জোটবদ্ধ হওয়ার আহ্বান স্টারমারের

বিশ্বের প্রায় ১৪০ কোটির বেশি ক্যাথলিক অনুসারীদের নতুন এই ধর্মগুরু মার্কিন নাগরিক লিও চতুর্দশ পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুর পর দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের মাথায় পূর্বনির্ধারিত এই সভায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্বের মানুষ আজ শান্তি চায়। তাই আমি বিশ্বনেতাদের হৃদয়ের গভীর থেকে অনুরোধ জানাই—আসুন, আমরা একত্র হই, কথা বলি, আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথ খুঁজি।”

ভ্যাটিকানে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সভাটি ২০২৫ সালের ‘জুবিলি হলি ইয়ার’ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়, যেখানে ইস্টার্ন ক্যাথলিক চার্চের ২৩টি শাখার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এসব চার্চ পূর্ব ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, ভারত ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে।

পোপ লিও মধ্যপ্রাচ্যের খ্রিস্টানদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তায় বলেন, “তাদের যেন নিজ ভূমি ছাড়তে না হয়, সেজন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। শুধু কথার মাধ্যমে নয়, বাস্তব অর্থে তাদের স্বদেশে নিরাপদে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

পোপের এই বক্তব্য শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বজুড়ে নতুন করে আশার আলো জাগিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশ্বে ধর্মীয় নেতৃত্ব থেকে এমন মানবিক ও সংহতির বার্তা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মন্তব্য করেন।