ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের মঙ্গল কামনায় আর কোনো দেশ এতটা উন্মুখ নয়: জয়শঙ্কর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 505

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আন্তরিকতা এবং শুভকামনা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি দাবি করেছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের মঙ্গল কামনায় আর কোনো দেশের মন এতটা উন্মুখ নয়, এবং এই অনুভূতি ভারতের ‘ডিএনএ’-তে গাঁথা।

বুধবার নয়াদিল্লিতে ‘রাইজিং ইন্ডিয়া সামিট ২০২৫’-এর দ্বিতীয় দিনে দেওয়া বক্তব্যে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের মতো আর কোনো দেশ বাংলাদেশের মঙ্গল চায় না। এ সম্পর্ক অতীতের অভিজ্ঞতা ও জনগণের সঙ্গে জনগণের গভীর বন্ধনের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে।”

আরও পড়ুন  মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সমাধি কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভারতে কারফিউ জারি

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট জানায়, জয়শঙ্কর বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে বিশেষ করে মৌলবাদী প্রবণতা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও গণতান্ত্রিক চর্চা নিয়ে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ কী ভাবছে, তারা কী বলছে সেটা আমরা মনোযোগ দিয়ে শুনছি। বন্ধু হিসেবে আমরা মনে করি, সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়াটাই তাদের জন্য মঙ্গলজনক।”

সম্প্রতি থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎ হয়। সেই আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর জোর দেন মোদি। এই প্রেক্ষাপটেই জয়শঙ্করের বক্তব্য এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জয়শঙ্কর বলেন, “আমাদের সম্পর্ক কেবল সরকার ও প্রশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মূলত জনগণের সম্পর্ক। সেই কারণেই এটি অন্য যেকোনো প্রতিবেশী দেশের চেয়ে আলাদা।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশে অচিরেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। “গণতান্ত্রিক দেশের জন্য নির্বাচন একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া। জনগণের ম্যান্ডেট দেওয়া ও পুনর্নবীকরণের মাধ্যম এটি। আমরা আশা করি বাংলাদেশ সেই পথেই এগিয়ে যাবে,” বলেন জয়শঙ্কর।

তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও শুভকামনা কৃত্রিম নয় এটি আমাদের রক্তে মিশে আছে।”

এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ পথচলার দিকনির্দেশনাও বটে বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক রাজনীতি নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের মঙ্গল কামনায় আর কোনো দেশ এতটা উন্মুখ নয়: জয়শঙ্কর

আপডেট সময় ০৪:২০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 

বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আন্তরিকতা এবং শুভকামনা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি দাবি করেছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের মঙ্গল কামনায় আর কোনো দেশের মন এতটা উন্মুখ নয়, এবং এই অনুভূতি ভারতের ‘ডিএনএ’-তে গাঁথা।

বুধবার নয়াদিল্লিতে ‘রাইজিং ইন্ডিয়া সামিট ২০২৫’-এর দ্বিতীয় দিনে দেওয়া বক্তব্যে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের মতো আর কোনো দেশ বাংলাদেশের মঙ্গল চায় না। এ সম্পর্ক অতীতের অভিজ্ঞতা ও জনগণের সঙ্গে জনগণের গভীর বন্ধনের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে।”

আরও পড়ুন  ভারত নদীর পাড়ে,জঙ্গলে মানুষ ফেলে যাচ্ছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট জানায়, জয়শঙ্কর বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে বিশেষ করে মৌলবাদী প্রবণতা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও গণতান্ত্রিক চর্চা নিয়ে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ কী ভাবছে, তারা কী বলছে সেটা আমরা মনোযোগ দিয়ে শুনছি। বন্ধু হিসেবে আমরা মনে করি, সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়াটাই তাদের জন্য মঙ্গলজনক।”

সম্প্রতি থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎ হয়। সেই আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর জোর দেন মোদি। এই প্রেক্ষাপটেই জয়শঙ্করের বক্তব্য এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জয়শঙ্কর বলেন, “আমাদের সম্পর্ক কেবল সরকার ও প্রশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মূলত জনগণের সম্পর্ক। সেই কারণেই এটি অন্য যেকোনো প্রতিবেশী দেশের চেয়ে আলাদা।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশে অচিরেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। “গণতান্ত্রিক দেশের জন্য নির্বাচন একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া। জনগণের ম্যান্ডেট দেওয়া ও পুনর্নবীকরণের মাধ্যম এটি। আমরা আশা করি বাংলাদেশ সেই পথেই এগিয়ে যাবে,” বলেন জয়শঙ্কর।

তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও শুভকামনা কৃত্রিম নয় এটি আমাদের রক্তে মিশে আছে।”

এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ পথচলার দিকনির্দেশনাও বটে বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক রাজনীতি নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।