ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

জাতীয় ঐকমত্যে গুরুত্ব দিতে হবে, তাড়াহুড়োর সুযোগ নেই : সালাহউদ্দিন আহমেদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 428

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে পারলে দেশের জন্য একটি ইতিবাচক দিকনির্দেশনা তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়ো না করে ধৈর্য ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণই দেশের জন্য মঙ্গলজনক।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বিএনপির প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  জাতীয় ঐকমত্য আলোচনায় দ্বিতীয় দিনে জামায়াতের অংশগ্রহণ

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “সংবিধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আজ থেকে বিচার বিভাগ সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য কমিশন নিয়ে আলোচনা চলবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন ইস্যুতে গণমাধ্যম ও জনমনে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে স্প্রেডশিট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। তবে বিএনপি প্রতিটি দফা আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করে দেখছে। কারণ, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মৌলিক বিষয়। এখানে কোনো অবহেলা বা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ নেই।”

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিএনপির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “বিচারকদের নিয়োগ, আলাদা বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন এবং বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে এটি হতে হবে দেশের প্রচলিত আইন এবং সংবিধানের আওতায়।”

তিনি জানান, বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিএনপি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করছে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

সংলাপকে সামনে রেখে সালাহউদ্দিন আহমেদ আশা প্রকাশ করেন, সকল রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কার্যকর জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। আর এই ঐকমত্য দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় ঐকমত্যে গুরুত্ব দিতে হবে, তাড়াহুড়োর সুযোগ নেই : সালাহউদ্দিন আহমেদ

আপডেট সময় ০২:৩২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে পারলে দেশের জন্য একটি ইতিবাচক দিকনির্দেশনা তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়ো না করে ধৈর্য ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণই দেশের জন্য মঙ্গলজনক।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বিএনপির প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  জাতীয় ঐকমত্য গঠনে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা জরুরি: বদিউল আলম

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “সংবিধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আজ থেকে বিচার বিভাগ সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য কমিশন নিয়ে আলোচনা চলবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন ইস্যুতে গণমাধ্যম ও জনমনে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে স্প্রেডশিট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। তবে বিএনপি প্রতিটি দফা আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করে দেখছে। কারণ, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মৌলিক বিষয়। এখানে কোনো অবহেলা বা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ নেই।”

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিএনপির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “বিচারকদের নিয়োগ, আলাদা বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন এবং বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে এটি হতে হবে দেশের প্রচলিত আইন এবং সংবিধানের আওতায়।”

তিনি জানান, বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিএনপি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করছে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

সংলাপকে সামনে রেখে সালাহউদ্দিন আহমেদ আশা প্রকাশ করেন, সকল রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কার্যকর জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। আর এই ঐকমত্য দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।