ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

অপতথ্য নিয়ে কাজ করা সংস্থা বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 410

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই ট্রাম্প প্রশাসন বন্ধ করে দিল তথ্যবিরোধী একটি সংস্থা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য চিহ্নিত ও প্রতিরোধে কাজ করত। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর দাবি, এ ধরনের সংস্থার আর প্রয়োজন নেই, বরং এটি সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের অধিকারে হস্তক্ষেপ করছিল।

রুবিও বলেন, “এই সংস্থা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে দমন করছিল। অনেক নাগরিক কেবল সামাজিক মাধ্যমে মতামত দেওয়ার কারণে আইনি জটিলতায় পড়ছেন, এমনকি জেলেও যেতে হচ্ছে। এ ধরনের নজরদারি বন্ধ করা উচিত।” তাঁর অভিযোগ, সংস্থাটি মূলত রক্ষণশীল মতবাদ ও মিডিয়াকে লক্ষ্য করে চলছিল এবং প্রতিবছর ৫০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করে জনমত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছিল।

আরও পড়ুন  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন মার্কো রুবিও

প্রসঙ্গত, এই তথ্যবিরোধী ইউনিট গঠন করা হয়েছিল রাশিয়া ও চীনের অপতথ্য অভিযান মোকাবেলার লক্ষ্যে। সংস্থাটির কাজ ছিল এসব দেশের প্রচারিত বিভ্রান্তিমূলক তথ্য চিহ্নিত করে জনগণকে সতর্ক করা। কিন্তু ধীরে ধীরে এটি আমেরিকার অভ্যন্তরীণ মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে শুরু করে বলে অভিযোগ উঠে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে একটি বিতর্কিত অভিবাসন মামলায়। ওয়াশিংটনের ফেডারেল বিচারক জেমস বোসবার্গ রায় দিয়েছেন, এল সালভাদোর থেকে যারা ডিপোর্ট করে ফেরত পাঠানো হচ্ছিল, সেই বিমানে তাদের ফেরত আনতে হবে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করায় হোয়াইট হাউসকে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা ও ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় আদালত অবমাননার অভিযোগ গঠন হতে পারে।

অন্যদিকে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ও এসেছে বিতর্কের কেন্দ্রে। মার্কিন প্রশাসন এবার বিশ্ববিদ্যালয়টির করছাড় সুবিধা বাতিল করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন ও ওয়াশিংটন পোস্ট। সাধারণত ৫০১ (সি)(৩) ধারার অধীনে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করছাড় পায়। প্রশাসনের একাংশের দাবি, হার্ভার্ড একাডেমিক স্বাধীনতার নামে রাজনৈতিক প্রভাব খাটাচ্ছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়েছে, শিক্ষার প্রশ্নে তারা কোনো চাপ মেনে নেবে না।

এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের মতপ্রকাশ ও শিক্ষা-স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অপতথ্য নিয়ে কাজ করা সংস্থা বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশ

আপডেট সময় ০২:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই ট্রাম্প প্রশাসন বন্ধ করে দিল তথ্যবিরোধী একটি সংস্থা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য চিহ্নিত ও প্রতিরোধে কাজ করত। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর দাবি, এ ধরনের সংস্থার আর প্রয়োজন নেই, বরং এটি সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের অধিকারে হস্তক্ষেপ করছিল।

রুবিও বলেন, “এই সংস্থা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে দমন করছিল। অনেক নাগরিক কেবল সামাজিক মাধ্যমে মতামত দেওয়ার কারণে আইনি জটিলতায় পড়ছেন, এমনকি জেলেও যেতে হচ্ছে। এ ধরনের নজরদারি বন্ধ করা উচিত।” তাঁর অভিযোগ, সংস্থাটি মূলত রক্ষণশীল মতবাদ ও মিডিয়াকে লক্ষ্য করে চলছিল এবং প্রতিবছর ৫০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করে জনমত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছিল।

আরও পড়ুন  পোপের সঙ্গে দ্বন্দ্বের আবহেই বাইবেল পাঠের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

প্রসঙ্গত, এই তথ্যবিরোধী ইউনিট গঠন করা হয়েছিল রাশিয়া ও চীনের অপতথ্য অভিযান মোকাবেলার লক্ষ্যে। সংস্থাটির কাজ ছিল এসব দেশের প্রচারিত বিভ্রান্তিমূলক তথ্য চিহ্নিত করে জনগণকে সতর্ক করা। কিন্তু ধীরে ধীরে এটি আমেরিকার অভ্যন্তরীণ মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে শুরু করে বলে অভিযোগ উঠে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে একটি বিতর্কিত অভিবাসন মামলায়। ওয়াশিংটনের ফেডারেল বিচারক জেমস বোসবার্গ রায় দিয়েছেন, এল সালভাদোর থেকে যারা ডিপোর্ট করে ফেরত পাঠানো হচ্ছিল, সেই বিমানে তাদের ফেরত আনতে হবে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করায় হোয়াইট হাউসকে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা ও ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় আদালত অবমাননার অভিযোগ গঠন হতে পারে।

অন্যদিকে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ও এসেছে বিতর্কের কেন্দ্রে। মার্কিন প্রশাসন এবার বিশ্ববিদ্যালয়টির করছাড় সুবিধা বাতিল করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন ও ওয়াশিংটন পোস্ট। সাধারণত ৫০১ (সি)(৩) ধারার অধীনে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করছাড় পায়। প্রশাসনের একাংশের দাবি, হার্ভার্ড একাডেমিক স্বাধীনতার নামে রাজনৈতিক প্রভাব খাটাচ্ছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়েছে, শিক্ষার প্রশ্নে তারা কোনো চাপ মেনে নেবে না।

এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের মতপ্রকাশ ও শিক্ষা-স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।