ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

মেটায় ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের আধিপত্য।

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 343

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটায় (Meta) বর্তমানে কাজ করছে শতাধিক প্রাক্তন ইসরায়েলি সেনা ও গোয়েন্দা সদস্য। যাদের অনেকেই ইসরায়েলের অভিজাত সাইবার গোয়েন্দা ইউনিট ৮২০০-এর কর্মকর্তা ছিল। কেউ কেউ সরাসরি সেনাবাহিনী থেকে মেটায় যোগ দিয়েছে।

বিশিষ্ট কর্মকর্তা গাই শেনকারম্যান, মিকি রথসচাইল্ড ও ম্যাক্সিম শ্মুকলার দীর্ঘদিন ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা ও যুদ্ধ পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল। এখন তারা মেটার গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে, বিশেষ করে AI ও নিরাপত্তা নীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রযুক্তি জায়ান্টদের ওপর হামলার হুমকি আইআরজিসির

মেটা সম্প্রতি তাদের ‘LLaMA’ AI টুল যুক্তরাষ্ট্র এবং Five Eyes জোটভুক্ত দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করেছে। এতে অংশ নিচ্ছে লকহিড মার্টিন, পালান্টির ও অ্যান্ডুরিলের মতো সামরিক ও গোয়েন্দা প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও।

বিশ্লেষকদের মতে, যেসব প্রযুক্তি আগে ফিলিস্তিনিদের উপর নজরদারি, দমন-পীড়ন ও তথ্যানিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হতো, সেই একই হাতেই এখন গঠিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী AI-নির্ভর ভবিষ্যতের নীতিমালা।

এটি গণতন্ত্র, তথ্যস্বাধীনতা ও মানবাধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মেটায় ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের আধিপত্য।

আপডেট সময় ০৫:০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটায় (Meta) বর্তমানে কাজ করছে শতাধিক প্রাক্তন ইসরায়েলি সেনা ও গোয়েন্দা সদস্য। যাদের অনেকেই ইসরায়েলের অভিজাত সাইবার গোয়েন্দা ইউনিট ৮২০০-এর কর্মকর্তা ছিল। কেউ কেউ সরাসরি সেনাবাহিনী থেকে মেটায় যোগ দিয়েছে।

বিশিষ্ট কর্মকর্তা গাই শেনকারম্যান, মিকি রথসচাইল্ড ও ম্যাক্সিম শ্মুকলার দীর্ঘদিন ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা ও যুদ্ধ পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল। এখন তারা মেটার গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে, বিশেষ করে AI ও নিরাপত্তা নীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রযুক্তি জায়ান্টদের ওপর হামলার হুমকি আইআরজিসির

মেটা সম্প্রতি তাদের ‘LLaMA’ AI টুল যুক্তরাষ্ট্র এবং Five Eyes জোটভুক্ত দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করেছে। এতে অংশ নিচ্ছে লকহিড মার্টিন, পালান্টির ও অ্যান্ডুরিলের মতো সামরিক ও গোয়েন্দা প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও।

বিশ্লেষকদের মতে, যেসব প্রযুক্তি আগে ফিলিস্তিনিদের উপর নজরদারি, দমন-পীড়ন ও তথ্যানিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হতো, সেই একই হাতেই এখন গঠিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী AI-নির্ভর ভবিষ্যতের নীতিমালা।

এটি গণতন্ত্র, তথ্যস্বাধীনতা ও মানবাধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।