ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

নির্বাচন বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত, তবে প্রয়োজন সংস্কারগুলো সম্পন্ন করা: ইইউ রাষ্ট্রদূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 286

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নির্বাচন কখন হবে, সেটি একান্তই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে যেসব কাঠামোগত সংস্কার দরকার, তা সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো চাপ নেই।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান মামুন।

আরও পড়ুন  সিরিজ বাঁচাতে আজ মাঠে বাংলাদেশ, থাকতে পারে পরিবর্তন

ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, “আমরা আশা করি, সব রাজনৈতিক দল ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্মিলিতভাবে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দিকে এগিয়ে যাবে।”

নির্বাচনে সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগ্রহী তবে নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের উপর নির্ভর করে।

জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দোষীদের বিচারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, “এখন একটি বড় সংস্কারের সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।”

রাখাইনে মানবিক করিডর নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, “উভয় পক্ষেরই ভুক্তভোগীরা মানবিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য। সবার জন্য সমানভাবে ত্রাণ পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে চাইলে বাংলাদেশ সরকারকে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তসহ যোগাযোগ করতে হবে।

তিনি বলেন, “ফেরত আনার প্রক্রিয়াটি আইনি ও কূটনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে। ইইউ এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”

রাষ্ট্রদূতের এসব বক্তব্যে স্পষ্ট ইইউ বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায়, তবে দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্তে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। সংস্কার ও মানবাধিকার ইস্যুতে তারা কেবল সহযোগিতার পক্ষেই রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত, তবে প্রয়োজন সংস্কারগুলো সম্পন্ন করা: ইইউ রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ০৩:১২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

জাতীয় নির্বাচন কখন হবে, সেটি একান্তই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে যেসব কাঠামোগত সংস্কার দরকার, তা সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো চাপ নেই।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান মামুন।

আরও পড়ুন  চরমোনাই মাহফিলে ইসলামী ঐক্যের আহ্বান, আগামী নির্বাচন নিয়ে কৌশল নির্ধারণ

ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, “আমরা আশা করি, সব রাজনৈতিক দল ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্মিলিতভাবে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দিকে এগিয়ে যাবে।”

নির্বাচনে সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগ্রহী তবে নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের উপর নির্ভর করে।

জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দোষীদের বিচারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, “এখন একটি বড় সংস্কারের সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।”

রাখাইনে মানবিক করিডর নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, “উভয় পক্ষেরই ভুক্তভোগীরা মানবিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য। সবার জন্য সমানভাবে ত্রাণ পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে চাইলে বাংলাদেশ সরকারকে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তসহ যোগাযোগ করতে হবে।

তিনি বলেন, “ফেরত আনার প্রক্রিয়াটি আইনি ও কূটনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে। ইইউ এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”

রাষ্ট্রদূতের এসব বক্তব্যে স্পষ্ট ইইউ বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায়, তবে দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্তে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। সংস্কার ও মানবাধিকার ইস্যুতে তারা কেবল সহযোগিতার পক্ষেই রয়েছে।