ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বন্দ্বে ইসরাইলের গোয়েন্দা প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 310

ছবি সংগৃহীত

 

ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের প্রধান রোনেন বার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ব্যর্থ অপসারণ প্রচেষ্টার প্রায় ছয় সপ্তাহ পর রোনেন বার এই সিদ্ধান্ত নিলেন। আগামী ১৫ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শিন বেট ইসরাইলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা, যার মূল দায়িত্ব দেশের সন্ত্রাসবাদ দমন। বেশ কিছুদিন ধরেই সংস্থার প্রধান বার এবং নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই টানাপোড়েন অবশেষে পদত্যাগে গিয়ে গড়াল।

আরও পড়ুন  চাঞ্চল্যকর অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর পদত্যাগ করলো নেতানিয়াহুর মুখপাত্র ও চিফ অব স্টাফ জিভ আগমোন

সোমবার এক বিবৃতিতে রোনেন বার বলেন, “আমি আমার ৩৫ বছরের চাকরি জীবনের ইতি টানছি। আগামী ১৫ জুন থেকে পদত্যাগ কার্যকর হবে। এর আগেই একজন যোগ্য ও পেশাদার উত্তরসূরী নির্বাচন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।”

এর আগে গত ১৬ মার্চ নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে রোনেন বারের প্রতি আস্থাহীনতার কথা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, শিন বেটের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং বার নেতৃত্বের যোগ্য নন।

রোনেন বার পাল্টা দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাকে বিক্ষোভকারীদের উপর নজরদারি চালানোর এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাকে প্রভাবিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে নেতানিয়াহু এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

শিন বেট ইসরাইলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন হামলার তদন্তে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল। সেই হামলা দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দেয়, যার জেরে শিন বেটের ভূমিকা এবং নেতৃত্ব আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।

রোনেন বারের পদত্যাগ ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গন ও নিরাপত্তা মহলে নতুন আলোড়ন তুলেছে। কে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বন্দ্বে ইসরাইলের গোয়েন্দা প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা

আপডেট সময় ১১:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

 

ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের প্রধান রোনেন বার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ব্যর্থ অপসারণ প্রচেষ্টার প্রায় ছয় সপ্তাহ পর রোনেন বার এই সিদ্ধান্ত নিলেন। আগামী ১৫ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শিন বেট ইসরাইলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা, যার মূল দায়িত্ব দেশের সন্ত্রাসবাদ দমন। বেশ কিছুদিন ধরেই সংস্থার প্রধান বার এবং নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই টানাপোড়েন অবশেষে পদত্যাগে গিয়ে গড়াল।

আরও পড়ুন  নওগাঁয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে টানাপোড়েন: ১০ নেতাকর্মীর একযোগে পদত্যাগ

সোমবার এক বিবৃতিতে রোনেন বার বলেন, “আমি আমার ৩৫ বছরের চাকরি জীবনের ইতি টানছি। আগামী ১৫ জুন থেকে পদত্যাগ কার্যকর হবে। এর আগেই একজন যোগ্য ও পেশাদার উত্তরসূরী নির্বাচন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।”

এর আগে গত ১৬ মার্চ নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে রোনেন বারের প্রতি আস্থাহীনতার কথা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, শিন বেটের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং বার নেতৃত্বের যোগ্য নন।

রোনেন বার পাল্টা দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাকে বিক্ষোভকারীদের উপর নজরদারি চালানোর এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাকে প্রভাবিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে নেতানিয়াহু এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

শিন বেট ইসরাইলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন হামলার তদন্তে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল। সেই হামলা দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দেয়, যার জেরে শিন বেটের ভূমিকা এবং নেতৃত্ব আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।

রোনেন বারের পদত্যাগ ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গন ও নিরাপত্তা মহলে নতুন আলোড়ন তুলেছে। কে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন, এখন সেদিকেই নজর সকলের।