ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

জাতীয় ঐকমত্যে গুরুত্ব দিতে হবে, তাড়াহুড়োর সুযোগ নেই : সালাহউদ্দিন আহমেদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 196

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে পারলে দেশের জন্য একটি ইতিবাচক দিকনির্দেশনা তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়ো না করে ধৈর্য ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণই দেশের জন্য মঙ্গলজনক।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বিএনপির প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  জাতীয় ঐকমত্য আলোচনায় দ্বিতীয় দিনে জামায়াতের অংশগ্রহণ

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “সংবিধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আজ থেকে বিচার বিভাগ সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য কমিশন নিয়ে আলোচনা চলবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন ইস্যুতে গণমাধ্যম ও জনমনে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে স্প্রেডশিট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। তবে বিএনপি প্রতিটি দফা আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করে দেখছে। কারণ, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মৌলিক বিষয়। এখানে কোনো অবহেলা বা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ নেই।”

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিএনপির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “বিচারকদের নিয়োগ, আলাদা বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন এবং বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে এটি হতে হবে দেশের প্রচলিত আইন এবং সংবিধানের আওতায়।”

তিনি জানান, বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিএনপি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করছে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

সংলাপকে সামনে রেখে সালাহউদ্দিন আহমেদ আশা প্রকাশ করেন, সকল রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কার্যকর জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। আর এই ঐকমত্য দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় ঐকমত্যে গুরুত্ব দিতে হবে, তাড়াহুড়োর সুযোগ নেই : সালাহউদ্দিন আহমেদ

আপডেট সময় ০২:৩২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে পারলে দেশের জন্য একটি ইতিবাচক দিকনির্দেশনা তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়ো না করে ধৈর্য ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণই দেশের জন্য মঙ্গলজনক।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বিএনপির প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  জাতীয় ঐকমত্য আলোচনায় দ্বিতীয় দিনে জামায়াতের অংশগ্রহণ

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “সংবিধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আজ থেকে বিচার বিভাগ সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য কমিশন নিয়ে আলোচনা চলবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন ইস্যুতে গণমাধ্যম ও জনমনে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে স্প্রেডশিট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। তবে বিএনপি প্রতিটি দফা আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করে দেখছে। কারণ, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মৌলিক বিষয়। এখানে কোনো অবহেলা বা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ নেই।”

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিএনপির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “বিচারকদের নিয়োগ, আলাদা বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন এবং বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে এটি হতে হবে দেশের প্রচলিত আইন এবং সংবিধানের আওতায়।”

তিনি জানান, বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিএনপি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করছে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

সংলাপকে সামনে রেখে সালাহউদ্দিন আহমেদ আশা প্রকাশ করেন, সকল রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কার্যকর জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। আর এই ঐকমত্য দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।