ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

রমনা বটমূলে বর্ষবরণে বোমা হামলার হাইকোর্টের রায় ঘোষণা আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 566

ছবি সংগৃহীত

 

২০০১ সালের পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সংঘটিত ভয়াবহ বোমা হামলা মামলার হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় আজ বৃহস্পতিবার (৮ মে) ঘোষিত হচ্ছে।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

আরও পড়ুন  ভ্যাট অব্যাহতির নতুন ঘোষণা: তেল ও এলপি গ্যাসসহ যেসব পণ্যের ভ্যাট বাতিল করল এনবিআর

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। সেখানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) শীর্ষ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। আজ সেই আপিলের রায় ঘোষিত হতে যাচ্ছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল, বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ছায়ানট আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে রমনা বটমূলে ভোরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এই নৃশংস হামলায় ১০ জন নিহত হন এবং অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। বাঙালির অন্যতম বৃহৎ সাংস্কৃতিক আয়োজনকে লক্ষ্য করে এ হামলায় গোটা দেশ স্তব্ধ হয়ে পড়ে।

পরে রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত শেষে ২০০৮ সালে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ১৪ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর ২০১৪ সালে বিচারিক আদালত রায় ঘোষণা করে।

হাইকোর্টের আজকের রায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসবিরোধী মামলার একটি নতুন অধ্যায় রচনা করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, দীর্ঘ ২৩ বছর পর হলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, আর এই রায় হবে ভবিষ্যতে এমন হামলার বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা।

এদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা বলছেন, ছায়ানটের মতো সাংস্কৃতিক সংগঠনের ওপর এমন হামলা শুধু নিরীহ মানুষের জীবনই কেড়ে নেয়নি, তা ছিল দেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ওপর এক নির্মম আঘাত।

আজকের রায়ের মাধ্যমে এই নির্মম হামলার দায়ী ব্যক্তিরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে এটাই প্রত্যাশা দেশের সচেতন জনগণের।

নিউজটি শেয়ার করুন

রমনা বটমূলে বর্ষবরণে বোমা হামলার হাইকোর্টের রায় ঘোষণা আজ

আপডেট সময় ১২:২৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

২০০১ সালের পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সংঘটিত ভয়াবহ বোমা হামলা মামলার হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় আজ বৃহস্পতিবার (৮ মে) ঘোষিত হচ্ছে।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে ইরান: ঘোষণা খামেনির

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। সেখানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) শীর্ষ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। আজ সেই আপিলের রায় ঘোষিত হতে যাচ্ছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল, বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ছায়ানট আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে রমনা বটমূলে ভোরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এই নৃশংস হামলায় ১০ জন নিহত হন এবং অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। বাঙালির অন্যতম বৃহৎ সাংস্কৃতিক আয়োজনকে লক্ষ্য করে এ হামলায় গোটা দেশ স্তব্ধ হয়ে পড়ে।

পরে রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত শেষে ২০০৮ সালে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ১৪ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর ২০১৪ সালে বিচারিক আদালত রায় ঘোষণা করে।

হাইকোর্টের আজকের রায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসবিরোধী মামলার একটি নতুন অধ্যায় রচনা করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, দীর্ঘ ২৩ বছর পর হলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, আর এই রায় হবে ভবিষ্যতে এমন হামলার বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা।

এদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা বলছেন, ছায়ানটের মতো সাংস্কৃতিক সংগঠনের ওপর এমন হামলা শুধু নিরীহ মানুষের জীবনই কেড়ে নেয়নি, তা ছিল দেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ওপর এক নির্মম আঘাত।

আজকের রায়ের মাধ্যমে এই নির্মম হামলার দায়ী ব্যক্তিরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে এটাই প্রত্যাশা দেশের সচেতন জনগণের।