ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বন্দ্বে ইসরাইলের গোয়েন্দা প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 128

ছবি সংগৃহীত

 

ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের প্রধান রোনেন বার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ব্যর্থ অপসারণ প্রচেষ্টার প্রায় ছয় সপ্তাহ পর রোনেন বার এই সিদ্ধান্ত নিলেন। আগামী ১৫ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শিন বেট ইসরাইলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা, যার মূল দায়িত্ব দেশের সন্ত্রাসবাদ দমন। বেশ কিছুদিন ধরেই সংস্থার প্রধান বার এবং নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই টানাপোড়েন অবশেষে পদত্যাগে গিয়ে গড়াল।

আরও পড়ুন  মিশরের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে চড়ছে উত্তেজনা: ইসরাইলের হুঁশিয়ারি

সোমবার এক বিবৃতিতে রোনেন বার বলেন, “আমি আমার ৩৫ বছরের চাকরি জীবনের ইতি টানছি। আগামী ১৫ জুন থেকে পদত্যাগ কার্যকর হবে। এর আগেই একজন যোগ্য ও পেশাদার উত্তরসূরী নির্বাচন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।”

এর আগে গত ১৬ মার্চ নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে রোনেন বারের প্রতি আস্থাহীনতার কথা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, শিন বেটের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং বার নেতৃত্বের যোগ্য নন।

রোনেন বার পাল্টা দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাকে বিক্ষোভকারীদের উপর নজরদারি চালানোর এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাকে প্রভাবিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে নেতানিয়াহু এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

শিন বেট ইসরাইলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন হামলার তদন্তে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল। সেই হামলা দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দেয়, যার জেরে শিন বেটের ভূমিকা এবং নেতৃত্ব আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।

রোনেন বারের পদত্যাগ ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গন ও নিরাপত্তা মহলে নতুন আলোড়ন তুলেছে। কে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বন্দ্বে ইসরাইলের গোয়েন্দা প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা

আপডেট সময় ১১:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

 

ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের প্রধান রোনেন বার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ব্যর্থ অপসারণ প্রচেষ্টার প্রায় ছয় সপ্তাহ পর রোনেন বার এই সিদ্ধান্ত নিলেন। আগামী ১৫ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শিন বেট ইসরাইলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা, যার মূল দায়িত্ব দেশের সন্ত্রাসবাদ দমন। বেশ কিছুদিন ধরেই সংস্থার প্রধান বার এবং নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই টানাপোড়েন অবশেষে পদত্যাগে গিয়ে গড়াল।

আরও পড়ুন  ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি 

সোমবার এক বিবৃতিতে রোনেন বার বলেন, “আমি আমার ৩৫ বছরের চাকরি জীবনের ইতি টানছি। আগামী ১৫ জুন থেকে পদত্যাগ কার্যকর হবে। এর আগেই একজন যোগ্য ও পেশাদার উত্তরসূরী নির্বাচন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।”

এর আগে গত ১৬ মার্চ নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে রোনেন বারের প্রতি আস্থাহীনতার কথা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, শিন বেটের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং বার নেতৃত্বের যোগ্য নন।

রোনেন বার পাল্টা দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাকে বিক্ষোভকারীদের উপর নজরদারি চালানোর এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাকে প্রভাবিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে নেতানিয়াহু এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

শিন বেট ইসরাইলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন হামলার তদন্তে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল। সেই হামলা দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দেয়, যার জেরে শিন বেটের ভূমিকা এবং নেতৃত্ব আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।

রোনেন বারের পদত্যাগ ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গন ও নিরাপত্তা মহলে নতুন আলোড়ন তুলেছে। কে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন, এখন সেদিকেই নজর সকলের।