ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কানাডা: বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড ও উন্নত জীবনের দেশ বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজ বাতিল: সূচি থেকে বাদ পড়ল টাইগারদের সফর ‘আমি এই কাজ করিনি’ হাদি হত্যা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ফয়সাল ইরান চালু করেছে সর্বোচ্চ মূল্যমানের ১০ মিলিয়ন রিয়াল নোট ঈদের আনন্দে বিষাদের ছায়া: সড়ক ও নদে প্রাণ গেল ২২ জনের যুদ্ধের ধাক্কায় এয়ারলাইন্স খাতে ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫

গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলা, একদিনেই নিহত ৫১

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 217

ছবি: সংগৃহীত

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর তীব্র হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও অন্তত ৫১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৩৬৫ জনে।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন  গাজায় অবরোধের মাঝে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ২৩

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সর্বশেষ হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১১৩ জন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত চলমান সংঘাতে আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯০৫ জনে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। উদ্ধারকর্মীরা নিরাপত্তা হুমকির কারণে অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারছেন না।

এছাড়া, ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবারও নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলা শুরু হয়। ওই সময় থেকে এ পর্যন্ত আলাদা করে আরও অন্তত ২৩০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রায় ১৫ মাস ধরে চলা অবরোধ এবং সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ইসরায়েল সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। এরপর দুই মাস ধরে তুলনামূলক শান্ত অবস্থা বিরাজ করছিল গাজায়।

তবে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার ইস্যুতে হামাসের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হলে, মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ফের বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এতে করে আবারও সহিংসতা বাড়তে শুরু করে এই অবরুদ্ধ উপত্যকায়।

বর্তমানে গাজায় মানবিক বিপর্যয় আরও তীব্রতর হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা, খাদ্য, ওষুধ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জরুরি মানবিক সহায়তার আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের আগ্রাসন থামেনি।

এই মুহূর্তে বহু মানুষ আশ্রয়হীন, ক্ষুধার্ত এবং নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও গাজার জনজীবনে শান্তির সুবাতাস ফিরছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলা, একদিনেই নিহত ৫১

আপডেট সময় ১০:০১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর তীব্র হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও অন্তত ৫১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৩৬৫ জনে।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানকে অশান্ত করতেই ট্রেনে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে: জাতিসংঘে পাকিস্তান

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সর্বশেষ হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১১৩ জন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত চলমান সংঘাতে আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯০৫ জনে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। উদ্ধারকর্মীরা নিরাপত্তা হুমকির কারণে অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারছেন না।

এছাড়া, ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবারও নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলা শুরু হয়। ওই সময় থেকে এ পর্যন্ত আলাদা করে আরও অন্তত ২৩০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রায় ১৫ মাস ধরে চলা অবরোধ এবং সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ইসরায়েল সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। এরপর দুই মাস ধরে তুলনামূলক শান্ত অবস্থা বিরাজ করছিল গাজায়।

তবে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার ইস্যুতে হামাসের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হলে, মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ফের বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এতে করে আবারও সহিংসতা বাড়তে শুরু করে এই অবরুদ্ধ উপত্যকায়।

বর্তমানে গাজায় মানবিক বিপর্যয় আরও তীব্রতর হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা, খাদ্য, ওষুধ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জরুরি মানবিক সহায়তার আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের আগ্রাসন থামেনি।

এই মুহূর্তে বহু মানুষ আশ্রয়হীন, ক্ষুধার্ত এবং নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও গাজার জনজীবনে শান্তির সুবাতাস ফিরছে না।