ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

সৌদিকে ৩৫০ কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 411

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের কাছে ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। শুক্রবার (২ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন মধ্যপ্রাচ্য সফরের ঠিক আগে এ চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হলো।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে জানানো হয়েছে—সৌদি আরবের কাছে যেসব অস্ত্র বিক্রি হবে, তার মধ্যে রয়েছে এক হাজার মধ্যপাল্লার ‘এআইএম–১২০’ ক্ষেপণাস্ত্র। এগুলো আকাশ থেকে আকাশে ছোড়া যায় এবং আকাশে থাকা শত্রু লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের যুদ্ধবিমান মুখোমুখি!

এই অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে জানায় পররাষ্ট্র দফতর। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, বড় অঙ্কের আন্তর্জাতিক অস্ত্র বিক্রির চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগামী ১৩ থেকে ১৬ মে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সৌদি আরবের সঙ্গে বড় ধরনের বাণিজ্যিক চুক্তির প্রতি আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন তিনি।

রয়টার্স আরও জানায়, ট্রাম্প তার সফরে সৌদি নেতৃত্বের কাছে ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার আগেই ৩৫০ কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির খবরটি সামনে এলো।

সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় অস্ত্র ক্রেতা। ২০১৭ সালে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে রিয়াদ সফরের সময় ১১০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দেন। তবে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাত্র ১৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

২০১৮ সালের অক্টোবরে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পর এসব অস্ত্র চুক্তি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসনের সময় কংগ্রেস সৌদি আরবে মারণাস্ত্র রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর লক্ষ্য ছিল সৌদি আরবকে ইয়েমেনে চলমান যুদ্ধে সহিংসতা কমাতে চাপ প্রয়োগ করা।

তবে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর বিশ্বব্যাপী জ্বালানির সংকট দেখা দিলে সৌদি আরবের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা নমনীয় হয়ে পড়ে। এতে অস্ত্র বিক্রির আগের নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

সৌদিকে ৩৫০ কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ১১:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের কাছে ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। শুক্রবার (২ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন মধ্যপ্রাচ্য সফরের ঠিক আগে এ চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হলো।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে জানানো হয়েছে—সৌদি আরবের কাছে যেসব অস্ত্র বিক্রি হবে, তার মধ্যে রয়েছে এক হাজার মধ্যপাল্লার ‘এআইএম–১২০’ ক্ষেপণাস্ত্র। এগুলো আকাশ থেকে আকাশে ছোড়া যায় এবং আকাশে থাকা শত্রু লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন  ন্যাটোর শীর্ষ পদে আর একক আধিপত্য নয়, বড় পরিবর্তনের পথে যুক্তরাষ্ট্র

এই অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে জানায় পররাষ্ট্র দফতর। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, বড় অঙ্কের আন্তর্জাতিক অস্ত্র বিক্রির চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগামী ১৩ থেকে ১৬ মে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সৌদি আরবের সঙ্গে বড় ধরনের বাণিজ্যিক চুক্তির প্রতি আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন তিনি।

রয়টার্স আরও জানায়, ট্রাম্প তার সফরে সৌদি নেতৃত্বের কাছে ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার আগেই ৩৫০ কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির খবরটি সামনে এলো।

সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় অস্ত্র ক্রেতা। ২০১৭ সালে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে রিয়াদ সফরের সময় ১১০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দেন। তবে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাত্র ১৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

২০১৮ সালের অক্টোবরে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পর এসব অস্ত্র চুক্তি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসনের সময় কংগ্রেস সৌদি আরবে মারণাস্ত্র রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর লক্ষ্য ছিল সৌদি আরবকে ইয়েমেনে চলমান যুদ্ধে সহিংসতা কমাতে চাপ প্রয়োগ করা।

তবে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর বিশ্বব্যাপী জ্বালানির সংকট দেখা দিলে সৌদি আরবের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা নমনীয় হয়ে পড়ে। এতে অস্ত্র বিক্রির আগের নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।