০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

মহেশপুর সীমান্তে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১৩ বাংলাদেশি আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 87

ছবি সংগৃহীত

 

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৩ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বিজিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৫৮ বিজিবির অধীনস্থ পলিয়ানপুর, কুসুমপুর ও খোসালপুর বিওপির টহল দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, চারজন নারী এবং তিনজন শিশু রয়েছে। তারা সবাই যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

বিজিবি জানায়, এরা কেউ বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করছিলেন, আবার কেউ ভারত থেকে ফিরছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কাজের সন্ধানে এবং দালালের খপ্পরে পড়ে তারা এ পথে পাড়ি জমাতে চেষ্টা করছিলেন।

এছাড়া, একই দিনে পৃথক অভিযানে বেনীপুর বিওপি এলাকার একটি মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ কাশেদ আলী (২৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং কামাল হোসেনের ছেলে।

অন্যদিকে যাদবপুর বিওপির টহল দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “আটকদের মধ্যে দুইজনকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। বাকি সবাইকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।”

বিজিবির এক কর্মকর্তা জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জনগণকে এসব ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ পথে যাতায়াত না করার অনুরোধ জানিয়েছে বিজিবি।

সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবির এমন তৎপরতা প্রশংসিত হচ্ছে। তবে সীমান্ত এলাকাগুলোতে দালাল চক্রের তৎপরতা বন্ধে আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মহেশপুর সীমান্তে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১৩ বাংলাদেশি আটক

আপডেট সময় ০৯:৫৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৩ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বিজিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৫৮ বিজিবির অধীনস্থ পলিয়ানপুর, কুসুমপুর ও খোসালপুর বিওপির টহল দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, চারজন নারী এবং তিনজন শিশু রয়েছে। তারা সবাই যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

বিজিবি জানায়, এরা কেউ বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করছিলেন, আবার কেউ ভারত থেকে ফিরছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কাজের সন্ধানে এবং দালালের খপ্পরে পড়ে তারা এ পথে পাড়ি জমাতে চেষ্টা করছিলেন।

এছাড়া, একই দিনে পৃথক অভিযানে বেনীপুর বিওপি এলাকার একটি মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ কাশেদ আলী (২৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং কামাল হোসেনের ছেলে।

অন্যদিকে যাদবপুর বিওপির টহল দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “আটকদের মধ্যে দুইজনকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। বাকি সবাইকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।”

বিজিবির এক কর্মকর্তা জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জনগণকে এসব ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ পথে যাতায়াত না করার অনুরোধ জানিয়েছে বিজিবি।

সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবির এমন তৎপরতা প্রশংসিত হচ্ছে। তবে সীমান্ত এলাকাগুলোতে দালাল চক্রের তৎপরতা বন্ধে আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।