ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ট্রাম্পের “গোল্ডেন ডোম” ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রকল্পে শীর্ষে স্পেসএক্স

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 402

ছবি সংগৃহীত

 

ইলন মাস্কের স্পেস-X, প্যালান্টির এবং অ্যান্ডুরিল মিলে এগিয়ে চলছে ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষী “গোল্ডেন ডোম” ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাণে।

স্পেস-X ৪০০ থেকে ১,০০০-এরও বেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে, যেগুলো ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি শনাক্ত ও ট্র্যাক করবে।
এর পাশাপাশি ২০০টি অস্ত্রসজ্জিত স্যাটেলাইট মোতায়েন করা হবে এগুলো প্রতিহত করার জন্য।

আরও পড়ুন  চুক্তি ছাড়াই যুদ্ধের ইতি টানতে চান ট্রাম্প, মিত্র দেশগুলোর ওপর চরম ক্ষোভ

এই প্রকল্পে স্পেস-X এর মূল লক্ষ্য হলো ‘কাস্টডি লেয়ার’ তথা আসন্ন হুমকি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তি তৈরি করা।

প্রকল্পটির প্রাথমিক প্রকৌশল ব্যয় আনুমানিক ৬ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।
মাস্ক প্রস্তাব দিয়েছেন, এই সিস্টেম যুক্তরাষ্ট্র কিনবে না, বরং সাবস্ক্রিপশন মডেলে এর অ্যাক্সেসের জন্য অর্থ প্রদান করবে।

এদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন—এই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যেতে পারে

এই প্রকল্পে যুক্ত তিনটি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা ট্রাম্পপন্থী হিসেবে পরিচিত—শুধু মাস্কই ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পকে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের “গোল্ডেন ডোম” ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রকল্পে শীর্ষে স্পেসএক্স

আপডেট সময় ০৪:০০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

 

ইলন মাস্কের স্পেস-X, প্যালান্টির এবং অ্যান্ডুরিল মিলে এগিয়ে চলছে ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষী “গোল্ডেন ডোম” ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাণে।

স্পেস-X ৪০০ থেকে ১,০০০-এরও বেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে, যেগুলো ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি শনাক্ত ও ট্র্যাক করবে।
এর পাশাপাশি ২০০টি অস্ত্রসজ্জিত স্যাটেলাইট মোতায়েন করা হবে এগুলো প্রতিহত করার জন্য।

আরও পড়ুন  ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প-এরদোয়ান সাক্ষাৎ: সংকট ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা

এই প্রকল্পে স্পেস-X এর মূল লক্ষ্য হলো ‘কাস্টডি লেয়ার’ তথা আসন্ন হুমকি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তি তৈরি করা।

প্রকল্পটির প্রাথমিক প্রকৌশল ব্যয় আনুমানিক ৬ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।
মাস্ক প্রস্তাব দিয়েছেন, এই সিস্টেম যুক্তরাষ্ট্র কিনবে না, বরং সাবস্ক্রিপশন মডেলে এর অ্যাক্সেসের জন্য অর্থ প্রদান করবে।

এদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন—এই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যেতে পারে

এই প্রকল্পে যুক্ত তিনটি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা ট্রাম্পপন্থী হিসেবে পরিচিত—শুধু মাস্কই ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পকে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন।