ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

খুলনায় আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশি নজরে নেতা-কর্মীরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 166

ছবি সংগৃহীত

 

 

খুলনা নগরীর রাজপথে রোববার সকাল সকাল দেখা গেল ভিন্ন এক চিত্র। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে জিরো পয়েন্ট এলাকায় হঠাৎ করেই শুরু হয় এক ঝটিকা মিছিল। ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, খুলনা জেলা শাখা’র ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেন বেশ কিছু নেতা-কর্মী। তবে তাঁদের মধ্যে পরিচিত মুখ ছিল না বললেই চলে।

আরও পড়ুন  গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়ল: প্রতিবেদন জমা হবে জুনে

গেল ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর খুলনায় এটাই প্রথম দলটির পক্ষ থেকে প্রকাশ্য কোনো কর্মসূচি। হঠাৎ এই কর্মসূচি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয় কৌতূহল। মিছিলের ছবি ও ভিডিও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ছবিগুলোতে দেখা গেছে, নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ব্যানার বহন করছেন। তারা স্লোগানে মুখর ছিলেন ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার’, ‘শেখ হাসিনা ফিরবে আবার বীরের বেশে’। স্লোগানের শব্দ রাজপথ কাঁপিয়ে তোলে এক সময়।

এই বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই কর্মসূচিতে পরিচিত কোনো নেতা-কর্মী অংশ নেননি। তিনি বলেন, “দলীয় নির্দেশ ছিল, মিছিলে অপরিচিত নেতা-কর্মীরা থাকবেন যাতে প্রশাসনের নজর এড়ানো যায়। তাই উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মীদের নিয়ে এই মিছিল করা হয়েছে।”

জিরো পয়েন্ট এলাকা খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) হরিণটানা থানার আওতাভুক্ত। থানা সূত্রে জানা যায়, মিছিলটি পরিকল্পিতভাবে দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করে নেতা-কর্মীরা স্থান ত্যাগ করেন। হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল বাশার জানান, “গাড়ি থেকে নেমেই হঠাৎ মিছিল শুরু করেন তারা এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সরে পড়েন। ভোরবেলা হওয়ায় সড়কে মানুষের চলাচল কম ছিল, ফলে পুলিশ তাৎক্ষণিক প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়। তবে মিছিলকারীদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।”

হঠাৎ করে এমন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারো আলোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই মিছিল হয়তো আগাম আরও বড় কোনো কর্মসূচির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

খুলনায় আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশি নজরে নেতা-কর্মীরা

আপডেট সময় ১২:৪২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

খুলনা নগরীর রাজপথে রোববার সকাল সকাল দেখা গেল ভিন্ন এক চিত্র। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে জিরো পয়েন্ট এলাকায় হঠাৎ করেই শুরু হয় এক ঝটিকা মিছিল। ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, খুলনা জেলা শাখা’র ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেন বেশ কিছু নেতা-কর্মী। তবে তাঁদের মধ্যে পরিচিত মুখ ছিল না বললেই চলে।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেনসহ তিন নেতা গ্রেপ্তার

গেল ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর খুলনায় এটাই প্রথম দলটির পক্ষ থেকে প্রকাশ্য কোনো কর্মসূচি। হঠাৎ এই কর্মসূচি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয় কৌতূহল। মিছিলের ছবি ও ভিডিও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ছবিগুলোতে দেখা গেছে, নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ব্যানার বহন করছেন। তারা স্লোগানে মুখর ছিলেন ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার’, ‘শেখ হাসিনা ফিরবে আবার বীরের বেশে’। স্লোগানের শব্দ রাজপথ কাঁপিয়ে তোলে এক সময়।

এই বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই কর্মসূচিতে পরিচিত কোনো নেতা-কর্মী অংশ নেননি। তিনি বলেন, “দলীয় নির্দেশ ছিল, মিছিলে অপরিচিত নেতা-কর্মীরা থাকবেন যাতে প্রশাসনের নজর এড়ানো যায়। তাই উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মীদের নিয়ে এই মিছিল করা হয়েছে।”

জিরো পয়েন্ট এলাকা খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) হরিণটানা থানার আওতাভুক্ত। থানা সূত্রে জানা যায়, মিছিলটি পরিকল্পিতভাবে দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করে নেতা-কর্মীরা স্থান ত্যাগ করেন। হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল বাশার জানান, “গাড়ি থেকে নেমেই হঠাৎ মিছিল শুরু করেন তারা এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সরে পড়েন। ভোরবেলা হওয়ায় সড়কে মানুষের চলাচল কম ছিল, ফলে পুলিশ তাৎক্ষণিক প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়। তবে মিছিলকারীদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।”

হঠাৎ করে এমন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারো আলোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই মিছিল হয়তো আগাম আরও বড় কোনো কর্মসূচির ইঙ্গিত দিচ্ছে।