ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের আপিল শুনানি মঙ্গলবার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 376

ছবি সংগৃহীত

 

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২১ এপ্রিল) এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় রিভিউ শেষে এখন আপিল শুনানির সুযোগ পেলেন আজহার। এটি দেশের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা, যেখানে রিভিউ শেষে আপিল শুনানির সুযোগ দেওয়া হলো।

আরও পড়ুন  আপিল বিভাগের রায়,অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান

আজহারের আইনজীবীরা দাবি করছেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে বিচার হয়েছে তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও ন্যায়ের নীতিমালা অনুসরণ করে হয়নি। তাঁরা অভিযোগ করেন, বিচার কার্যক্রমে বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুতর অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এটিএম আজহারুল ইসলামকে রংপুরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর আপিল বিভাগ তার মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। তবে এবার নতুন করে আপিল শুনানির সুযোগ পাওয়ায় মামলাটি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় এটি একটি নজিরবিহীন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ঘিরে আইনি অঙ্গনে উত্তেজনা ও আগ্রহ দুটোই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আদালতে আইনজীবীরা মামলার ন্যায়বিচার ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও নতুন করে বিতর্কে জড়াচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মামলাটির রায় দেশের ইতিহাস, বিচারব্যবস্থা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এখন দেখার বিষয় এই শুনানির ফলাফল কেমন দাঁড়ায় এবং তা ভবিষ্যতের জন্য কী বার্তা দেয়।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের আপিল শুনানি মঙ্গলবার

আপডেট সময় ১১:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২১ এপ্রিল) এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় রিভিউ শেষে এখন আপিল শুনানির সুযোগ পেলেন আজহার। এটি দেশের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা, যেখানে রিভিউ শেষে আপিল শুনানির সুযোগ দেওয়া হলো।

আরও পড়ুন  অধ্যাপক ইউনূসসহ ৭ জনের আপিল মঞ্জুর, দুদকের মামলা খারিজ

আজহারের আইনজীবীরা দাবি করছেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে বিচার হয়েছে তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও ন্যায়ের নীতিমালা অনুসরণ করে হয়নি। তাঁরা অভিযোগ করেন, বিচার কার্যক্রমে বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুতর অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এটিএম আজহারুল ইসলামকে রংপুরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর আপিল বিভাগ তার মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। তবে এবার নতুন করে আপিল শুনানির সুযোগ পাওয়ায় মামলাটি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় এটি একটি নজিরবিহীন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ঘিরে আইনি অঙ্গনে উত্তেজনা ও আগ্রহ দুটোই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আদালতে আইনজীবীরা মামলার ন্যায়বিচার ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও নতুন করে বিতর্কে জড়াচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মামলাটির রায় দেশের ইতিহাস, বিচারব্যবস্থা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এখন দেখার বিষয় এই শুনানির ফলাফল কেমন দাঁড়ায় এবং তা ভবিষ্যতের জন্য কী বার্তা দেয়।