ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের আপিল শুনানি মঙ্গলবার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 103

ছবি সংগৃহীত

 

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২১ এপ্রিল) এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় রিভিউ শেষে এখন আপিল শুনানির সুযোগ পেলেন আজহার। এটি দেশের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা, যেখানে রিভিউ শেষে আপিল শুনানির সুযোগ দেওয়া হলো।

আরও পড়ুন  সিনহা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় আজ (২ জুন)

আজহারের আইনজীবীরা দাবি করছেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে বিচার হয়েছে তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও ন্যায়ের নীতিমালা অনুসরণ করে হয়নি। তাঁরা অভিযোগ করেন, বিচার কার্যক্রমে বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুতর অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এটিএম আজহারুল ইসলামকে রংপুরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর আপিল বিভাগ তার মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। তবে এবার নতুন করে আপিল শুনানির সুযোগ পাওয়ায় মামলাটি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় এটি একটি নজিরবিহীন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ঘিরে আইনি অঙ্গনে উত্তেজনা ও আগ্রহ দুটোই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আদালতে আইনজীবীরা মামলার ন্যায়বিচার ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও নতুন করে বিতর্কে জড়াচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মামলাটির রায় দেশের ইতিহাস, বিচারব্যবস্থা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এখন দেখার বিষয় এই শুনানির ফলাফল কেমন দাঁড়ায় এবং তা ভবিষ্যতের জন্য কী বার্তা দেয়।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের আপিল শুনানি মঙ্গলবার

আপডেট সময় ১১:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২১ এপ্রিল) এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় রিভিউ শেষে এখন আপিল শুনানির সুযোগ পেলেন আজহার। এটি দেশের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা, যেখানে রিভিউ শেষে আপিল শুনানির সুযোগ দেওয়া হলো।

আরও পড়ুন  আপিল বিভাগে নতুন দুই বিচারপতিকে সংবর্ধনা

আজহারের আইনজীবীরা দাবি করছেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে বিচার হয়েছে তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও ন্যায়ের নীতিমালা অনুসরণ করে হয়নি। তাঁরা অভিযোগ করেন, বিচার কার্যক্রমে বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুতর অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এটিএম আজহারুল ইসলামকে রংপুরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর আপিল বিভাগ তার মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। তবে এবার নতুন করে আপিল শুনানির সুযোগ পাওয়ায় মামলাটি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় এটি একটি নজিরবিহীন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ঘিরে আইনি অঙ্গনে উত্তেজনা ও আগ্রহ দুটোই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আদালতে আইনজীবীরা মামলার ন্যায়বিচার ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও নতুন করে বিতর্কে জড়াচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মামলাটির রায় দেশের ইতিহাস, বিচারব্যবস্থা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এখন দেখার বিষয় এই শুনানির ফলাফল কেমন দাঁড়ায় এবং তা ভবিষ্যতের জন্য কী বার্তা দেয়।