ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ঢাকায় এসে আমি খুশি: পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 295

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকায় পৌঁছে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ। বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, “ঢাকায় এসে আমি খুশি।” সফরের শুরুতেই তার এ মন্তব্য দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এর আগে বুধবার দুপুরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান আমনা বালুচ। তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহান।

আরও পড়ুন  পাঁচ বছরে ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে পাকিস্তান

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যকার কিছুটা স্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গতি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রায় ১৫ বছর পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ–পাকিস্তান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন, বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি এপ্রিল মাসের শেষদিকে ঢাকা সফর করতে পারেন। তার সেই সফরকে ঘিরে আলোচনার এ সফরকে প্রস্তুতিমূলক ধাপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সফরকালীন বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি কার্যকর ও গঠনমূলক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। অতীতের কিছু অমীমাংসিত বিষয় থাকা সত্ত্বেও সময়ের প্রেক্ষাপটে বাস্তবমুখী ও ভবিষ্যতমুখী কূটনৈতিক অবস্থান গ্রহণের দিকে ঝুঁকছে উভয় দেশ। দুই পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহানুভূতির ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী।

এ সফর ও বৈঠকগুলোর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বন্ধ দ্বার খুলে দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন রূপ পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকায় এসে আমি খুশি: পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব

আপডেট সময় ০৭:৩৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

 

ঢাকায় পৌঁছে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ। বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, “ঢাকায় এসে আমি খুশি।” সফরের শুরুতেই তার এ মন্তব্য দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এর আগে বুধবার দুপুরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান আমনা বালুচ। তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহান।

আরও পড়ুন  পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ ভারত ও পাকিস্তানের

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যকার কিছুটা স্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গতি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রায় ১৫ বছর পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ–পাকিস্তান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন, বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি এপ্রিল মাসের শেষদিকে ঢাকা সফর করতে পারেন। তার সেই সফরকে ঘিরে আলোচনার এ সফরকে প্রস্তুতিমূলক ধাপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সফরকালীন বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি কার্যকর ও গঠনমূলক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। অতীতের কিছু অমীমাংসিত বিষয় থাকা সত্ত্বেও সময়ের প্রেক্ষাপটে বাস্তবমুখী ও ভবিষ্যতমুখী কূটনৈতিক অবস্থান গ্রহণের দিকে ঝুঁকছে উভয় দেশ। দুই পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহানুভূতির ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী।

এ সফর ও বৈঠকগুলোর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বন্ধ দ্বার খুলে দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন রূপ পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।